তৃণমূল নেতা 'শিক্ষা-রত্ন' শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ!!
নজরবন্দি ব্যুরো: গত বছর ঘটা করে 'শিক্ষা-রত্ন' সম্মান দেওয়া হয়ে ছিল বরাহনগরের শরত্চন্দ্র ধর বিদ্যামন্দিরের প্রাথমিক বিভাগের প্রধান-শিক্ষক মণীশকুমার নেজ কে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মণীশকুমার নেজ-এর হাতে সেই সম্মান তুলে দিয়েছিলেন। অথচ, 'শিক্ষা-রত্ন' পাওয়া সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এখন 'কাটমানি' নেওয়া সহ একাধিক অভিযোগ। এক স্টিং অপারেশনে এই পর্দা-ফাঁস করলেন কিশোর ভার্মা নামে এক ঠিকাদার।
কীভাবে ওই শিক্ষকের কাছ থেকে স্কুলের কাজের কনট্রাক্ট আসে? কীভাবে আসল খরচের থেকেও বেশি খরচ দেখিয়ে বিল বানানো হয়? এবং কীভাবে সেই বাড়তি অর্থ মণীশকুমার নেজের কাছে আসে। সব কিছু খোলসা করেছেন কিশোর ভার্মা। বছর খানেক আগে এক স্টিং-অপারেশন-এ এই সমস্তই কেলেঙ্কারি ফাঁস করে দিয়েছেন ঠিকাদার কিশোর ভার্মা।
স্থানীয় সূত্রের খবর,বহু দিন ধরেই বরাহনগর শরত্চন্দ্র ধর বিদ্যামন্দিরের প্রাথমিক বিভাগের প্রধান-শিক্ষক মণীশকুমার নেজের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলছিলেন স্থানীয় লোকজন। কিন্তু, তারপরও তাঁকে ২০১৭ সালে 'শিক্ষা-রত্ন' সম্মান দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুর্নীতি ছাড়াও ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠে একাধিক অভিযোগ। অভিযোগ, তাঁর এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে যখনই কেউ প্রতিবাদের চেষ্টা করেছেন ক্ষমতাবলে অথবা নানাভাবে ফাঁসিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন মণীশকুমার।
ওই শিক্ষক একদা বরাহনগর এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনের প্রেসিডেন্ট পদে ছিলেন। অভিযোগ, সেই পদের ক্ষমতায় স্কুলকে ঘিরে এক দুর্নীতির জাল বুনে ফেলেছেন তিনি। আপাতত, তৃণমূলের সেই শিক্ষক সংগঠনের শীর্ষ পদে না থাকলেও প্রভাব-প্রতিপত্তি বজায় রেখেছেন বলেই অভিযোগ তৃণমূলের একটা বড় অংশের।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মণীশকুমার নেজ-এর হাতে সেই সম্মান তুলে দিয়েছিলেন। অথচ, 'শিক্ষা-রত্ন' পাওয়া সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এখন 'কাটমানি' নেওয়া সহ একাধিক অভিযোগ। এক স্টিং অপারেশনে এই পর্দা-ফাঁস করলেন কিশোর ভার্মা নামে এক ঠিকাদার।
কীভাবে ওই শিক্ষকের কাছ থেকে স্কুলের কাজের কনট্রাক্ট আসে? কীভাবে আসল খরচের থেকেও বেশি খরচ দেখিয়ে বিল বানানো হয়? এবং কীভাবে সেই বাড়তি অর্থ মণীশকুমার নেজের কাছে আসে। সব কিছু খোলসা করেছেন কিশোর ভার্মা। বছর খানেক আগে এক স্টিং-অপারেশন-এ এই সমস্তই কেলেঙ্কারি ফাঁস করে দিয়েছেন ঠিকাদার কিশোর ভার্মা।
স্থানীয় সূত্রের খবর,বহু দিন ধরেই বরাহনগর শরত্চন্দ্র ধর বিদ্যামন্দিরের প্রাথমিক বিভাগের প্রধান-শিক্ষক মণীশকুমার নেজের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলছিলেন স্থানীয় লোকজন। কিন্তু, তারপরও তাঁকে ২০১৭ সালে 'শিক্ষা-রত্ন' সম্মান দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুর্নীতি ছাড়াও ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠে একাধিক অভিযোগ। অভিযোগ, তাঁর এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে যখনই কেউ প্রতিবাদের চেষ্টা করেছেন ক্ষমতাবলে অথবা নানাভাবে ফাঁসিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন মণীশকুমার।
ওই শিক্ষক একদা বরাহনগর এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনের প্রেসিডেন্ট পদে ছিলেন। অভিযোগ, সেই পদের ক্ষমতায় স্কুলকে ঘিরে এক দুর্নীতির জাল বুনে ফেলেছেন তিনি। আপাতত, তৃণমূলের সেই শিক্ষক সংগঠনের শীর্ষ পদে না থাকলেও প্রভাব-প্রতিপত্তি বজায় রেখেছেন বলেই অভিযোগ তৃণমূলের একটা বড় অংশের।
