কেবল প্রতিষ্ঠান বিরোধীতা নয়, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভের প্রতিফলনে হারছে বিজেপি৷
অরুনাভ সেনঃ হিন্দিবলয়ে জরবদস্ত ধাক্কা খেলো বিজেপি৷নোটবন্দি,জিএসটি,অসংগঠিত ক্ষেত্রে যুক্ত মানুষদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা,কৃষকের ফসলের ন্যায্য দাম না পাওয়ার ক্ষোভ সব আছড়ে পড়েছে ইভিএমে৷মানুষ ক্ষোভে ফুঁসছিলেন,মানুষের স্বার্থরক্ষা না করে কর্পোরেটদের স্বার্থরক্ষাকারী বিজেপিকে উচিৎ শিক্ষা দিলেন রাজস্থান,মধ্যপ্রদেশ,ছত্তিশগড়ের মানুষ৷
অনেকে বলছেন প্রতিষ্ঠান বিরোধীতায় ভোট হয়েছে৷খানিকটা ঠিকই,কিন্তু যতটা না রাজ্য সরকারগুলির পারফরমেন্সের উপরে ভোট হয়েছে,রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন কেন্দ্রের মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন সাধারন মানুষ৷নোটবন্দির মত একটি ভুল সিদ্ধান্তে তছনছ হয়েছে দেশের অসংগঠিত ক্ষেত্র৷অসংখ্য মানুষ কাজ হারিয়েছেন,অসংখ্য মানুষের দুবেলা পেট ভরে খাওয়ার গ্যারান্টি কেড়ে নিয়েছে মোদি সরকার৷জিএসটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের কোমর ভেঙেছে৷অথচ ২০১৪ সালে আচ্ছে দিনের প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করে এই সব নিন্ম মধ্যবিত্ত,গরীব মানুষেরা দুহাত ভরে ভোট দিয়েছিল বিজেপিকে৷
অথচ সরকার গঠনের পর দেশের প্রান্তিক ও সাধারন মানুষের স্বার্থকে উপেক্ষা করতে শুরু করল কেন্দ্রীয় সরকার,বরং দিন যত গড়াল প্রমানিত হল কেন্দ্রের সরকার কর্পোরেটদের সরকার৷সত্যি কথা বলতে কি বিভিন্ন রাজ্যে উপনির্বাচন বা সাধারন নির্বাচনে প্রত্যাশিত ফলাফল সাম্প্রতিক সময়ে করতেই পারছিল না বিজেপি৷তাদের গড় গুজরাট কোনওক্রমে রক্ষা করেছে,আবার কর্ণাটকে,পাঞ্জাবে হেরেছে৷উপনির্বাচনগুলিতে হারছিলেন বিজেপি প্রার্থীরা৷সবমিলিয়ে বোঝা যাচ্ছিল বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি মানুষের ক্ষোভ চরমে উঠছে৷এরই সঙ্গে বিজেপির মেরুকরনের রাজনীতির প্রতি মানুষ চরম বীতশ্রদ্ধ হয়ে উঠছিলেন৷
পাল্লা দিয়ে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে বেড়ে উঠছিল কৃষক অসন্তোষ৷স্বঘোষিত গোরক্ষকদের দাপটে সর্বত্র ত্রাসের আবহ তৈরি হয়েছে৷একজন পুলিশ অফিসার খুন হলেন৷এসব ঘটনায় সাধারন শান্তিপ্রিয় মানুষ ক্রমশ বিজেপির প্রতি দ্রুত আস্থা হারিয়েছে৷গ্যাসের দাম বাড়ছে,কয়েকটা দিন আগেও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ডিজেল,পেট্রোলের দাম৷অথচ কেন্দ্রের মোদি সরকার নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার অহংকারে মানুষের ক্ষোভ প্রশমিত করার বিন্দুমাত্র উদ্যোগ নেয়নি৷বরং বরাবর মেরুকরনের তাস খেলে ১৯-এর ভোট বৈতরণী উতরে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেছে৷
যদিও মধ্যপ্রদেশ,রাজস্থান,ছত্তিশগড়ে তাদের এই খারাপ ফলে কংগ্রেস অনেকটা রাজনৈতিক ভাবে অক্সিজেন পাবে৷বিশেষত ছত্তিশগড় এবং রাজস্থান বিজেপির থেকে ছিনিয়ে নেওয়ায় বিজেপি বিরোধী মানুষ স্বপ্ন দেখছেন ১৯এ কংগ্রেসের নেতৃত্বে নতুন সরকার হবে৷খুব বেশী দিন বাঁকি নেই লোকসভা নির্বাচনের৷পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন কর্ণাটক বা পাঞ্জাব বিধানসভার নির্বাচন নয়, সাম্প্রতিক সময়ের বিভিন্ন উপনির্বাচনগুলির প্রবনতা বিজেপির পক্ষে ভয়ঙ্কর৷প্রায় সর্বত্র তাদের পরাজয় ঘটছে৷তিনরাজ্যে বিজেপি পর্যদুস্ত হওয়া কেবল সেখানকার রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠান বিরোধীতার ভোট নয় বরং সাম্প্রতিক সময়ের সব নির্বাচনগুলির ফলাফল পর্যালোচনা করলে স্পষ্ট বোঝা যাবে কেন্দ্রের মোদি সরকারের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভের পাহাড় জমছে,মানুষের ক্ষোভ প্রশমিত করার উদ্যোগ বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার গ্রহন করেনি৷
মানুষের সেই ক্ষোভের প্রতিফলন ঘটছে ইভিএমে৷হয়ত সেজন্য অনেকগুলি উপনির্বাচনের পর কর্ণাটক এবং পাঞ্জাবে ভরাডুবির পর ৫রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনেও বিজেপির ফলাফল শোচনীয়৷সবমিলিয়ে এটুকু বলা যায় কেন্দ্রের মোদি সরকারের প্রতি বিশ্বাস হারাচ্ছে সারা দেশের মানুষ,সেইজন্য ভোটে হারছে বিজেপি৷
অনেকে বলছেন প্রতিষ্ঠান বিরোধীতায় ভোট হয়েছে৷খানিকটা ঠিকই,কিন্তু যতটা না রাজ্য সরকারগুলির পারফরমেন্সের উপরে ভোট হয়েছে,রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন কেন্দ্রের মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন সাধারন মানুষ৷নোটবন্দির মত একটি ভুল সিদ্ধান্তে তছনছ হয়েছে দেশের অসংগঠিত ক্ষেত্র৷অসংখ্য মানুষ কাজ হারিয়েছেন,অসংখ্য মানুষের দুবেলা পেট ভরে খাওয়ার গ্যারান্টি কেড়ে নিয়েছে মোদি সরকার৷জিএসটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের কোমর ভেঙেছে৷অথচ ২০১৪ সালে আচ্ছে দিনের প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করে এই সব নিন্ম মধ্যবিত্ত,গরীব মানুষেরা দুহাত ভরে ভোট দিয়েছিল বিজেপিকে৷
অথচ সরকার গঠনের পর দেশের প্রান্তিক ও সাধারন মানুষের স্বার্থকে উপেক্ষা করতে শুরু করল কেন্দ্রীয় সরকার,বরং দিন যত গড়াল প্রমানিত হল কেন্দ্রের সরকার কর্পোরেটদের সরকার৷সত্যি কথা বলতে কি বিভিন্ন রাজ্যে উপনির্বাচন বা সাধারন নির্বাচনে প্রত্যাশিত ফলাফল সাম্প্রতিক সময়ে করতেই পারছিল না বিজেপি৷তাদের গড় গুজরাট কোনওক্রমে রক্ষা করেছে,আবার কর্ণাটকে,পাঞ্জাবে হেরেছে৷উপনির্বাচনগুলিতে হারছিলেন বিজেপি প্রার্থীরা৷সবমিলিয়ে বোঝা যাচ্ছিল বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি মানুষের ক্ষোভ চরমে উঠছে৷এরই সঙ্গে বিজেপির মেরুকরনের রাজনীতির প্রতি মানুষ চরম বীতশ্রদ্ধ হয়ে উঠছিলেন৷
পাল্লা দিয়ে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে বেড়ে উঠছিল কৃষক অসন্তোষ৷স্বঘোষিত গোরক্ষকদের দাপটে সর্বত্র ত্রাসের আবহ তৈরি হয়েছে৷একজন পুলিশ অফিসার খুন হলেন৷এসব ঘটনায় সাধারন শান্তিপ্রিয় মানুষ ক্রমশ বিজেপির প্রতি দ্রুত আস্থা হারিয়েছে৷গ্যাসের দাম বাড়ছে,কয়েকটা দিন আগেও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ডিজেল,পেট্রোলের দাম৷অথচ কেন্দ্রের মোদি সরকার নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার অহংকারে মানুষের ক্ষোভ প্রশমিত করার বিন্দুমাত্র উদ্যোগ নেয়নি৷বরং বরাবর মেরুকরনের তাস খেলে ১৯-এর ভোট বৈতরণী উতরে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেছে৷
যদিও মধ্যপ্রদেশ,রাজস্থান,ছত্তিশগড়ে তাদের এই খারাপ ফলে কংগ্রেস অনেকটা রাজনৈতিক ভাবে অক্সিজেন পাবে৷বিশেষত ছত্তিশগড় এবং রাজস্থান বিজেপির থেকে ছিনিয়ে নেওয়ায় বিজেপি বিরোধী মানুষ স্বপ্ন দেখছেন ১৯এ কংগ্রেসের নেতৃত্বে নতুন সরকার হবে৷খুব বেশী দিন বাঁকি নেই লোকসভা নির্বাচনের৷পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন কর্ণাটক বা পাঞ্জাব বিধানসভার নির্বাচন নয়, সাম্প্রতিক সময়ের বিভিন্ন উপনির্বাচনগুলির প্রবনতা বিজেপির পক্ষে ভয়ঙ্কর৷প্রায় সর্বত্র তাদের পরাজয় ঘটছে৷তিনরাজ্যে বিজেপি পর্যদুস্ত হওয়া কেবল সেখানকার রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠান বিরোধীতার ভোট নয় বরং সাম্প্রতিক সময়ের সব নির্বাচনগুলির ফলাফল পর্যালোচনা করলে স্পষ্ট বোঝা যাবে কেন্দ্রের মোদি সরকারের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভের পাহাড় জমছে,মানুষের ক্ষোভ প্রশমিত করার উদ্যোগ বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার গ্রহন করেনি৷
মানুষের সেই ক্ষোভের প্রতিফলন ঘটছে ইভিএমে৷হয়ত সেজন্য অনেকগুলি উপনির্বাচনের পর কর্ণাটক এবং পাঞ্জাবে ভরাডুবির পর ৫রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনেও বিজেপির ফলাফল শোচনীয়৷সবমিলিয়ে এটুকু বলা যায় কেন্দ্রের মোদি সরকারের প্রতি বিশ্বাস হারাচ্ছে সারা দেশের মানুষ,সেইজন্য ভোটে হারছে বিজেপি৷

No comments