ডানপন্থী সরকারের বামপন্থী বাজেটের ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে বাম ব্রিগেডে! #SpecialArticle
অঞ্জন বসুঃ আমার অতি ডানপন্থী কেন্দ্রীয় সরকারের বামপন্থী কেন্দ্রীয় বাজেট বলার কারণ হচ্ছে,
বিগত ৮ ও ৯ জানুয়ারি বামপন্থী কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠন গুলি সরকারের বিরুদ্ধে নিদিষ্ট কিছু দাবি নিয়ে সারা দেশ ব্যাপী শ্রমিক ধর্মঘট করে ছিল। এবং একই ধরণের দাবি নিয়ে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ব্রিগ্রেড সমাবেশের ডাক দিয়েছে বাম দল গুলি।
কিন্তু তার আগেই কেন্দ্রীয় বাজেটের ফলে সেই দাবি গুলি জনমানসে কতটা ছাপ ফেলবে সেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বাম ধর্মঘটের সেই দাবিগুলি আসুন আগে একবার দেখে নিই।
●দ্রব্যমূল্যবৃদ্ধি রোধ করতে হবে।
সকলের জন্য কর্মসংস্থানের পদক্ষেপ নিতে হবে।
●শ্রম আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে। ●সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা দিতে হবে।
●১৮০০০ টাকা ন্যূনতম বেতন দিতে হবে।
●সকল শ্রমজীবী মানুষকে ন্যূনতম ৬০০০ টাকা পেনশন দিতে হবে।
●সরকারি সংস্থাগুলির, বিলগ্নিকরণ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
●সমকাজে সমবেতন দিতে হবে। ঠিকা প্রথা (কনট্রাকচুয়াল জব) নীতি বাতিল করতে হবে। ●বোনাস, ইএসআই ও প্রভিডেন্ট ফান্ড আইনের যোগ্যতাসীমা প্রত্যাহার করতে হবে এবং গ্রাচুইটির পরিমাণ বৃদ্ধি করতে হবে।
●আবেদন করার ৪৫ দিনের মধ্যে ট্রেডইউনিয়নের রেজিস্ট্রেশন দিতে হবে।
●শ্রম আইন হরণ করার নামে শ্রমিকের অধিকার হরণ করা চলবে না।
●রেল,বীমা এবং প্রতিরক্ষা_ক্ষেত্রে সরাসরি, বিদেশী পুঁজি বিনিয়োগ বন্ধ করতে হবে।
এই দাবি গুলি নিয়ে যে শুধু বাম দল গুলি সুর চড়াচ্ছিল তা কিন্তু নয়। এই ধরণের দাবি নিয়ে পৃথক ভাবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের শ্রমিক সংগঠন ভারতীয় মজদুর সংঘ। কৃষক সংগঠন, ভারতীয় কৃষক সংঘ। স্বদেশী জাগরণ মঞ্চর মত সংগঠন লাগাতার সরকারের ওপরে চাপ বাড়িয়ে যাচ্ছিল। আর এবার দেখেনি কেন্দ্রীয় সরকার সাধারণ ভারত বাসীর জন্য কি ঘোষণা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাজেটে।
■ দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি :- কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রী লোকসভা তে তথ্য দিয়ে বলেছেন দেশে দ্রব্য মূল্যবৃদ্ধির হার ৩%- ৪% মধ্যে রয়েছে।
■ কর্মসংস্থান :- কৃষি প্রধান ভারতে বর্ষে কর্মসংস্থান বলতে আমাদের মনে প্রথমেই আসে কৃষি ক্ষেত্রে কর্ম সংস্থান। কিন্তু আজকের আধুনিক ভারতে কৃষি কাজ ও অনেক টাই বাজার নির্ভর তাই সরকার নিত্যদিনের চাহিদা পূরণ হবে আবার বেকারত্ব ও দুর হবে, এদিকে যারা তার দলের কোর ভোটার তারাও খুশি থাকবে তার জন্য অর্থাৎ "শ্যাম ও রাখি কুল ও রাখি অবস্থাতে" মৎস পালন ও উৎপাদন বৃদ্ধি করতে ও গো-পালন ও দুগ্ধ উৎপাদন করার জন্য ব্যাংক ঋণের ক্ষেত্রে শুধের ২% মুকুব করার কথা ঘোষণা করেছে।। এর ফলে সরকার নিশ্চিত ভাবে শহর তথা মফস্বলের নাগরিক দের জন্য নিত্যদিনের দুধের যোগান যেমন নিশ্চিত করতে চেয়েছে ঠিক সেই ভাবে গো-হত্যার ওপর লাগাম লাগিয়ে, গো বলয়ে নিজের সমর্থন ও নিশ্চিত করেছে, এবং পূর্ব ভারতের অর্থাৎ বাংলা, উড়িষ্যা, ও অন্ধ্র প্রদেশের মৎস্য চাষী দের নিজের পক্ষে টানার চেষ্টা করেছে।
■ সামাজিক সুরক্ষা :- সামাজিক সুরক্ষার ক্ষেত্রে সরকার অসংগঠিত শ্রমিক দের জন্য ষাট বছর বয়সের পরে নিশ্চিত ৩০০০/- টাকা বার্ষিক পেনশনের ব্যবস্থা করেছে, যা একজন শ্রমিক আন্দোলনের কর্মী হিসেবে মনে করি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।। ই এস আই রেজিস্টার্ড শ্রমিকের মৃত্যু ঘটলে তার পরিবার বীমা বাবদ ছয় লক্ষ টাকা পাবে। গ্রামীন রোজগার গ্যারান্টি প্রকল্পের জন্য সরকার ষাট হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে সরকার। প্রধান মন্ত্রী আরোগ্য যোজনার লাভ প্রতিটি বিপিএল পরিবার যাতে পায় তা নিশ্চিত করেছে সরকার।
■গ্রাচুইটি :- সরকার গ্রাচুইটির উর্দ্ধ সীমা দশ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে কুড়ি লক্ষ টাকা করেছে।
■বোনাস :- বোনাস প্রসঙ্গে বলি আগে আমরা বোনাস বলতে বুঝতাম কারখানা শ্রমিক দের বছরে এক বার উৎপাদনের ভিত্তি তে বোনাস পাওয়া কে কিন্তু কেন্দ্রীয় সকার সমস্ত প্রান্তিক কৃষক যাদের কৃষি জমির পরিমান দুই হেক্টর বা তার কম তাদের বছরে ছয় হাজার টাকা করে সোজা ব্যাংক একাউন্টে দেবে সেটা কেও কৃষক বোনাস হিসাবে চিহ্নিত করা যেতে পারে।
■সরকারি ক্ষেত্রে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ এর ক্ষেত্রে সরকার এই বাজেটে কোনো রকম অফ ডি আই এর ঘোষণা করে নি। এবার দেখে নেওয়া যাক কি পেল মধ্যবিত্ত যারা এই সকারের প্রধান শাসক দল বিজেপির কোর ভোটার ।
■কৃষি পণ্যের সমর্থন মূল্য:- অর্থ মন্ত্রী বলেছেন MSP থেকে দেড় গুন বেশি দিয়ে কৃষি পণ্য ক্রয় করবে।। ■আয় কর :- মধ্যবিত্ত শ্রেণীর প্রথম নজর থাকে আয় করে সীমা কতটা বাড়লো তার দিকে এই সরকার সোজাসুজি দ্বিগুন করে দিয়েছে যা আগে আড়াই লক্ষ টাকা বাৎসরিক ছিল, এখন থেকে হবে পাঁচ লক্ষ, তার ওপরেও নুতুন পেনশন যোজনার অন্তর্গত কর্মী দের পেনশন যোজনার জন্য যোগদান দিতে হয় সে ক্ষেত্রে পঞ্চাশ হাজার টাকা অবধি আয় কর ছুট এর সুবিধা পাবে, এ ছাড়াও ভবিষ্য নিধি প্রকল্পে ও রাষ্ট্রীয় সঞ্চয় যোজনা (NSC) তে, যে পরিমান টাকা জমা রাখবে সেটিও হবে, আয়কর মুক্ত।
■OROP:- প্রাক্তন সেনা কর্মী দের জন্য ওয়ান রাঙ্ক ওয়ান পেনশন যোজনার জন্য অর্থ বণ্টন করেছে সরকার।
■অর্থনৈতিক ভিত্তিতে উচ্চবর্ণ সংরক্ষণ:- সরকার যখন উচ্চবর্ণ সংরক্ষণের কথা ঘোষণা করেছে। তখন বিরোধীরা নাক কুচকের বলেছিল, কি ভাবে সংরক্ষণ দেবে? তাহলে কি অসংরক্ষিত সিট কমবে?? কিন্তু বাজেটে সরকার ঘোষণা করেছে সমস্ত কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১০% আসন বাড়িয়ে সংরক্ষণ কার্যকর করা হবে। তখন বামপন্থীরা বলেছিল চাকরি নেই তো সংরক্ষন দিয়ে কি হবে, বাস্তবে দেখা গেল সেই সব অভিযোগ উড়িয়ে সরকার ঘোষণা করেছে ভারতীয় রেলে দুই লক্ষ ত্রিশ হাজার শূন্য পদে কর্মী নিয়োগ হবে। যার ১০% আসন উচ্চবর্ণের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।
■ কামধেনু পর্ষদ :- মোদি সরকারের বিরুদ্ধে হিন্দুত্ববাদী রা বার বার সুরচড়িয়েছে গোহত্যা রোধ করতে বিফল হওয়ার জন্য, সেই কারণে গো-বংশ বর্ধনের জন্য সরকার কামধেনু পর্ষদ গঠনের ঘোষণা করেছে।
মার্ক্সবাদী কমিউনিস্ট পার্টি বলেছে এই বাজেট হলো "নির্বাচনি জুমলা" সত্যি কি তাই?? তার বিচার আগামী দিনে দেশের মানুষ করবে, যার প্রতিফলন লোকসভা নির্বাচনে দেখা যাবে। কিন্তু রাত পোহালে বামেরা ব্রিগেড এর সভা থেকে কিভাবে এই বাজেটের বিরোধিতা করে সেটাই দেখার। কিন্তু এটা বলাই যায় কেন্দ্রের বাজেটের পরে বাম দল তথা বিরোধীদের সরকার বিরোধীতার নতুন কৌশল ভাবতে হবে।
●শ্রম আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে। ●সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা দিতে হবে।
●১৮০০০ টাকা ন্যূনতম বেতন দিতে হবে।
●সকল শ্রমজীবী মানুষকে ন্যূনতম ৬০০০ টাকা পেনশন দিতে হবে।
●সরকারি সংস্থাগুলির, বিলগ্নিকরণ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
●সমকাজে সমবেতন দিতে হবে। ঠিকা প্রথা (কনট্রাকচুয়াল জব) নীতি বাতিল করতে হবে। ●বোনাস, ইএসআই ও প্রভিডেন্ট ফান্ড আইনের যোগ্যতাসীমা প্রত্যাহার করতে হবে এবং গ্রাচুইটির পরিমাণ বৃদ্ধি করতে হবে।
●আবেদন করার ৪৫ দিনের মধ্যে ট্রেডইউনিয়নের রেজিস্ট্রেশন দিতে হবে।
●শ্রম আইন হরণ করার নামে শ্রমিকের অধিকার হরণ করা চলবে না।
●রেল,বীমা এবং প্রতিরক্ষা_ক্ষেত্রে সরাসরি, বিদেশী পুঁজি বিনিয়োগ বন্ধ করতে হবে।
এই দাবি গুলি নিয়ে যে শুধু বাম দল গুলি সুর চড়াচ্ছিল তা কিন্তু নয়। এই ধরণের দাবি নিয়ে পৃথক ভাবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের শ্রমিক সংগঠন ভারতীয় মজদুর সংঘ। কৃষক সংগঠন, ভারতীয় কৃষক সংঘ। স্বদেশী জাগরণ মঞ্চর মত সংগঠন লাগাতার সরকারের ওপরে চাপ বাড়িয়ে যাচ্ছিল। আর এবার দেখেনি কেন্দ্রীয় সরকার সাধারণ ভারত বাসীর জন্য কি ঘোষণা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাজেটে।
■ দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি :- কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রী লোকসভা তে তথ্য দিয়ে বলেছেন দেশে দ্রব্য মূল্যবৃদ্ধির হার ৩%- ৪% মধ্যে রয়েছে।
■ কর্মসংস্থান :- কৃষি প্রধান ভারতে বর্ষে কর্মসংস্থান বলতে আমাদের মনে প্রথমেই আসে কৃষি ক্ষেত্রে কর্ম সংস্থান। কিন্তু আজকের আধুনিক ভারতে কৃষি কাজ ও অনেক টাই বাজার নির্ভর তাই সরকার নিত্যদিনের চাহিদা পূরণ হবে আবার বেকারত্ব ও দুর হবে, এদিকে যারা তার দলের কোর ভোটার তারাও খুশি থাকবে তার জন্য অর্থাৎ "শ্যাম ও রাখি কুল ও রাখি অবস্থাতে" মৎস পালন ও উৎপাদন বৃদ্ধি করতে ও গো-পালন ও দুগ্ধ উৎপাদন করার জন্য ব্যাংক ঋণের ক্ষেত্রে শুধের ২% মুকুব করার কথা ঘোষণা করেছে।। এর ফলে সরকার নিশ্চিত ভাবে শহর তথা মফস্বলের নাগরিক দের জন্য নিত্যদিনের দুধের যোগান যেমন নিশ্চিত করতে চেয়েছে ঠিক সেই ভাবে গো-হত্যার ওপর লাগাম লাগিয়ে, গো বলয়ে নিজের সমর্থন ও নিশ্চিত করেছে, এবং পূর্ব ভারতের অর্থাৎ বাংলা, উড়িষ্যা, ও অন্ধ্র প্রদেশের মৎস্য চাষী দের নিজের পক্ষে টানার চেষ্টা করেছে।
■ সামাজিক সুরক্ষা :- সামাজিক সুরক্ষার ক্ষেত্রে সরকার অসংগঠিত শ্রমিক দের জন্য ষাট বছর বয়সের পরে নিশ্চিত ৩০০০/- টাকা বার্ষিক পেনশনের ব্যবস্থা করেছে, যা একজন শ্রমিক আন্দোলনের কর্মী হিসেবে মনে করি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।। ই এস আই রেজিস্টার্ড শ্রমিকের মৃত্যু ঘটলে তার পরিবার বীমা বাবদ ছয় লক্ষ টাকা পাবে। গ্রামীন রোজগার গ্যারান্টি প্রকল্পের জন্য সরকার ষাট হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে সরকার। প্রধান মন্ত্রী আরোগ্য যোজনার লাভ প্রতিটি বিপিএল পরিবার যাতে পায় তা নিশ্চিত করেছে সরকার।
■গ্রাচুইটি :- সরকার গ্রাচুইটির উর্দ্ধ সীমা দশ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে কুড়ি লক্ষ টাকা করেছে।
■বোনাস :- বোনাস প্রসঙ্গে বলি আগে আমরা বোনাস বলতে বুঝতাম কারখানা শ্রমিক দের বছরে এক বার উৎপাদনের ভিত্তি তে বোনাস পাওয়া কে কিন্তু কেন্দ্রীয় সকার সমস্ত প্রান্তিক কৃষক যাদের কৃষি জমির পরিমান দুই হেক্টর বা তার কম তাদের বছরে ছয় হাজার টাকা করে সোজা ব্যাংক একাউন্টে দেবে সেটা কেও কৃষক বোনাস হিসাবে চিহ্নিত করা যেতে পারে।
■সরকারি ক্ষেত্রে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ এর ক্ষেত্রে সরকার এই বাজেটে কোনো রকম অফ ডি আই এর ঘোষণা করে নি। এবার দেখে নেওয়া যাক কি পেল মধ্যবিত্ত যারা এই সকারের প্রধান শাসক দল বিজেপির কোর ভোটার ।
■কৃষি পণ্যের সমর্থন মূল্য:- অর্থ মন্ত্রী বলেছেন MSP থেকে দেড় গুন বেশি দিয়ে কৃষি পণ্য ক্রয় করবে।। ■আয় কর :- মধ্যবিত্ত শ্রেণীর প্রথম নজর থাকে আয় করে সীমা কতটা বাড়লো তার দিকে এই সরকার সোজাসুজি দ্বিগুন করে দিয়েছে যা আগে আড়াই লক্ষ টাকা বাৎসরিক ছিল, এখন থেকে হবে পাঁচ লক্ষ, তার ওপরেও নুতুন পেনশন যোজনার অন্তর্গত কর্মী দের পেনশন যোজনার জন্য যোগদান দিতে হয় সে ক্ষেত্রে পঞ্চাশ হাজার টাকা অবধি আয় কর ছুট এর সুবিধা পাবে, এ ছাড়াও ভবিষ্য নিধি প্রকল্পে ও রাষ্ট্রীয় সঞ্চয় যোজনা (NSC) তে, যে পরিমান টাকা জমা রাখবে সেটিও হবে, আয়কর মুক্ত।
■OROP:- প্রাক্তন সেনা কর্মী দের জন্য ওয়ান রাঙ্ক ওয়ান পেনশন যোজনার জন্য অর্থ বণ্টন করেছে সরকার।
■অর্থনৈতিক ভিত্তিতে উচ্চবর্ণ সংরক্ষণ:- সরকার যখন উচ্চবর্ণ সংরক্ষণের কথা ঘোষণা করেছে। তখন বিরোধীরা নাক কুচকের বলেছিল, কি ভাবে সংরক্ষণ দেবে? তাহলে কি অসংরক্ষিত সিট কমবে?? কিন্তু বাজেটে সরকার ঘোষণা করেছে সমস্ত কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১০% আসন বাড়িয়ে সংরক্ষণ কার্যকর করা হবে। তখন বামপন্থীরা বলেছিল চাকরি নেই তো সংরক্ষন দিয়ে কি হবে, বাস্তবে দেখা গেল সেই সব অভিযোগ উড়িয়ে সরকার ঘোষণা করেছে ভারতীয় রেলে দুই লক্ষ ত্রিশ হাজার শূন্য পদে কর্মী নিয়োগ হবে। যার ১০% আসন উচ্চবর্ণের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।
■ কামধেনু পর্ষদ :- মোদি সরকারের বিরুদ্ধে হিন্দুত্ববাদী রা বার বার সুরচড়িয়েছে গোহত্যা রোধ করতে বিফল হওয়ার জন্য, সেই কারণে গো-বংশ বর্ধনের জন্য সরকার কামধেনু পর্ষদ গঠনের ঘোষণা করেছে।
মার্ক্সবাদী কমিউনিস্ট পার্টি বলেছে এই বাজেট হলো "নির্বাচনি জুমলা" সত্যি কি তাই?? তার বিচার আগামী দিনে দেশের মানুষ করবে, যার প্রতিফলন লোকসভা নির্বাচনে দেখা যাবে। কিন্তু রাত পোহালে বামেরা ব্রিগেড এর সভা থেকে কিভাবে এই বাজেটের বিরোধিতা করে সেটাই দেখার। কিন্তু এটা বলাই যায় কেন্দ্রের বাজেটের পরে বাম দল তথা বিরোধীদের সরকার বিরোধীতার নতুন কৌশল ভাবতে হবে।
No comments