TGT বেতনক্রমের দাবিতে মিছিল, ডেপুটেশন! শিক্ষক বিদ্রোহে জর্জরিত রাজ্য সরকার!
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্রাম: শিক্ষক আন্দোলনে জর্জরিত রাজ্য সরকার। আজ আবার ট্রেন্ড গ্র্যাজুয়েট টিচার স্কেল ও ক্যারিয়ার অ্যাডভান্সমেন্টস স্কীম চালুর দাবীতে ডি.আই সাহেবের অফিসে ডেপুটেশন প্রদান করলেন ঝাড়গ্রাম জেলাতে কর্মরত পাস শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ।
সারা রাজ্যেই এই আন্দোলন ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে। দীর্ঘ দু দশকের বঞ্চনার অবসানে রাজ্যের স্নাতক শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ বৃহত্তর গ্র্যাজুয়েট টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন (বি.জি.টি.এ) এর ছাতার তলায় সমবেত হয়েছেন। প্রত্যন্ত জঙ্গলমহলের ঝাড়গ্রামেও সে ঝড়ের আভাস মিলল। হিন্দু মিশন মাঠের থেকে মিছিল করে মাননীয় শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ ডি.আই অফিস পৌঁছে ডেপুটেশন দিলেন।
জেলা সম্পাদক শুভেন্দু বাবু জানান আমরা পূর্বতন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সময় থেকেই অমানবিকভাবে টি.জি.টি. স্কেল থেকে বঞ্চিত। কোনো শিক্ষক সংগঠন সেরকমভাবে দৃঢ়তার সাথে এই দাবী উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে উত্থাপিত করে নি। বি.জি.টি.এ সম্পূর্ণ বিশ্বাস রাখে- বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিষয়টিতে যথাযথভাবে নজর দেবেন ও স্নাতক শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দাবীর সমাধান করবেন।
আন্দোলনে উপস্থিত রাজ্য সহ সভাপতি সতীশচন্দ্র মাহাতো জানান পশ্চিমবঙ্গ সরকার এন.সি.টি.ই নিয়ম মেনে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া করলেও, শিক্ষক বেতনক্রমের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার নির্ধারিত ও অন্যান্য রাজ্য সরকারের প্রদেয় “র্যাশনাল এন্ড কমেনসুরেট পে স্ট্রাকচার”(Rational and Commensurate pay structures of teachers) মানছে না। এটা অত্যন্ত দূর্ভাগ্যজনক। আমাদের দাবী মানা না হলে আমরা আগামীদিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।
জেলা সম্পাদক শুভেন্দু বাবু জানান আমরা পূর্বতন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সময় থেকেই অমানবিকভাবে টি.জি.টি. স্কেল থেকে বঞ্চিত। কোনো শিক্ষক সংগঠন সেরকমভাবে দৃঢ়তার সাথে এই দাবী উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে উত্থাপিত করে নি। বি.জি.টি.এ সম্পূর্ণ বিশ্বাস রাখে- বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিষয়টিতে যথাযথভাবে নজর দেবেন ও স্নাতক শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দাবীর সমাধান করবেন।

No comments