কে বা কারা ফাঁস করছে মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্র? নজরবন্দির হাতে Exclusive তথ্য।
এই সরকারের আমলে বহুবার প্রশ্ন ফাঁস হবার অভিযোগ উঠেছে কিন্তু লাগাতার তিনদিন অর্থাৎ মাধ্যমিক স্ট্যান্ডার্ডের পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস হ্যাট্রিক পশ্চিমবঙ্গ কেন ভারতের ইতিহাসেই সম্ভবত কোনদিন ঘটেনি। আর এভাবে প্রশ্ন ফাঁসের খবরে বেশ বিরক্ত রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছ থেকে পুরো বিষয়টি জেনেও ছিলেন তিনি আগের দিন কিন্তু তাঁর পরেও আবার!!
পরীক্ষার্থীদের জন্যে নিয়মঃ কেউ মোবাইল নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে পারবে না। মোবাইল ধরা পড়লে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হবে না। খাতা RA করা হবে এবং পরীক্ষার পর ধরা পড়লে উত্তরপত্র RA করা হবে।
শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মচারী-দের জন্যে নিয়মঃ মোবাইল সুইচ অফ করে প্রধান শিক্ষকের ঘরের আলমারিতে রাখতে হবে। যার চাবি থাকবে প্রধান শিক্ষকদের কাছে। মোবাইল ব্যবহার করতে পারছেন শুধুমাত্র সেন্টার সেক্রেটারি, অফিস ইনচার্জ, ভেনু ইনচার্জ, ভেনু সুপারভাইজার, ভেনু অ্যাডিশনাল সুপারভাইজার! এত সবের পরেও ঠেকানো গেলনা প্রশ্নপত্র ফাঁস। তবে গাফিলতি কার? এতো সর্ষের মধ্যেই ভূত!!
কিন্তু প্রশ্ন ফাঁস করল কে? কোন শিক্ষক? সুপারভাইজার? পরিক্ষার্থী? কে বা কারা জড়িত এই প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে! নজরবন্দি সর্বদাই প্রশাসন কে সাহায্য করে এসেছে একাধিক বিষয়ে এই চরম বিড়ম্বনার পরিস্থিতেই নজরবন্দি পাশে আছে প্রশাসনের। কেন এই কথা বলা তার কারন হল হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে যে প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছিল সোশ্যাল মিডিয়ায় তেমনই একটি প্রশ্নপত্র পৌঁছেছে নজরবন্দির হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারেও যে প্রশ্ন পত্রের নিচে রয়েছে প্রথম ভাষা অর্থাৎ বাংলার সেট। সেখানে কলম দিয়ে নাম লেখা রয়েছে জনৈক মহম্মদ পারভেজ আহমেদের নাম, পাশাপাশি দেওয়া রয়েছে একটি রোল নাম্বার ০১২০!!!
মধ্য শিক্ষা পর্ষদ কে নজরবন্দির পক্ষ থেকে আবেদন করা হচ্ছে বিষয়টি খতিয়ে দেখার।


No comments