টেট পরীক্ষায় অনিয়ম প্রমানিত তবুও গুরুপাপে লঘুদণ্ড হলনা কি? প্রশ্ন পরীক্ষার্থীদের।
নজরবন্দি ব্যুরো: গতকাল আদালত ২০১২ টেট মামলায় এক গুরুত্বপূর্ণ রায় দেয়। তাতে আদালত মেনে নিয়েছে ২০১২ সালের টেট পরীক্ষাতে বেশ কিছু অনিয়ম হয়েছে! এবং, জরিমানা ধার্য করা হয়েছে এক লক্ষ টাকা।
আর সেই জরিমানার টাকা মামলা কারিদের মধ্যে ভাগ করে দেবার নির্দেশ দেয় আদালত। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, যদি আদালত বুঝতে পারে পরীক্ষাতে অনিয়ম হয়েছে তাহলে নিশ্চয় যারা চাকরি পেয়েছেন তাদের মধ্যে একটা বড় অংশ সেই অনিয়মের মধ্যে দিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। আর যদি প্রাথমিক স্তরে অযোগ্য প্রার্থীরা শিক্ষক হিসাবে নির্বাচিত হয়, তাহলে সেই সমাজ বা জাতীর মেরুদণ্ড ভেঙে যাবে। এমনটা মনে করেন এই রাজ্যের হবু শিক্ষকরা।
কিন্তু আদালত সেই দিকে নজর না দিয়ে কি করে ক্ষতিপূরণ দিয়ে এই অনিয়মকে ধামা চাপাদেবার চেষ্টা করলেন! তাহলে আদালত কি চায়না যারা এই অনিয়ম করেছে তারা শাস্তি পাক? প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যাচ্ছে। প্রসঙ্গত, ২০১২ প্রাথমিক টেট বাতিল করছে না, জানাল আদালত। শুক্রবার হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলার সম্পাপ্তি ঘোষণা করে। ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, প্রাথমিক টেট বাতিল হচ্ছে না।
তবে এই টেট-এ বেশ কিছু অনিয়ম হয়েছে বলে মেনে নেয় আদালত। আর এর ফলে প্রাথমিক শিক্ষা পর্যদকে এই অনিয়মের জন্য জরিমানা দিতে হবে। জরিমানা ধার্য করা হয়েছে এক লক্ষ টাকা।২০১২ সালের টেট পরীক্ষায় শক্ত প্রশ্নপত্র হওয়ার অভিযোগে ১৯ জন মামলা করেন আদালতে। অভিযোগ ওঠে সিলেবাস বহির্ভূত প্রশ্ন করা হয়েছে। এমনকি প্রশ্ন করার সময় এনসিটিই-র গাইডলাইন মেনে প্রশ্নপত্র করা হয়নি। সেই মামলায় বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ রায় দেয় এক লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ওই ১৯ জন মামলাকারীর মধ্যে ভাগ করে দিতে হবে। এই রকম নজিরবিহীন রায়ে অবাক রাজ্যের আইনজীবী মহলের একটা বড় অংশ।
আর সেই জরিমানার টাকা মামলা কারিদের মধ্যে ভাগ করে দেবার নির্দেশ দেয় আদালত। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, যদি আদালত বুঝতে পারে পরীক্ষাতে অনিয়ম হয়েছে তাহলে নিশ্চয় যারা চাকরি পেয়েছেন তাদের মধ্যে একটা বড় অংশ সেই অনিয়মের মধ্যে দিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। আর যদি প্রাথমিক স্তরে অযোগ্য প্রার্থীরা শিক্ষক হিসাবে নির্বাচিত হয়, তাহলে সেই সমাজ বা জাতীর মেরুদণ্ড ভেঙে যাবে। এমনটা মনে করেন এই রাজ্যের হবু শিক্ষকরা।
কিন্তু আদালত সেই দিকে নজর না দিয়ে কি করে ক্ষতিপূরণ দিয়ে এই অনিয়মকে ধামা চাপাদেবার চেষ্টা করলেন! তাহলে আদালত কি চায়না যারা এই অনিয়ম করেছে তারা শাস্তি পাক? প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যাচ্ছে। প্রসঙ্গত, ২০১২ প্রাথমিক টেট বাতিল করছে না, জানাল আদালত। শুক্রবার হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলার সম্পাপ্তি ঘোষণা করে। ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, প্রাথমিক টেট বাতিল হচ্ছে না।
তবে এই টেট-এ বেশ কিছু অনিয়ম হয়েছে বলে মেনে নেয় আদালত। আর এর ফলে প্রাথমিক শিক্ষা পর্যদকে এই অনিয়মের জন্য জরিমানা দিতে হবে। জরিমানা ধার্য করা হয়েছে এক লক্ষ টাকা।২০১২ সালের টেট পরীক্ষায় শক্ত প্রশ্নপত্র হওয়ার অভিযোগে ১৯ জন মামলা করেন আদালতে। অভিযোগ ওঠে সিলেবাস বহির্ভূত প্রশ্ন করা হয়েছে। এমনকি প্রশ্ন করার সময় এনসিটিই-র গাইডলাইন মেনে প্রশ্নপত্র করা হয়নি। সেই মামলায় বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ রায় দেয় এক লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ওই ১৯ জন মামলাকারীর মধ্যে ভাগ করে দিতে হবে। এই রকম নজিরবিহীন রায়ে অবাক রাজ্যের আইনজীবী মহলের একটা বড় অংশ।

No comments