কেষ্টর গড়ে আক্রান্ত তৃণমূল নেতা! কিসের ইঙ্গিত?
নজরবন্দি ব্যুরো: এখনও বীরভূম জেলায় তিনিই শেষ কথা।অথচ সেই তৃণমূল কংগ্রেসের ‘ডন’ নেতা অনুব্রত মণ্ডলের গড়ে তাঁরই দলের লোক আক্রান্ত হলেন।
দুষ্কৃতীদের গুলি আর ছুরির কোপ খেয়ে সেই তৃণমূল নেতা এখন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন।এই ঘটনার দায় বিজেপির ঘাড়ে চাপিয়েছে জেলা তৃণমূল। অভিযোগ অস্বীকার বিজেপির। বিজেপির পাল্টা দাবি এটা তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলেই ঘটেছে।
আক্রান্ত ওই তৃণমূল নেতার নাম দীপক ঘোষ। তিনি খয়রাশোল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, দুপুরে তিনি তাঁর এক সঙ্গীর সঙ্গে মোটর বাইকে করে খয়রাশোলের বাড়ি থেকে কেন্দ্র গড়িয়ার গ্রামের দিকে যাচ্ছিলেন।হিংলো নদীর ধারে নির্জন স্থানে তিন দুষ্কৃতী তাদের পথ আটকায়।
ওই তৃণমূল নেতাকে গুলি করার পাশাপাশি ছুরির কোপ মারা হয়েছে। যদিও দীপক বাবুর ওই সঙ্গীর গায়ে এতটুকু আঁচড়ও লাগেনি। প্রথমে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে দুর্গাপুরের এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়েছে।
আর এই ঘটনার পরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তাহলে কি বীরভূমের মাটিতে শক্তি কমছে তৃণমূলের?
দুষ্কৃতীদের গুলি আর ছুরির কোপ খেয়ে সেই তৃণমূল নেতা এখন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন।এই ঘটনার দায় বিজেপির ঘাড়ে চাপিয়েছে জেলা তৃণমূল। অভিযোগ অস্বীকার বিজেপির। বিজেপির পাল্টা দাবি এটা তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলেই ঘটেছে।
আক্রান্ত ওই তৃণমূল নেতার নাম দীপক ঘোষ। তিনি খয়রাশোল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, দুপুরে তিনি তাঁর এক সঙ্গীর সঙ্গে মোটর বাইকে করে খয়রাশোলের বাড়ি থেকে কেন্দ্র গড়িয়ার গ্রামের দিকে যাচ্ছিলেন।হিংলো নদীর ধারে নির্জন স্থানে তিন দুষ্কৃতী তাদের পথ আটকায়।
ওই তৃণমূল নেতাকে গুলি করার পাশাপাশি ছুরির কোপ মারা হয়েছে। যদিও দীপক বাবুর ওই সঙ্গীর গায়ে এতটুকু আঁচড়ও লাগেনি। প্রথমে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে দুর্গাপুরের এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়েছে।
আর এই ঘটনার পরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তাহলে কি বীরভূমের মাটিতে শক্তি কমছে তৃণমূলের?
