তৃণমূল সুপ্রিমো এই রাজ্যের পোড়-খাওয়া রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব! আরও একবার তিনি প্রমাণ দিলেন।
নজরবন্দি ব্যুরো: রাজনীতির হাতে খড়ি প্রায় ৪ দশক আগে। আগাগোড়া লড়াকু নেত্রী হিসাবে তিনি বেশ পরিচিত। রাজনৈতিক জীবনের সুদীর্ঘ প্রতিফলন দেখা গেল জাতীয় প্রেস ক্লাবে।
এখানে আলোচিত ব্যক্তি হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সংসদ ভবনের কাছেই দিল্লি প্রেস ক্লাবে যান তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যন্তরমন্তরে বাংলার চিট ফান্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা ধর্নায় বসেছিলেন। সেই সংক্রান্ত প্রশ্ন শুনে চটে গিয়েও বেশ সান্ত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
বিষয়টি তাঁর জানা নেই বলে এড়িয়ে যান। এর পরেই প্রশ্ন করা হয়, পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের জন্য ধর্নাতে বসেছিলেন। এবার আমানত-কারীদের জন্য ধর্নায় বসবেন? প্রচণ্ড রেগে যাবার পরেও তিনি বলেন," চিট ফান্ড বাম আমলে তৈরি। আমরা অপরাধীদের গ্রেফতার করেছি। ওই সব চিটফান্ড সংস্থার সম্পত্তি বিক্রি করে আমানতদারীদের টাকা ফেরাতে চাই। তবে বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন।
বিজেপি নেতাদের বাংলায় সভা করতে দেওয়া হচ্ছে না। এই অভিযোগ শুনেই ঠাণ্ডা মাথায় তুলে ধরেন অমিত শাহ সহ অন্যান্য বিজেপি নেতাদের বাংলায় সভা করার পরিসংখ্যান। তবে এইসব প্রশ্ন তাঁর যে পছন্দ হয়নি তা তিনি বুঝিয়ে দেন।
এইভাবে তিনি সাংবাদিকদের ছোঁড়া বাউন্সার সামাল দিলেন দক্ষতার সঙ্গে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সংসদ ভবনের কাছেই দিল্লি প্রেস ক্লাবে যান তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যন্তরমন্তরে বাংলার চিট ফান্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা ধর্নায় বসেছিলেন। সেই সংক্রান্ত প্রশ্ন শুনে চটে গিয়েও বেশ সান্ত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
বিষয়টি তাঁর জানা নেই বলে এড়িয়ে যান। এর পরেই প্রশ্ন করা হয়, পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের জন্য ধর্নাতে বসেছিলেন। এবার আমানত-কারীদের জন্য ধর্নায় বসবেন? প্রচণ্ড রেগে যাবার পরেও তিনি বলেন," চিট ফান্ড বাম আমলে তৈরি। আমরা অপরাধীদের গ্রেফতার করেছি। ওই সব চিটফান্ড সংস্থার সম্পত্তি বিক্রি করে আমানতদারীদের টাকা ফেরাতে চাই। তবে বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন।
বিজেপি নেতাদের বাংলায় সভা করতে দেওয়া হচ্ছে না। এই অভিযোগ শুনেই ঠাণ্ডা মাথায় তুলে ধরেন অমিত শাহ সহ অন্যান্য বিজেপি নেতাদের বাংলায় সভা করার পরিসংখ্যান। তবে এইসব প্রশ্ন তাঁর যে পছন্দ হয়নি তা তিনি বুঝিয়ে দেন।
এইভাবে তিনি সাংবাদিকদের ছোঁড়া বাউন্সার সামাল দিলেন দক্ষতার সঙ্গে।

No comments