রাজ্য সরকার-নির্বাচন কমিশনের গট আপের অভিযোগ! অনির্দিষ্টকালের জন্যে থমকে গেল শিক্ষক নিয়োগ।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষক নিয়োগে জটিলতা সংক্রান্ত একাধিক সমস্যায় জর্জরিত রাজ্য। এই পরিস্থিতিতে আপার প্রাইমারিতে শিক্ষক নিয়োগে ছারপত্র দেয় হাইকোর্ট। স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফেও শীঘ্র ইন্টারভিউ এর সময়সূচী জানানো হবে বলে জানানো হয়। ফলে সমস্যার সমাধান হয় বলে মনে করে চাকরি প্রার্থীরা। কিন্তু গোল বাঁধলো নির্বাচন কমিশনের সম্মতি না মেলায়।
আপার প্রাইমারিতে নিয়োগ করাতে আদালতের কোনো সমস্যা নেই, জানায় কলকাতা হাইকোর্ট। এরপর স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে বলা হয়, শীঘ্রই ইন্টারভিউ প্যানেল ও সময়সূচী প্রকাশ করা হবে। কিন্তু রাজ্যে যেহেতু পঞ্চায়েত নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে তাই শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি প্রয়োজন। স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে নির্বাচনের কমিশনের অনুমতি চাইলে অনুমতি মেলেনা। ফলে আবার অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে গেল নিয়োগ প্রক্রিয়া, মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।
রাজ্যে নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু, এটা জেনেই উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ করার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। নির্বাচনের আগেই করা যাবে নিয়োগ, একথাও জানায় আদালত। এখন প্রশ্ন, আদালতের তরফে নিয়োগ করতে অনুমতি দেওয়ার পরেও কিকরে তাতে বাধা দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন? আর নির্বাচন কমিশন নিয়োগে অনুমতি না দেওয়ায় রাজ্য সরকার জানিয়ে দিয়েছে, সদিচ্ছা থাকলেও নিয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে না তাদের পক্ষে। প্রসঙ্গত, প্রথমে পঞ্চায়েত নির্বাচন তিন দফায় করার কথা ঘোষনা করেও পরে রাজ্যের কাছে 'ধমক' খেয়ে একদিনে ভোট গ্রহণের কথা ঘোষনা করে।
তখনই অভিযোগ ওঠে, রাজ্য সরকারের হয়ে দালালি করছে নির্বাচন কমিশন। এতদিন শিক্ষক নিয়োগে অনীহা দেখিয়েছে রাজ্য সরকার। এবার যখন আদালত নিয়োগের নির্দেশ দিল তখন বাধ সাধলো নির্বাচন কমিশন। এখানেও কি রাজ্য সরকারের হয়ে দালালি করছে নির্বাচন কমিশন? প্রশ্ন তুলছেন চাকরি প্রার্থীরা।
আপার প্রাইমারিতে নিয়োগ করাতে আদালতের কোনো সমস্যা নেই, জানায় কলকাতা হাইকোর্ট। এরপর স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে বলা হয়, শীঘ্রই ইন্টারভিউ প্যানেল ও সময়সূচী প্রকাশ করা হবে। কিন্তু রাজ্যে যেহেতু পঞ্চায়েত নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে তাই শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি প্রয়োজন। স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে নির্বাচনের কমিশনের অনুমতি চাইলে অনুমতি মেলেনা। ফলে আবার অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে গেল নিয়োগ প্রক্রিয়া, মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।
রাজ্যে নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু, এটা জেনেই উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ করার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। নির্বাচনের আগেই করা যাবে নিয়োগ, একথাও জানায় আদালত। এখন প্রশ্ন, আদালতের তরফে নিয়োগ করতে অনুমতি দেওয়ার পরেও কিকরে তাতে বাধা দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন? আর নির্বাচন কমিশন নিয়োগে অনুমতি না দেওয়ায় রাজ্য সরকার জানিয়ে দিয়েছে, সদিচ্ছা থাকলেও নিয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে না তাদের পক্ষে। প্রসঙ্গত, প্রথমে পঞ্চায়েত নির্বাচন তিন দফায় করার কথা ঘোষনা করেও পরে রাজ্যের কাছে 'ধমক' খেয়ে একদিনে ভোট গ্রহণের কথা ঘোষনা করে।
তখনই অভিযোগ ওঠে, রাজ্য সরকারের হয়ে দালালি করছে নির্বাচন কমিশন। এতদিন শিক্ষক নিয়োগে অনীহা দেখিয়েছে রাজ্য সরকার। এবার যখন আদালত নিয়োগের নির্দেশ দিল তখন বাধ সাধলো নির্বাচন কমিশন। এখানেও কি রাজ্য সরকারের হয়ে দালালি করছে নির্বাচন কমিশন? প্রশ্ন তুলছেন চাকরি প্রার্থীরা।

No comments