কার ফোনে আটকান হল বামফ্রন্টের নেতা-কর্মীদের আমডাঙা যাওয়া? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
নজরবন্দি ব্যুরো: কোনও লিখিত নির্দেশ ছাড়াই পুলিশ আটকে দিলো বামফ্রন্টের নেতাকর্মীদের আমডাঙা যাওয়া। কারো ফোন এসেছিল কি? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
প্রসঙ্গত, সোমবার আমডাঙা থানা ঘেরাও কর্মসূচি ঘিরে বাম নেতা ও কর্মীদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়াল পুলিশ। আজ পাঁচ দফা দাবিতে আমডাঙা থানা ঘেরাও কর্মসূচি নেয় বাম নেতৃত্ব । আর তাই বাম সমর্থক ও নেতাদের আটকাতে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করে রাজ্য সরকার। বামেদের মিছিল আটকানো হয়, বলা হয় পারমিশন নেই । বামেদের পক্ষ থেকে মিছিল আটকানোর অর্ডার দেখতে চাওয়া হয়, দেখাতে পারেনি পুলিশ।
আমডাঙা থানার একদিকে রয়েছে সন্তোষপুর, অন্যদিকে আওয়াল সিদ্ধি মোড়। দুইদিক থেকেই বাম নেতা ও কর্মীরা থানার দিকে এগোতে থাকলে পুলিশ তাদের আটকে দেয় বলে অভিযোগ। এর পর থানার দিকে বাম সমর্থকরা এগোতে থাকলে পুলিশের সঙ্গে বাধে বিবাদ। অভিযোগ ওই সময় সিপিআই(এম) নেত্রী গার্গী চট্টোপাধ্যায়কে হেনস্তা করে পুলিশ।
এবারের পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে ২৮ অগাস্ট থেকে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আমডাঙা। সিপি আই(এম) ও তৃণমূলের সংঘর্ষে মৃত্যু হয় তিনজনের। আহত হন প্রায় ২৮ জন। পুলিশ গ্রেপ্তার করে ২৪ জনকে। সিপি আই(এম) এর অভিযোগ রাজ্যের শাসক দলের নির্দেশে পুলিশ শুধু তাদের কর্মীদের গ্রেপ্তার করছে। এর প্রতিবাদে আজ উত্তর ২৪ পরগনা জেলা বামফ্রন্টের ডাকে আমডাঙা থানা ঘেরাও কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, সোমবার আমডাঙা থানা ঘেরাও কর্মসূচি ঘিরে বাম নেতা ও কর্মীদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়াল পুলিশ। আজ পাঁচ দফা দাবিতে আমডাঙা থানা ঘেরাও কর্মসূচি নেয় বাম নেতৃত্ব । আর তাই বাম সমর্থক ও নেতাদের আটকাতে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করে রাজ্য সরকার। বামেদের মিছিল আটকানো হয়, বলা হয় পারমিশন নেই । বামেদের পক্ষ থেকে মিছিল আটকানোর অর্ডার দেখতে চাওয়া হয়, দেখাতে পারেনি পুলিশ।
এবারের পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে ২৮ অগাস্ট থেকে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আমডাঙা। সিপি আই(এম) ও তৃণমূলের সংঘর্ষে মৃত্যু হয় তিনজনের। আহত হন প্রায় ২৮ জন। পুলিশ গ্রেপ্তার করে ২৪ জনকে। সিপি আই(এম) এর অভিযোগ রাজ্যের শাসক দলের নির্দেশে পুলিশ শুধু তাদের কর্মীদের গ্রেপ্তার করছে। এর প্রতিবাদে আজ উত্তর ২৪ পরগনা জেলা বামফ্রন্টের ডাকে আমডাঙা থানা ঘেরাও কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
Loading...

No comments