রাজ্যের সরকারি কর্মীদের পিএফ-এর টাকা নিয়ে বিতর্ক! রাজ্যের আবেদন নাকচ!
নজরবন্দি ব্যুরোঃ ফের ধাক্কা রাজ্য সরকারের। সরকারি কর্মীদের পিএফ-এর অর্থ রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণে কোনোমতেই নয়, জানালেন দেশের ডেপুটি কন্ট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল অনিতা পট্ট নায়েক।
রাজ্য সরকারের গ্রুপ-এ, বি এবং সি স্তরের কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা হওয়া অর্থ বর্তমানে রয়েছে সরকারের অধীনে এ জি বেঙ্গল এর নিয়ন্ত্রণে। গত মার্চ মাসে এবিষয়ে রাজ্যের মুখ্য সচিব মলয় দে একটি চিঠি মারফৎ সিএজি-এ কাছে আবেদন জানায়, সরকারি কর্মীদের পিএফ-এ জমা হওয়া অর্থের ওপর নিয়ন্ত্রণ ভার রাজ্যের ওপর ন্যস্ত করা হোক। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দেন দেশের ডেপুটি কন্ট্রোলার অ্যান্ড অডিট জেনারেল।
মুখ্য সচিব মলয় দে-কে চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছেন অনিতা পট্টোনায়েক। রাজ্যের বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, একমাত্র রাজ্য সরকারের গ্রুপ 'ডি' কর্মীদের বেতন থেকে কাটা জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড এর যাবতীয় নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষা করে থাকে রাজ্যের অর্থ দফতর। জানা গেছে, সমস্ত কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ড এর অর্থ রাজ্য নিজের অধীনে নিতে চাওয়ার পেছনে একটা বড় কারণ ছিল।
প্রভিডেন্ট ফান্ডের নিয়ন্ত্রণ রাজ্যের হাতে থাকলে রাজ্যের প্রয়োজনে প্রায় ২.৫ লক্ষ কর্মচারীর জমা করা অনুমনানিক তিন হাজার পাঁচশো কোটি টাকা দেখিয়ে বাজার থেকে ঋণ নিতে পারবে সরকার। ফলে বিশেষ সুবিধা হবে রাজ্যের। কিন্তু সেই প্রস্তাব একেবারেই খারিজ করে দিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। ফলে আপাতত রাজ্য সরকারের হাতের বাইরেই থাকছে আড়াই লক্ষ কর্মচারীর প্রভিডেন্ট ফান্ডের বিপুল পরিমাণ অর্থ।
রাজ্য সরকারের গ্রুপ-এ, বি এবং সি স্তরের কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা হওয়া অর্থ বর্তমানে রয়েছে সরকারের অধীনে এ জি বেঙ্গল এর নিয়ন্ত্রণে। গত মার্চ মাসে এবিষয়ে রাজ্যের মুখ্য সচিব মলয় দে একটি চিঠি মারফৎ সিএজি-এ কাছে আবেদন জানায়, সরকারি কর্মীদের পিএফ-এ জমা হওয়া অর্থের ওপর নিয়ন্ত্রণ ভার রাজ্যের ওপর ন্যস্ত করা হোক। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দেন দেশের ডেপুটি কন্ট্রোলার অ্যান্ড অডিট জেনারেল।
মুখ্য সচিব মলয় দে-কে চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছেন অনিতা পট্টোনায়েক। রাজ্যের বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, একমাত্র রাজ্য সরকারের গ্রুপ 'ডি' কর্মীদের বেতন থেকে কাটা জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড এর যাবতীয় নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষা করে থাকে রাজ্যের অর্থ দফতর। জানা গেছে, সমস্ত কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ড এর অর্থ রাজ্য নিজের অধীনে নিতে চাওয়ার পেছনে একটা বড় কারণ ছিল।
প্রভিডেন্ট ফান্ডের নিয়ন্ত্রণ রাজ্যের হাতে থাকলে রাজ্যের প্রয়োজনে প্রায় ২.৫ লক্ষ কর্মচারীর জমা করা অনুমনানিক তিন হাজার পাঁচশো কোটি টাকা দেখিয়ে বাজার থেকে ঋণ নিতে পারবে সরকার। ফলে বিশেষ সুবিধা হবে রাজ্যের। কিন্তু সেই প্রস্তাব একেবারেই খারিজ করে দিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। ফলে আপাতত রাজ্য সরকারের হাতের বাইরেই থাকছে আড়াই লক্ষ কর্মচারীর প্রভিডেন্ট ফান্ডের বিপুল পরিমাণ অর্থ।
No comments