এখনই বাড়তি টাকা দিতে হচ্ছে না টিভির বিভিন্ন চ্যানেলের জন্য, স্বস্তির রায় দিল আদালত।
নজরবন্দি ব্যুরো: টিভিতে বিভিন্ন চ্যানেলের অনুষ্ঠান দেখার জন্য আপাতত বাড়তি টাকা দিতে হচ্ছে না বাঙালিদের। টিভি দেখার ওই বাড়তি খরচের উপরে অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞা দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
ডিটিএইচ ও কেবল টিভি দেখার নতুন নিয়মের উপরে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেন বিচারক। পাশাপাশি বিচারপতি নির্দেশ দেন, কেন্দ্রীয় সরকার এবং টেলিকম অথরিটি অব ইন্ডিয়াকে তাদের বক্তব্য কি তা আদালতে জানাতে হবে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি। টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অব ইন্ডিয়া(ট্রাই)র বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন পে-চ্যানেলগুলি দেখার জন্য টিভি দর্শকদের নতুন হারে টাকা দিতে হবে।
এতদিন পর্যন্ত কেবল টিভি অপারেটরদের মাধ্যমে টিভি দর্শকরা ১৬০,১৭০ অথবা ২০০ টাকার মধ্যে তাঁদের পছন্দমাফিক সব চ্যানেল দেখতে পেতেন। কিন্তু ট্রাইয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পছন্দের চ্যানেল পেতে আলাদা আলাদা দাম দিতে হবে জিএসটি-সহ। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে পে-চ্যানেলগুলি দেখার জন্য নতুন হারে টাকা দেওয়ার কথা গ্রাহকদের।
ট্রাইয়ের বাড়তি খরচের বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে মামলা করেন রাজ্যের ৮০ জন কেবল টিভি অপারেটর। তাঁদের যুক্তি, গ্রাহকদের স্বার্থই এখানে প্রাধান্য পাচ্ছে না।
বিশ্ব বাংলা কেবল অপারেটর প্রেসিডেন্ট শংকর মণ্ডল এই প্রসঙ্গে জানান, বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে চ্যানেলগুলি তাদের টাকার কথা বলছে, অথচ জিএসটি, সার্ভিস চার্জের কথা উল্লেখ করছে না ওরা। ফলে মোটের উপর তারা গ্রাহকদের হারাবেন। এর ফলে রাজ্যের বহু অপারেটররা আত্মহত্যা করতেও বাধ্য হবেন।
ডিটিএইচ ও কেবল টিভি দেখার নতুন নিয়মের উপরে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেন বিচারক। পাশাপাশি বিচারপতি নির্দেশ দেন, কেন্দ্রীয় সরকার এবং টেলিকম অথরিটি অব ইন্ডিয়াকে তাদের বক্তব্য কি তা আদালতে জানাতে হবে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি। টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অব ইন্ডিয়া(ট্রাই)র বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন পে-চ্যানেলগুলি দেখার জন্য টিভি দর্শকদের নতুন হারে টাকা দিতে হবে।
বিশ্ব বাংলা কেবল অপারেটর প্রেসিডেন্ট শংকর মণ্ডল এই প্রসঙ্গে জানান, বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে চ্যানেলগুলি তাদের টাকার কথা বলছে, অথচ জিএসটি, সার্ভিস চার্জের কথা উল্লেখ করছে না ওরা। ফলে মোটের উপর তারা গ্রাহকদের হারাবেন। এর ফলে রাজ্যের বহু অপারেটররা আত্মহত্যা করতেও বাধ্য হবেন।

No comments