সারদা-মামলায় "সিট" এর তদন্তে ত্রুটি ছিল জেরার মুখে স্বীকার রাজীব কুমারের!
নজরবন্দি ব্যুরোঃ সারদা-মামলায় রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের (সিট) তদন্তে কিছু ‘ত্রুটি’ হয়েছিল বলে স্বীকার করেছেন রাজীব কুমার— দাবি সিবিআইয়ের একটি সূত্রের।
ওই সূত্রের বক্তব্য, লাগাতার প্রশ্নের মুখে কলকাতার পুলিশ কমিশনার (সিপি) বলেছেন, সিট-এর তদন্তে কিছু ‘গাফিলতি’ হয়েছে। তবে একই সঙ্গে তিনি এ-ও বলেছেন যে, সে জন্য তিনি দায়ী নন। অধীনস্থ অফিসারেরা তাঁকে ‘বিভ্রান্ত’ করেছেন। রাজীবকে প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ কুণাল ঘোষের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন সিবিআইয়ের তদন্তকারীরা। কেন্দ্রীয় সংস্থার একটি সূত্রের দাবি, গত দু’দিন গোয়েন্দাদের তদন্তের পাঠ দেওয়ার চেষ্টা করলেও এদিন তুলনায় অনেক ‘নরম’ ছিলেন রাজীব।
কুণাল যে তথ্যপ্রমাণ পেশ করেন, সে ব্যাপারে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা তিনি দিতে পারেননি। তা ছাড়া, বেআইনি অর্থ লগ্নি সংস্থার কর্মীরা বিভিন্ন ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, হার্ড ডিস্ক, ক্যাশ বই এবং ডায়েরির কথা সিট-কে জানালেও তাকে যথাযথ গুরুত্ব কেন দেওয়া হয়নি, সে ব্যাপারেও একের পর এক প্রশ্ন করা হয় রাজীবকে। সিবিআই সূত্রের দাবি, রাজীব বলেছেন, সেই সময়ে বিধাননগরের কমিশনার হিসেবে তাঁকে বহু কাজে ব্যস্ত থাকতে হত। তাই সিট-এর প্রতিদিনের কাজ তিনি তদারকি করতে পারতেন না।
সেই কাজ মূলত অর্ণব ঘোষ (বর্তমানে মালদহের পুলিশ সুপার) করতেন। প্রয়োজন হলে অর্ণব তাঁর কাছে এসে পরামর্শ নিয়ে যেতেন। তদন্তকারীদের সামনে রাজীবের দাবি, ঠিক যে ভাবে সিট তদন্ত করছে বলে বলা হচ্ছে, ঠিক সে ভাবে তদন্ত হয়নি।
ওই সূত্রের বক্তব্য, লাগাতার প্রশ্নের মুখে কলকাতার পুলিশ কমিশনার (সিপি) বলেছেন, সিট-এর তদন্তে কিছু ‘গাফিলতি’ হয়েছে। তবে একই সঙ্গে তিনি এ-ও বলেছেন যে, সে জন্য তিনি দায়ী নন। অধীনস্থ অফিসারেরা তাঁকে ‘বিভ্রান্ত’ করেছেন। রাজীবকে প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ কুণাল ঘোষের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন সিবিআইয়ের তদন্তকারীরা। কেন্দ্রীয় সংস্থার একটি সূত্রের দাবি, গত দু’দিন গোয়েন্দাদের তদন্তের পাঠ দেওয়ার চেষ্টা করলেও এদিন তুলনায় অনেক ‘নরম’ ছিলেন রাজীব।
কুণাল যে তথ্যপ্রমাণ পেশ করেন, সে ব্যাপারে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা তিনি দিতে পারেননি। তা ছাড়া, বেআইনি অর্থ লগ্নি সংস্থার কর্মীরা বিভিন্ন ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, হার্ড ডিস্ক, ক্যাশ বই এবং ডায়েরির কথা সিট-কে জানালেও তাকে যথাযথ গুরুত্ব কেন দেওয়া হয়নি, সে ব্যাপারেও একের পর এক প্রশ্ন করা হয় রাজীবকে। সিবিআই সূত্রের দাবি, রাজীব বলেছেন, সেই সময়ে বিধাননগরের কমিশনার হিসেবে তাঁকে বহু কাজে ব্যস্ত থাকতে হত। তাই সিট-এর প্রতিদিনের কাজ তিনি তদারকি করতে পারতেন না।

No comments