চিটফান্ড তদন্তে রাজ্যে আসছেন নতুন সিবিআই অফিসার। রাতের ঘুম উড়েছে অনেক হেভিওয়েটের।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ সামনেই লোকসভা ভোট। তার আগে এই রাজ্যে সিবিআই এর বারবারন্ত,দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে আয়কর দফতরের চিঠি,শ্রীকান্ত মেহেতার গ্রেফতারী,মুখ্যমন্ত্রীর আঁকা ছবির দাম নিয়ে প্রশ্ন তোলা।
যা দেখে বিরোধীরা আগেই প্রশ্ন তুলেছেন যে মোদী সরকার কেন্দ্রীয় এজেন্সিদের বেশি করে এই রাজ্যে ব্যবহার করতে চাইছেন। সব মিলিয়ে লোকসভা নির্বাচনের আগে জমে উঠেছে চিটফান্ড বিতর্ক। কেন্দ্র যে আরও কড়া হতে পারে সেই আশঙ্কা করে মুখ্যমন্ত্রীও জানিয়ে রেখেছেন, তাঁর হাতে সিআইডি রয়েছে।এরই মধ্যে কলকাতায় সিবিআইয়ের নতুন কর্তা আসছেন চিটফান্ড তদন্তে।
কলকাতাকে ঘাঁটি করে সারদা ও রোজ ভ্যালি-সহ অন্য অর্থলগ্নি সংস্থা নিয়ে যে তদন্ত করছে সিবিআই, তার অন্যতম প্রধান অফিসার হিসেবে যোগ দিচ্ছেন সিবিআই-এর দুর্নীতি দমন শাখার সুপার পাকেরলা সেপহাস কল্যাণ।রাজ্যের মোট ১৪২টি অর্থলগ্নি সংস্থার বিরুদ্ধে চলছে সিবিআই তদন্ত। এর মূল তদন্তকারী ছিলেন সুপার পদের অফিসার ফণীভূষণ কর্ণ। তাঁর জায়গায় এবার দায়িত্ব নিচ্ছেন কল্যাণ।
তাঁর সাথে আসছেন সিবিআইয়ের অপরাধ দমন শাখার সুপার পার্থ মুখোপাধ্যায় ।তিনি নারদ কাণ্ড তদন্তের প্রধান অফিসার ছিলেন। ভোটের মুখে শুধু সারদা ও রোজ ভ্যালি নয়, অনেক ছোট ছোট অর্থলগ্নি সংস্থা নিয়েও তদন্ত শুরু হচ্ছে। সিবিআই-এর দাবি, এগুলির সঙ্গে অনেক প্রভাবশালীর যোগাযোগ রয়েছে। যার জন্য হইত রাজ্যের শাসক দলের অনেক নেতা মন্ত্রীর ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তায় তৃণমূল সুপ্রিমো। তবে কি নতুন আরও চিট ফান্ড গুলিকে নিয়েও তদন্ত শুরু করে ভোটের আগে বেকাইদায় ফেলার ছক কসছে কেন্দ্রীয় সরকার? এই হারহিম করা প্রশ্ন ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে।
যা দেখে বিরোধীরা আগেই প্রশ্ন তুলেছেন যে মোদী সরকার কেন্দ্রীয় এজেন্সিদের বেশি করে এই রাজ্যে ব্যবহার করতে চাইছেন। সব মিলিয়ে লোকসভা নির্বাচনের আগে জমে উঠেছে চিটফান্ড বিতর্ক। কেন্দ্র যে আরও কড়া হতে পারে সেই আশঙ্কা করে মুখ্যমন্ত্রীও জানিয়ে রেখেছেন, তাঁর হাতে সিআইডি রয়েছে।এরই মধ্যে কলকাতায় সিবিআইয়ের নতুন কর্তা আসছেন চিটফান্ড তদন্তে।
তাঁর সাথে আসছেন সিবিআইয়ের অপরাধ দমন শাখার সুপার পার্থ মুখোপাধ্যায় ।তিনি নারদ কাণ্ড তদন্তের প্রধান অফিসার ছিলেন। ভোটের মুখে শুধু সারদা ও রোজ ভ্যালি নয়, অনেক ছোট ছোট অর্থলগ্নি সংস্থা নিয়েও তদন্ত শুরু হচ্ছে। সিবিআই-এর দাবি, এগুলির সঙ্গে অনেক প্রভাবশালীর যোগাযোগ রয়েছে। যার জন্য হইত রাজ্যের শাসক দলের অনেক নেতা মন্ত্রীর ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তায় তৃণমূল সুপ্রিমো। তবে কি নতুন আরও চিট ফান্ড গুলিকে নিয়েও তদন্ত শুরু করে ভোটের আগে বেকাইদায় ফেলার ছক কসছে কেন্দ্রীয় সরকার? এই হারহিম করা প্রশ্ন ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে।

No comments