২০১৯-এ ক্ষমতায় ফেরা কঠিন! অশনিসংকেত বিজেপির জন্যে। তাই এবার মায়াবতীকে মন্ত্রীত্বের টোপ!!!
নজরবন্দি ব্যুরোঃ আচ্ছে দিনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৪ তে বিপুল ভোটে জিতে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসা বিজেপির সামনে ২০১৯ নির্বাচন জেতা বেশ আশঙ্কার! ৪ টে বছর কেটে গেছে আর নিজেকে দেশের চৌকিদার বলা প্রধান মন্ত্রীর নজর এড়িয়ে একের পর এক শিল্পপতি দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা লুঠ করে পাড়ি দিয়েছে বিদেশ!
আর সবথেকে বড় অভিযোগ এই প্রতারক গুলোর সাথে বিভিন্ন ছবিতে দেখা গেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে! বিরোধীরা সেই ছবি সামনে এনে অভিযোগ করেছে বার বার। অন্যদিকে মূল্য বৃদ্ধি ইস্যু তো আছেই। বিজেপি বিভিন্ন রাজ্যে ক্ষমতা বাড়িয়েছে যেমন তেমনই একের পর এক ইস্যু তুলে চাপ বাড়িয়েছে বিরোধীরা।
উপনির্বাচনের ধাক্কা সামলে উঠতে পারেনি বিজেপি। তাই বদলে গেছে রণকৌশল। যে রাজ্যগুলোতে লোকসভার আসন সংখ্যা অপেক্ষাকৃত বেশি সেখানেই জন সমর্থন হারিয়েছে বিজেপি। নিজেদের গড় গুজরাতে কোনমতে ক্ষমতা ধরে রাখতে পারলেও গতবারের মোট লোকসভায় ২৬ - ০ হওয়ার অবস্থা নেই।
সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের উপনির্বাচন মুখ্যমন্ত্রী ও উপমুখ্যমন্ত্রীর ছেড়ে যাওয়া লোকসভা আসনে চূড়ান্ত ধাক্কা খেয়েছে গেরুয়া শিবির। সমাজবাদী পার্টি আর বহুজন সমাজবাদী পার্টি এক হয়ে যাওয়ায় বিজেপি ৩০ বছর ধরে জেতা আসনে গোহারা হেরেছে বিজেপি। উত্তরপ্রদেশে এই দেশের সব থেকে বেশি লোকসভা আসন রয়েছে এবং গতবার অর্থাৎ ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই রাজ্য থেকেই সবথেকে বেশি আসন জিতেছে বিজেপি। কিন্তু সপা-বসপার জোট যদি ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত টিকে যায় তবে গতবারের জেতা অর্ধেক আসন বিজেপি পাবে কিনা সন্দেহ! আর তা হলে ২০১৯এ পুনরায় ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে বিজেপির। এই অবস্থায় উত্তরপ্রদেশে মায়াবতী ও অখিলেশের জোটকে যে কোনও মূল্যে ভাঙতে চাইছে বিজেপি।
তাই মায়াবতিকে দেওয়া হয়েছে মন্ত্রীত্বের টোপ বলে জানাচ্ছে সূত্র! এনডিএ-র এক শরিক আরপিআই-এর সভাপতিরামদাস আটাওয়াল প্রকাশ্য সভা থেকে মায়াবতীকে সরাসরি এনডিএ যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, "আমরা দলিতদের জন্য কাজ করছি। আপনি আসুন আমার দলকে নেতৃত্ব দিন। দলিত উন্নয়ন চাইলে এনডিএ-তে এসে মন্ত্রিত্ব নিন মায়াবতী।" এই বার্তায় পরিষ্কার ২০১৯ লোকসভা নির্বাচন এনডিএ বা বিজেপির জন্যে খুব সহজ হবেনা তা টের পেয়েছেন শীর্ষ নেতারা!
আর সবথেকে বড় অভিযোগ এই প্রতারক গুলোর সাথে বিভিন্ন ছবিতে দেখা গেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে! বিরোধীরা সেই ছবি সামনে এনে অভিযোগ করেছে বার বার। অন্যদিকে মূল্য বৃদ্ধি ইস্যু তো আছেই। বিজেপি বিভিন্ন রাজ্যে ক্ষমতা বাড়িয়েছে যেমন তেমনই একের পর এক ইস্যু তুলে চাপ বাড়িয়েছে বিরোধীরা।
উপনির্বাচনের ধাক্কা সামলে উঠতে পারেনি বিজেপি। তাই বদলে গেছে রণকৌশল। যে রাজ্যগুলোতে লোকসভার আসন সংখ্যা অপেক্ষাকৃত বেশি সেখানেই জন সমর্থন হারিয়েছে বিজেপি। নিজেদের গড় গুজরাতে কোনমতে ক্ষমতা ধরে রাখতে পারলেও গতবারের মোট লোকসভায় ২৬ - ০ হওয়ার অবস্থা নেই।
সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের উপনির্বাচন মুখ্যমন্ত্রী ও উপমুখ্যমন্ত্রীর ছেড়ে যাওয়া লোকসভা আসনে চূড়ান্ত ধাক্কা খেয়েছে গেরুয়া শিবির। সমাজবাদী পার্টি আর বহুজন সমাজবাদী পার্টি এক হয়ে যাওয়ায় বিজেপি ৩০ বছর ধরে জেতা আসনে গোহারা হেরেছে বিজেপি। উত্তরপ্রদেশে এই দেশের সব থেকে বেশি লোকসভা আসন রয়েছে এবং গতবার অর্থাৎ ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই রাজ্য থেকেই সবথেকে বেশি আসন জিতেছে বিজেপি। কিন্তু সপা-বসপার জোট যদি ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত টিকে যায় তবে গতবারের জেতা অর্ধেক আসন বিজেপি পাবে কিনা সন্দেহ! আর তা হলে ২০১৯এ পুনরায় ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে বিজেপির। এই অবস্থায় উত্তরপ্রদেশে মায়াবতী ও অখিলেশের জোটকে যে কোনও মূল্যে ভাঙতে চাইছে বিজেপি।
তাই মায়াবতিকে দেওয়া হয়েছে মন্ত্রীত্বের টোপ বলে জানাচ্ছে সূত্র! এনডিএ-র এক শরিক আরপিআই-এর সভাপতিরামদাস আটাওয়াল প্রকাশ্য সভা থেকে মায়াবতীকে সরাসরি এনডিএ যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, "আমরা দলিতদের জন্য কাজ করছি। আপনি আসুন আমার দলকে নেতৃত্ব দিন। দলিত উন্নয়ন চাইলে এনডিএ-তে এসে মন্ত্রিত্ব নিন মায়াবতী।" এই বার্তায় পরিষ্কার ২০১৯ লোকসভা নির্বাচন এনডিএ বা বিজেপির জন্যে খুব সহজ হবেনা তা টের পেয়েছেন শীর্ষ নেতারা!
No comments