মোদি জনগনের কথা ভেবে বাজেট করেছেন! অন্যরা ক্ষমতায় থেকে কেন পারেন নি? #PostEdit
অরুনাভ সেনঃ মোদি সরকারের বাজেটে ভোটমুখী হবে বা ভোটের বছর বলে সরকার কল্পতরু হবে, অনেকে সমালোচনার সুর আগেই গেয়ে ফেলেছিলেন৷
কিন্তু এই সমালোচনার আদৌ কি কোনও যুক্তি আছে?সরকার যদি কল্পতরু হয়,যদি সাধারন মানুষের কল্যানে সরকার বাজেট তৈরি করে তাহলে কার কী ক্ষতি হয়?অনেকে রাজকোষে ঘাটতির কথা বলবেন,অনেকে বলবেন এর ফলে অর্থনীতির উপর চাপ বাড়বে,অর্থনীতির অত কচকচানি সাধারন মানুষের মাথায় ঢোকে না৷ সাধারন মানুষ থেকে প্রান্তিক মানুষের স্বার্থরক্ষায়,তাদের কল্যানের জন্য,তাদের জীবনের মান উন্নয়নের জন্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ৷যদি সরকার মানুষের কল্যানের জন্য বাজেট তৈরি করেন তাহলে সেই বাজেটকে স্বাগত জানাতে,ভাল বলতে দ্বিধা থাকবে কেন?কোনও সন্দেহ নেই পীযূষ গোয়েল এবারের বাজেটে সবার মন জয়ের আপ্রান চেষ্টা করেছেন৷মধ্যবিত্ত শ্রেনী,থেকে কৃষক,অসংগতি ক্ষেত্র,সর্বত্র বাজেটে মোদি সরকারের হয়ে দাপটে ব্যাটিং করে পীযুষ গোয়েল খুশীর খবর শুনিয়েছেন দেশের মানুষকে৷
মোদ্দা কথা এমন একটি বাজেট সরকার দেশের মানুষকে উপহার দিয়েছে বিরোধীরাও সমালোচনা করার সুযোগ পাচ্ছেন না,বা যদিও সমালোচনা করেছেন কয়েকজন কিন্তু সেই সমালোচনা আদৌ গ্রহনযোগ্য হবে কি না সেই নিয়ে সন্দিহান রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা৷কোনও সন্দেহ নেই কৃষক অসন্তোষ মোদি সরকারের জমানায় দানা বেঁধেছে৷কৃষক আত্মহত্যা,কৃষকের ফসলের ন্যায্য দাম না পাওয়ার অনেক সমালোচনা শুনতে হয়েছে সরকারকে,এমনকি তিন রাজ্য কংগ্রেসের কাছে বিজেপির হারের বড় ফ্যাক্টর অনেকে কৃষক অসন্তোষকে মনে করেন,স্বভাবত যারা আমাদের মুখে খাবার তুলে দেন,তাদের দূর্দশা মেটানোর দিশা দেখানো হয়েছে বাজেটে৷ কৃষকদের অর্থনৈতিক সহায়তায় ২ হেক্টর পর্যন্ত জমিতে চাষ করেন এমন ছোট এবং মাঝারি কৃষকরা বছরে সরাসরি ৬ হাজার টাকা করে পাবেন। সেটাও আবার তিন দফায় ২ হাজার টাকা করে সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে। আবার সেই টাকা যাতে ভোটের আগেই কৃষকের অ্যাকাউন্টে ঢোকে তার জন্যও ব্যবস্থা রইল গয়ালের বাজেট প্রস্তাবে।কোনও সন্দেহ নেই এটি গয়ালের মাষ্টারস্ট্রোক৷
২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর থেকেই কার্যকর হচ্ছে প্রকল্প। ফলে ভোটের ঠিক মুখে মুখে দেশের ১২ কোটি কৃষকের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ২ হাজার টাকা।নোটবন্দিতে অসংগঠিত ক্ষেত্রের মানুষেরা ভীষন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন৷সরকার তাদের সরকারি ভাষ্যে এই সত্য স্বীকার না করলেও অসংগঠিত ক্ষেত্রে যুক্ত মানুষদের ক্ষতে কেবল প্রলেপ দিতে নয়,তাদের অবসরকালীন জীবনে ৩০০০টাকার নিশ্চিত পেনশন চালুর ফলে উপকৃত হবেন কয়েক কোটি মানুষ৷স্বভাবত অসংগঠিত ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের জন্য সরকার ভাবছে বা শেষ জীবনে যেন তাদের দুবেলা দুমুঠো ভাত,রুটির অভাব না হয় নিশ্চিত করল মোদি সরকার৷ মধ্যবিত্ত শ্রেনীকে খুশি করতে চেষ্টার সামান্য ক্রুটি রাখেন নি পীযূষ গোয়েল৷ বাজেট প্রস্তাবে আয়কর ছাড়ে এল বড় পরিবর্তন। উর্দ্ধসীমা সাড়ে তিন লাখ থেকে এক লাফে হয়ে গেল ৫ লাখ টাকা।
সেই সঙ্গে অন্যান্য সুবিধা মিলে সাড়ে ছ’লাখ টাকা পর্যন্ত রোজগারে আয়কর দিতেই হবে না। প্রবীণ নাগরিকরা এবার থেকে আয়করের আওতার বাইরে থাকছেন। সবমিলিয়ে বলা যায় সমাজের সব শ্রেনীর,সব আয়ের মানুষকে খুশী করার চেষ্টা করা হয়েছে মোদি সরকারের বাজেটে৷বিরোধীরা এমন বাজেটের তেমন জুৎসই,গ্রহনযোগ্য সমালোচনা করতে পারছেন না৷যদিও বা সমালোচনার সূরে বলছেন যেসব কথা সেগুলির কতটা যৌতিকতা আছে,কতটা গ্রহনযোগ্যতা আছে সেই নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন সাধারন মানুষ থেকে বিজেপি নেতৃত্ব৷সাধারন মানুষ বলছেন মোদি জনগনের মুখের দিকে চেয়ে বাজেট করেছেন,অন্যরা কেন সরকারে থেকে এমন বাজেট করতে পারেন না?
কিন্তু এই সমালোচনার আদৌ কি কোনও যুক্তি আছে?সরকার যদি কল্পতরু হয়,যদি সাধারন মানুষের কল্যানে সরকার বাজেট তৈরি করে তাহলে কার কী ক্ষতি হয়?অনেকে রাজকোষে ঘাটতির কথা বলবেন,অনেকে বলবেন এর ফলে অর্থনীতির উপর চাপ বাড়বে,অর্থনীতির অত কচকচানি সাধারন মানুষের মাথায় ঢোকে না৷ সাধারন মানুষ থেকে প্রান্তিক মানুষের স্বার্থরক্ষায়,তাদের কল্যানের জন্য,তাদের জীবনের মান উন্নয়নের জন্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ৷যদি সরকার মানুষের কল্যানের জন্য বাজেট তৈরি করেন তাহলে সেই বাজেটকে স্বাগত জানাতে,ভাল বলতে দ্বিধা থাকবে কেন?কোনও সন্দেহ নেই পীযূষ গোয়েল এবারের বাজেটে সবার মন জয়ের আপ্রান চেষ্টা করেছেন৷মধ্যবিত্ত শ্রেনী,থেকে কৃষক,অসংগতি ক্ষেত্র,সর্বত্র বাজেটে মোদি সরকারের হয়ে দাপটে ব্যাটিং করে পীযুষ গোয়েল খুশীর খবর শুনিয়েছেন দেশের মানুষকে৷
মোদ্দা কথা এমন একটি বাজেট সরকার দেশের মানুষকে উপহার দিয়েছে বিরোধীরাও সমালোচনা করার সুযোগ পাচ্ছেন না,বা যদিও সমালোচনা করেছেন কয়েকজন কিন্তু সেই সমালোচনা আদৌ গ্রহনযোগ্য হবে কি না সেই নিয়ে সন্দিহান রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা৷কোনও সন্দেহ নেই কৃষক অসন্তোষ মোদি সরকারের জমানায় দানা বেঁধেছে৷কৃষক আত্মহত্যা,কৃষকের ফসলের ন্যায্য দাম না পাওয়ার অনেক সমালোচনা শুনতে হয়েছে সরকারকে,এমনকি তিন রাজ্য কংগ্রেসের কাছে বিজেপির হারের বড় ফ্যাক্টর অনেকে কৃষক অসন্তোষকে মনে করেন,স্বভাবত যারা আমাদের মুখে খাবার তুলে দেন,তাদের দূর্দশা মেটানোর দিশা দেখানো হয়েছে বাজেটে৷ কৃষকদের অর্থনৈতিক সহায়তায় ২ হেক্টর পর্যন্ত জমিতে চাষ করেন এমন ছোট এবং মাঝারি কৃষকরা বছরে সরাসরি ৬ হাজার টাকা করে পাবেন। সেটাও আবার তিন দফায় ২ হাজার টাকা করে সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে। আবার সেই টাকা যাতে ভোটের আগেই কৃষকের অ্যাকাউন্টে ঢোকে তার জন্যও ব্যবস্থা রইল গয়ালের বাজেট প্রস্তাবে।কোনও সন্দেহ নেই এটি গয়ালের মাষ্টারস্ট্রোক৷
সেই সঙ্গে অন্যান্য সুবিধা মিলে সাড়ে ছ’লাখ টাকা পর্যন্ত রোজগারে আয়কর দিতেই হবে না। প্রবীণ নাগরিকরা এবার থেকে আয়করের আওতার বাইরে থাকছেন। সবমিলিয়ে বলা যায় সমাজের সব শ্রেনীর,সব আয়ের মানুষকে খুশী করার চেষ্টা করা হয়েছে মোদি সরকারের বাজেটে৷বিরোধীরা এমন বাজেটের তেমন জুৎসই,গ্রহনযোগ্য সমালোচনা করতে পারছেন না৷যদিও বা সমালোচনার সূরে বলছেন যেসব কথা সেগুলির কতটা যৌতিকতা আছে,কতটা গ্রহনযোগ্যতা আছে সেই নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন সাধারন মানুষ থেকে বিজেপি নেতৃত্ব৷সাধারন মানুষ বলছেন মোদি জনগনের মুখের দিকে চেয়ে বাজেট করেছেন,অন্যরা কেন সরকারে থেকে এমন বাজেট করতে পারেন না?

No comments