রক্ত পতাকা নয় সবুজ মেরুনে ঢাকা সোমনাথ চলে গেলেন একরাশ অভিমান নিয়ে!
অর্ক সানাঃ ২০০৯ সালে বেসরকারি সংবাদমাধ্যমে দেওয়া ইন্টারভিউ তে বলেছিলেন মৃত্যুর সময় তিনি সিপিআইএম এর সাধারণ সদস্য হয়েই থাকতে চান! হয়নি। সিপিআইএমের বঙ্গ ব্রিগেড চিরকালই নতি স্বীকার করেছে কারাত ব্রিগেডের কাছে তাই দলের প্রতীকে জেতা ১০ বারের সাংসদ সোমনাথ বাবুর কপালে মৃত্যু শয্যার আগে সাধারণ সদস্য পদ টুকুও জোটেনি।
বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, সুভাষ চক্রবর্তীরা মনে প্রানে চাইলেও ্কারাত লবির কাছে নতিস্বীকার করে শেষ পর্যন্ত সোমনাথ বাবুকে দলে ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব টুকুও দিতে পারেননি। আজ বিমান বসুদের অপমান করে সোমনাথ বাবুর ছেলে মেয়েরা নিজের বাবার প্রতি কতটা সম্মান প্রদর্শন করল তা নিয়ে হতেই পারে বিতর্ক। কিন্তু আর কিছু করার নেই সব শেষ!
১০ বারের সাংসদের শেষ যাত্রার সঙ্গী হলনা লাল পতাকা! শরীর ঢাকা পড়ল না লাল শালুতে, একজন আদ্যপ্যান্ত কমিউনিষ্টের জীবনে এর থেকে অপ্রাপ্তির কি আছে! সোমনাথ চলেগেলেন গলায় দলা পাকানো কান্না আর একরাশ অভিমান নিয়ে।
অন্যদিকে মোহনবাগান ক্লাবের আজীবন সদস্য ছিলেন সোমনাথ। ছিলেন ক্লাবের এগজিকিউটিভ কমিটিতেও। সোমবার শেষ যাত্রায় তাঁর মরদেহে কোনও রাজনৈতিক দলের পতাকা ওঠেনি, বরং তা ঢাকা ছিল সবুজ-মেরুন পতাকায়। সচিব অঞ্জন মিত্র স্মৃতিচারনে বলে ফেললেন, ‘‘সোমনাথদা না থাকলে আমার সচিব হওয়া হত না। উনিই আমাকে ক্লাবের সচিব বানিয়েছিলেন। ১৯৯৫ পর্যন্ত ক্লাবের এগজিকিউটিভ কমিটির সদস্য ছিলেন। আমরা একসঙ্গেই জিতে এসেছিলাম ক্লাব প্রশাসনে। সেই সময় ক্লাবের বেশ কিছু কেস চলছিল, সব নিজে সামলেছিলেন। ক্লাবের মধ্যে সুস্থ পরিবেশ ফিরিয়ে এনেছিলেন।’’
অন্যদিকে একটা মানুষের জন্য কষ্ট হয়! একের পর এক আত্মীয় বিয়োগ! 'কমরেড' আসলে আত্মীয়সম হয়তো বা কিছুটা বেশিও বটে।
গলা ভারি হয়ে আসা কান্নাটাকে চোয়াল দৃঢ় করে গিলে ফেলা কমিউনিস্ট আন্দোলনের জন্য জীবন উৎসর্গিত সর্বক্ষনের কর্মী বিমান বসুর মনের অন্দরে আর বাইরে সর্বক্ষনের লড়াই দেখে কত কি না শেখার আছে!
সুমন চাটুজ্যে কে ধার করে বলতে ইচ্ছে করে
"যে যেখানে লড়ে যায় আমাদেরই লড়া,
জীবনের কথা বলা গানের মহড়া যেন
সব্বার জন্যে, সব্বার জন্যে।"
বলতে দ্বিধা নেই, বিমান বসু এবং সিপিআইএম নেতৃত্বকে যেভাবে তাঁর পরিবারবর্গ অপমান করলেন সেই আচরণকে তীব্র ধিক্কার। বিমান বাবুকে অপমান করে নিজের বাবাকেই ছোট করলেন তাঁর ছেলেমেয়েরা। একটা কথা সোমনাথ বাবুর ছেলে মেয়েরা বা জ্যোতি বসুর ছেলেও বোঝেনি, আসলে বাবা কমিউনিস্ট হলেই ছেলে কমিউনিস্ট হয় না! কমিউনিস্ট হতে অনেক দম লাগে!
অন্যদিকে একটা মানুষের জন্য কষ্ট হয়! একের পর এক আত্মীয় বিয়োগ! 'কমরেড' আসলে আত্মীয়সম হয়তো বা কিছুটা বেশিও বটে।
গলা ভারি হয়ে আসা কান্নাটাকে চোয়াল দৃঢ় করে গিলে ফেলা কমিউনিস্ট আন্দোলনের জন্য জীবন উৎসর্গিত সর্বক্ষনের কর্মী বিমান বসুর মনের অন্দরে আর বাইরে সর্বক্ষনের লড়াই দেখে কত কি না শেখার আছে!
সুমন চাটুজ্যে কে ধার করে বলতে ইচ্ছে করে
"যে যেখানে লড়ে যায় আমাদেরই লড়া,
জীবনের কথা বলা গানের মহড়া যেন
সব্বার জন্যে, সব্বার জন্যে।"
বলতে দ্বিধা নেই, বিমান বসু এবং সিপিআইএম নেতৃত্বকে যেভাবে তাঁর পরিবারবর্গ অপমান করলেন সেই আচরণকে তীব্র ধিক্কার। বিমান বাবুকে অপমান করে নিজের বাবাকেই ছোট করলেন তাঁর ছেলেমেয়েরা। একটা কথা সোমনাথ বাবুর ছেলে মেয়েরা বা জ্যোতি বসুর ছেলেও বোঝেনি, আসলে বাবা কমিউনিস্ট হলেই ছেলে কমিউনিস্ট হয় না! কমিউনিস্ট হতে অনেক দম লাগে!

No comments