PRT না দিলে জবাব ভোটবাক্সে। যন্তর মন্তরে ধর্না, আজ দিল্লী কাঁপাচ্ছে UUPTWA
নজরবন্দি ব্যুরোঃ অরাজনৈতিক প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠন উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারী টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের ডাকে তিলোত্তমার রাজপথে হয় এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল সংগঠিত করেছিলেন রাজ্যের হাজারো প্রাথমিক শিক্ষক। তারপর রামলীলা ময়দানে হয় বিক্ষোভ সমাবেশ। মূলত এনসিটিই এর নিয়ম মেনে সঠিক যোগ্যতা অনুযায়ী সর্বভারতীয় বেতনক্রম মেনে PRT স্কেল চালু করার দাবীতেই এই আন্দোলন। অনেকদিন থেকেই UUPTWA সোচ্চার হয়েছে PRT স্কেলের দাবীতে।
ইতিমধ্যেই কলকাতা চারবার স্বাক্ষী থেকেছে শিক্ষক বিদ্রোহের।সমস্ত জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক দের ডেপুটেশন দেওয়ার পর দু দফায় ডেপুটেশন দেওয়া হয় শিক্ষা সচিবকে। শিক্ষামন্ত্রী নাকি দেখা করার সময় দিয়েও প্রথমদিন ছিলেন কোণ্নগরের সুইমিং পুলে বলে অভিযোগ ওঠে সংগঠনের তরফে। সেদিন সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রতিনিধিরা স্মারকলিপি জমা করে এসেছিলেন বিকাশ ভবনের রিসিভ সেকশনে। দ্বিতীয়বার অবশ্য শিক্ষামন্ত্রী দেখা করেন ও বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখবেন বলে আশ্বস্ত করেন। কিন্তু সেই আশ্বাসই সার। কাজের কাজ কিছুই হয় নি। সংগঠনের অভিযোগ, বারংবার মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চাইলেও উনি সময় দেন নি, উল্টে ওনার এডিশনাল সেক্রেটারি দেখা করে আশ্বাস বাণী দেন। শিক্ষকদের দাবি, দেখা না করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন "বিক্ষোভ মিছিল না করে কয়েকজন প্রতিনিধি এসে আমার সঙ্গে দেখা করতে পারতেন।" -এই বক্তব্যে ক্ষুব্ধ বাংলার শিক্ষক মহল। সংগঠনের রাজ্য সভাপতি সন্দীপ ঘোষ বলেন, "আর কিভাবে ওনার সঙ্গে দেখা করার অনুমতি চাওয়া যেতে পারে, তা উনি পরিস্কার করে জানালে ভালো হয়।"
সংগঠনের রাজ্য সম্পাদিকা পৃথা বিশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর "আন্দোলন করতে ছুটি নিয়ে এসেছে কিনা খবর নেব।" -এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "আমরা কেউ শখে রাস্তায় নামি নি। উনিই আমাদের বাধ্য করিয়েছেন রাস্তায় নামতে। শিক্ষকরা নিজেদের দায়িত্ব নিয়ে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল। উনি নিজে ওনার সাংবিধানিক দায়িত্ব ঠিকমত পালন করুন আগে। শিক্ষামন্ত্রী এর মতন একটি চেয়ারে বসে উনি কি করে মিথ্যে সম্ভাষণ করছেন? কতবার আর কিভাবে ওনার সঙ্গে আলোচনা করার চেষ্টা করব?
কারী প্রাথমিক শিক্ষকদের কি দুরবস্থা।" অতি সম্প্রতি বিদ্যালয়ের কর্মদিবসের দিন এক রাজনৈতিক সভায় সারা বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য প্রাথমিক শিক্ষক যোগ দেন। এই বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী এর প্রতিক্রিয়া দাবী করেন UUPTWA এর সহঃ সভাপতি শান্তনু মন্ডল। এদিন মঞ্চ থেকে "PRT যেখানে, ভোট সেখানে।" স্লোগানও শোনা যায়।
এর থেকেই স্পষ্ট যে লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রাথমিক শিক্ষকদের বঞ্চনা নিয়ে রাজ্য তথা জাতীয় রাজনীতি ভালোরকম উত্তপ্ত হতে চলেছে। তাই আজ দিল্লি কাঁপাতে উস্তিয়ানরা পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দলে দলে যোগ দিচ্ছেন যন্তর মন্তরে | ন্যায্য বেতনের দাবিতে পশ্চিমবঙ্গের বন্চিত শিক্ষকদের ঢল আছরে পড়েছে দিল্লিতে | সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা অবধি ধর্না চলবে | বিশিষ্ট ব্যক্তি বর্গ আসছেন | তার মাঝে MHRD এবং NCTE তে ডেপুটেশন দেওয়া হবে | MHRD minister প্রকাশ জাভরেকর জানিয়েছেন তিনি দিল্লিতে থাকলে ,অবশ্যই আসবেন শিক্ষকদের এই আন্দোলনে উৎসাহ দিতে।
ইতিমধ্যেই কলকাতা চারবার স্বাক্ষী থেকেছে শিক্ষক বিদ্রোহের।সমস্ত জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক দের ডেপুটেশন দেওয়ার পর দু দফায় ডেপুটেশন দেওয়া হয় শিক্ষা সচিবকে। শিক্ষামন্ত্রী নাকি দেখা করার সময় দিয়েও প্রথমদিন ছিলেন কোণ্নগরের সুইমিং পুলে বলে অভিযোগ ওঠে সংগঠনের তরফে। সেদিন সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রতিনিধিরা স্মারকলিপি জমা করে এসেছিলেন বিকাশ ভবনের রিসিভ সেকশনে। দ্বিতীয়বার অবশ্য শিক্ষামন্ত্রী দেখা করেন ও বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখবেন বলে আশ্বস্ত করেন। কিন্তু সেই আশ্বাসই সার। কাজের কাজ কিছুই হয় নি। সংগঠনের অভিযোগ, বারংবার মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চাইলেও উনি সময় দেন নি, উল্টে ওনার এডিশনাল সেক্রেটারি দেখা করে আশ্বাস বাণী দেন। শিক্ষকদের দাবি, দেখা না করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন "বিক্ষোভ মিছিল না করে কয়েকজন প্রতিনিধি এসে আমার সঙ্গে দেখা করতে পারতেন।" -এই বক্তব্যে ক্ষুব্ধ বাংলার শিক্ষক মহল। সংগঠনের রাজ্য সভাপতি সন্দীপ ঘোষ বলেন, "আর কিভাবে ওনার সঙ্গে দেখা করার অনুমতি চাওয়া যেতে পারে, তা উনি পরিস্কার করে জানালে ভালো হয়।"




No comments