Header Ads

১৩ বছর আগেও অনুপ্রবেশকারীরা কিন্তু বাঙালিই ছিল! নিজের ইতিহাস ভুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ অসমের জাতীয় নাগরিক পঞ্জিকরণের তালিকা থেকে বাদ পড়েছে ৪০ লক্ষ বাসিন্দার নাম। দেশ জুড়ে বিরোধীরা সুর চড়িয়েছে বিজেপি-র বিরুদ্ধে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন অসম থেকে বাঙালি খেদাওয়ের চেষ্টা চলছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে বিজেপি অসমে গৃহযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছে। কিন্তু কি বলছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইতিহাস? আজ থেকে প্রায় ১৩ বছর আগে সময়টা ২০০৫ সালের ৪ অগাস্ট। তৃণমূলের একমাত্র এমপি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভায় মন্তব্য করেন বাংলায় অনুপ্রবেশ ভয়ানক জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে। তাঁর কাছে বাংলাদেশ ও ভারত দুদেশের ভোটার তালিকা আছে বলেও দাবী করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৎকালীন স্পিকার সোমনাথ চট্টোপাধ্যায় বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়টি সেদিন লোকসভায় তোলার অনুমতি দেননি।
মমতার আরও অভিযোগ ছিল রাজ্য সরকার বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে নীরব, তিনি অভিযোগ করেই থেমে থাকেননি সেদিন। স্পিকারের চেয়ারের দিকে এক তাড়া কাগজ ছুঁড়ে মেরেছিলেন বর্তমান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। তখন স্পিকারের আসনে ছিলেন চরণজিৎ সিং আটাওয়ালে।
কিন্তু এখন সময় বদলেছে রাজ্যে তখন ছিল বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট সরকার আর কেন্দ্রে কংগ্রেসের নেতৃত্বে প্রথম ইউপিএ। আর এখন রাজ্যের ক্ষমতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর কেন্দ্রে বিজেপি। হয়ত সময়ের চাপেই নিজের অবস্থান বদল করতে বাধ্য হয়েছেন রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী! এখন আর অনুপ্রবেশকারী বলে মনে হয়না কাউকে,এখন জেগে উঠেছে বাঙালিদের প্রতি মমতা। তাই বুক দিয়ে আগলাতে চান অসমের বাঙালিদের!
সময়টা বদলে গেছে ১৩ বছর কিন্তু অনুপ্রবেশকারীরা তখনও বাঙালি ছিল আজও আছে! শুধু ইতিহাস ভুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ বিজেপির।


No comments

Theme images by lishenjun. Powered by Blogger.