বিজেপির বনধ সফল হলে বিপদ বাড়বে তৃণমূলের! বিশেষ প্রতিবেদন।
অরুনাভ সেন: ছাত্র মৃত্যুর প্রতিবাদে বুধবার বিজেপির ১২ঘন্টার বাংলা বন্ধকে রাজনৈতিক ভাবে মাষ্টারস্ট্র্রোক বলে মনে করছেন অনেক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ৷বনধ সফল হলে মোদি-অমিত ব্রিগেডের কাছে মুকুল রায়,দিলীপ ঘোষদের নম্বর আরও বাড়বে সেকথা বোধহয় উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই৷
ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় বাম ছাত্র সংগঠনগুলি সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করেছেন,বাম নেতৃত্ব ছাত্র মৃত্যুর প্রতিবাদে সরকারকে ঘটনার জন্য দায়ী করে বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি করেছেন৷কিন্তু ছাত্র মৃত্যুর প্রতিবাদে বুধবার ১২ ঘন্টার বনধ ডেকে সরকারের পাশাপাশি বাম দলগুলিকে রাজনৈতিক ভাবে চাপে ফেলে দিয়েছে বিজেপি এমনটাই অভিমত অনেক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞের৷সন্দেহ নেই পঞ্চায়েত ভোটে বামেদের তুলনায় বিজেপির অপেক্ষাকৃত ভাল ফলে অনুপ্রাণিত হওয়া এবং নিজেদের সাংগঠনিক শক্তির প্রমান দিতে তাদের এই বনধ ডাকতে উৎসাহিত করেছে৷সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় বিপুল জনসমাগম, সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের বারবার এই রাজ্যে আসা বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বকে তৃণমূল বিরোধী লড়াইয়ে মনোবল জোগানোর জন্য যতেষ্ট অস্কিজেন দিচ্ছে৷
বিজেপির ডাকা ১২ঘন্টার বনধ কতটা সফল হয় সম্ভবত সেইদিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি সেই সব মানুষদের যারা এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন নি তৃণমূলের সাথে লড়াইয়ে কাকে অপেক্ষাকৃত বেশী ভরসা করা যায় বাম নাকি বিজেপি!বলা যেতেই পারে বুধবারের ১২ঘন্টার রাজ্য বনধ সফল করা বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের কাছে একপ্রকার এসিড টেষ্ট৷যদি দেখা যায় সত্যিই স্বতঃস্ফূর্তভাবে মানুষ বিজেপির ডাকা বনধে সামিল হয়েছেন,তাহলে কিন্তু শাসক তৃণমূলের কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও বাড়বে৷লোকসভায় হিন্দিবলয়ে ফলাফল খারাপ হওয়ার আশঙ্কা এমনিতেই বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের আছে৷সেখানকার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলির পাশাপাশি তাদের পাখির চোখ এখন বাংলা৷এই রাজ্য থেকে লোকসভায় ২২টি আসন পাওয়া তাদের লক্ষ৷
যদিও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা এতদিন প্রশ্ন তুলতেন দূর্বল সংগঠন নিয়ে কীভাবে বিজেপি ২২টি আসন পাওয়ার স্বপ্ন দেখে!সবারই বক্তব্য মেরুকরণের রাজনীতিতে ভোট বাড়ে,কিন্তু ভোটে জিততে গেলে বিশেষত লোকসভার মত গুরুত্বপূর্ন ভোটে ২২টি আসন জিততে গেলে চাই বুথ স্তরে শক্তিশালী সংগঠন,সরকারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক আন্দোলন,সর্বোপরি নীচু তলার কর্মীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা৷ পঞ্চায়েত ভোটকে বিরোধীরা প্রহসন বললেও যেসব এলাকায় ভোট হয়েছে,এবং যেখানে বিজেপি সাংগঠনিক ভাবে শক্তিশালী সেখানে তারা তৃণমূলকে কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে,নজর এড়ায়নি রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের৷ প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় বিপুল জনসমাগম,অমিত শাহের পরপর রাজ্য সফর বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের আত্মবিশ্বাস যতেষ্ট বাড়িয়েছে৷ ছাত্র মৃত্যুর প্রতিবাদে ১২ ঘন্টার বাংলা বনধ ডেকে এবার তারা তাদের সাংগঠনিক শক্তির প্রমান দিতে চায়৷বনধ সফল হলে কিন্তু প্রমান হবে বিজেপি তলে তলে নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি যতেষ্ট বাড়িয়েছে৷ ভুল প্রমাণিত হবে নিন্দুকের বক্তব্য,বাংলায় কোথায় বিজেপির সংগঠন!বরং বনধ সফল হলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ভাবে আরও শক্তিশালী আন্দোলন করার অক্সিজেন তারা পেয়েই যাবে৷
পাশাপাশি সেইসব মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারবে যারা কখনও তৃণমূলকে ভোট দেবেন না,তাদের কাছে বার্তা দেওয়া যাবে রাজ্যে তৃণমূলের শাসনকে বদলে দেওয়ার রাজনৈতিক শক্তি একমাত্র বিজেপিরই আছে৷অপরদিকে দলের নীচুতলার কর্মীরাও যতেষ্ট চাঙ্গা হবেন৷শাসক তৃণমূলের যাবতীয় চোখরাঙানি,রাজনৈতিক বাঁধা অতিক্রম করে যারা আগামীদিনে রাজ্যে বিজেপির জয়ের স্বপ্ন দেখেন তারা নব উদ্যোমে দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিতে হার না মানা মনোভাব নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়বেন৷সবমিলিয়ে এটুকু বলা যায় বুধবারের সফল বনধ যেমন তৃণমূলের কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও বাড়াবে,তেমনই প্রমান হবে রাজ্যে দ্রুত সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করছে বিজেপি৷
ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় বাম ছাত্র সংগঠনগুলি সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করেছেন,বাম নেতৃত্ব ছাত্র মৃত্যুর প্রতিবাদে সরকারকে ঘটনার জন্য দায়ী করে বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি করেছেন৷কিন্তু ছাত্র মৃত্যুর প্রতিবাদে বুধবার ১২ ঘন্টার বনধ ডেকে সরকারের পাশাপাশি বাম দলগুলিকে রাজনৈতিক ভাবে চাপে ফেলে দিয়েছে বিজেপি এমনটাই অভিমত অনেক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞের৷সন্দেহ নেই পঞ্চায়েত ভোটে বামেদের তুলনায় বিজেপির অপেক্ষাকৃত ভাল ফলে অনুপ্রাণিত হওয়া এবং নিজেদের সাংগঠনিক শক্তির প্রমান দিতে তাদের এই বনধ ডাকতে উৎসাহিত করেছে৷সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় বিপুল জনসমাগম, সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের বারবার এই রাজ্যে আসা বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বকে তৃণমূল বিরোধী লড়াইয়ে মনোবল জোগানোর জন্য যতেষ্ট অস্কিজেন দিচ্ছে৷
বিজেপির ডাকা ১২ঘন্টার বনধ কতটা সফল হয় সম্ভবত সেইদিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি সেই সব মানুষদের যারা এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন নি তৃণমূলের সাথে লড়াইয়ে কাকে অপেক্ষাকৃত বেশী ভরসা করা যায় বাম নাকি বিজেপি!বলা যেতেই পারে বুধবারের ১২ঘন্টার রাজ্য বনধ সফল করা বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের কাছে একপ্রকার এসিড টেষ্ট৷যদি দেখা যায় সত্যিই স্বতঃস্ফূর্তভাবে মানুষ বিজেপির ডাকা বনধে সামিল হয়েছেন,তাহলে কিন্তু শাসক তৃণমূলের কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও বাড়বে৷লোকসভায় হিন্দিবলয়ে ফলাফল খারাপ হওয়ার আশঙ্কা এমনিতেই বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের আছে৷সেখানকার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলির পাশাপাশি তাদের পাখির চোখ এখন বাংলা৷এই রাজ্য থেকে লোকসভায় ২২টি আসন পাওয়া তাদের লক্ষ৷
যদিও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা এতদিন প্রশ্ন তুলতেন দূর্বল সংগঠন নিয়ে কীভাবে বিজেপি ২২টি আসন পাওয়ার স্বপ্ন দেখে!সবারই বক্তব্য মেরুকরণের রাজনীতিতে ভোট বাড়ে,কিন্তু ভোটে জিততে গেলে বিশেষত লোকসভার মত গুরুত্বপূর্ন ভোটে ২২টি আসন জিততে গেলে চাই বুথ স্তরে শক্তিশালী সংগঠন,সরকারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক আন্দোলন,সর্বোপরি নীচু তলার কর্মীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা৷ পঞ্চায়েত ভোটকে বিরোধীরা প্রহসন বললেও যেসব এলাকায় ভোট হয়েছে,এবং যেখানে বিজেপি সাংগঠনিক ভাবে শক্তিশালী সেখানে তারা তৃণমূলকে কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে,নজর এড়ায়নি রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের৷ প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় বিপুল জনসমাগম,অমিত শাহের পরপর রাজ্য সফর বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের আত্মবিশ্বাস যতেষ্ট বাড়িয়েছে৷ ছাত্র মৃত্যুর প্রতিবাদে ১২ ঘন্টার বাংলা বনধ ডেকে এবার তারা তাদের সাংগঠনিক শক্তির প্রমান দিতে চায়৷বনধ সফল হলে কিন্তু প্রমান হবে বিজেপি তলে তলে নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি যতেষ্ট বাড়িয়েছে৷ ভুল প্রমাণিত হবে নিন্দুকের বক্তব্য,বাংলায় কোথায় বিজেপির সংগঠন!বরং বনধ সফল হলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ভাবে আরও শক্তিশালী আন্দোলন করার অক্সিজেন তারা পেয়েই যাবে৷
পাশাপাশি সেইসব মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারবে যারা কখনও তৃণমূলকে ভোট দেবেন না,তাদের কাছে বার্তা দেওয়া যাবে রাজ্যে তৃণমূলের শাসনকে বদলে দেওয়ার রাজনৈতিক শক্তি একমাত্র বিজেপিরই আছে৷অপরদিকে দলের নীচুতলার কর্মীরাও যতেষ্ট চাঙ্গা হবেন৷শাসক তৃণমূলের যাবতীয় চোখরাঙানি,রাজনৈতিক বাঁধা অতিক্রম করে যারা আগামীদিনে রাজ্যে বিজেপির জয়ের স্বপ্ন দেখেন তারা নব উদ্যোমে দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিতে হার না মানা মনোভাব নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়বেন৷সবমিলিয়ে এটুকু বলা যায় বুধবারের সফল বনধ যেমন তৃণমূলের কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও বাড়াবে,তেমনই প্রমান হবে রাজ্যে দ্রুত সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করছে বিজেপি৷
