তৃণমূলের শত্রু তৃণমূল! শাসকের বিপদ বাড়ছে পশ্চিম মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলাতে।
নজরবন্দি ব্যুরো: রাজ্যে পঞ্চায়েতের দামামা বাজার সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক ময়দানে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে শাসক-বিরোধী দুই শিবির।
মনোনয়ন পর্ব চলাকালীন রাজ্যের একাধিক জায়গাতে অশান্তির ছবি ধরা পড়েছে। সব বিরোধী রাজনৈতিক দল গুলির অভিযোগ শাসক দল তাদের মনোনয়ন দিতে বাধা দিচ্ছে। যদিও শাসক শিবির বিরোধীদের সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু পশ্চিম মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার তৃণমূল নেতাদের কাছে কিছুটা চিন্তা বাড়িয়েছে বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতাদের কাজকর্ম।
জানা গিয়েছে এই সমস্যা মেটাতে জেলার তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব বারবার নিজেদের মধ্যে বৈঠকও করেছেন। কিন্তু কাজের-কাজ কিছুই হয়নি। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার নির্বাচনের দায়িত্বে জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক দেবাশিষ চৌধুরী।শনিবার তাঁর সঙ্গে জেলার বর্ষীয়ান বিধায়ক মৃগেন মাইতি ছুটে আসেন শালবনী এলাকায়।
শালবনীর বিধায়ক শ্রীকান্ত মাহাতো তাদের সাথে দেখা করে জানান,"দাদা আমি খুব আপসেট"।এমনকি জেলা তৃণমূলের সবচেয়ে বেশী চিন্তা বাড়িয়েছে এই শালবনী বিধানসভাই।তাই জেলা সভাপতি অজিত মাইতিকেও বারবার ফোন করে খবর নিতেন এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে।এই দুই জেলাতে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে বিক্ষুব্ধ তৃণমূল ও বিজেপি এবং সিপিআই(এম) একত্রে নির্দল প্রার্থী-দেবার খেলা পঞ্চায়েত নির্বাচনের ময়দানে রীতিমত চিন্তায় রেখেছে তৃনমূলকে।
এর পাশাপাশি দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার মন্দির বাজার থানা এলাকার একাধিক তৃণমূলের নেতারা দল ছাড়তে চলেছেন। দিলীপ জাতুয়া, অজিত নস্কর সহ একাধিক নেতৃত্ব যোগ দিতে চলেছেন গেরুয়া শিবিরে।
তাই তৃণমূলের কাছে এই নির্বাচনে তৃণমূলের মূল শত্রু বিজেপি , কংগ্রেস বা সিপিআই(এম) নয়। তাদের মূল শত্রু এক সময়ের তাদেরই সহযোদ্ধারা। তাই দেখার এই নির্বাচনে তৃণমূল সুপ্রিমো কি করে এই সমস্যার সমাধান করেন, আর সেই দিকে তাকিয়ে রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ।
মনোনয়ন পর্ব চলাকালীন রাজ্যের একাধিক জায়গাতে অশান্তির ছবি ধরা পড়েছে। সব বিরোধী রাজনৈতিক দল গুলির অভিযোগ শাসক দল তাদের মনোনয়ন দিতে বাধা দিচ্ছে। যদিও শাসক শিবির বিরোধীদের সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু পশ্চিম মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার তৃণমূল নেতাদের কাছে কিছুটা চিন্তা বাড়িয়েছে বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতাদের কাজকর্ম।
জানা গিয়েছে এই সমস্যা মেটাতে জেলার তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব বারবার নিজেদের মধ্যে বৈঠকও করেছেন। কিন্তু কাজের-কাজ কিছুই হয়নি। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার নির্বাচনের দায়িত্বে জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক দেবাশিষ চৌধুরী।শনিবার তাঁর সঙ্গে জেলার বর্ষীয়ান বিধায়ক মৃগেন মাইতি ছুটে আসেন শালবনী এলাকায়।
শালবনীর বিধায়ক শ্রীকান্ত মাহাতো তাদের সাথে দেখা করে জানান,"দাদা আমি খুব আপসেট"।এমনকি জেলা তৃণমূলের সবচেয়ে বেশী চিন্তা বাড়িয়েছে এই শালবনী বিধানসভাই।তাই জেলা সভাপতি অজিত মাইতিকেও বারবার ফোন করে খবর নিতেন এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে।এই দুই জেলাতে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে বিক্ষুব্ধ তৃণমূল ও বিজেপি এবং সিপিআই(এম) একত্রে নির্দল প্রার্থী-দেবার খেলা পঞ্চায়েত নির্বাচনের ময়দানে রীতিমত চিন্তায় রেখেছে তৃনমূলকে।
এর পাশাপাশি দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার মন্দির বাজার থানা এলাকার একাধিক তৃণমূলের নেতারা দল ছাড়তে চলেছেন। দিলীপ জাতুয়া, অজিত নস্কর সহ একাধিক নেতৃত্ব যোগ দিতে চলেছেন গেরুয়া শিবিরে।
তাই তৃণমূলের কাছে এই নির্বাচনে তৃণমূলের মূল শত্রু বিজেপি , কংগ্রেস বা সিপিআই(এম) নয়। তাদের মূল শত্রু এক সময়ের তাদেরই সহযোদ্ধারা। তাই দেখার এই নির্বাচনে তৃণমূল সুপ্রিমো কি করে এই সমস্যার সমাধান করেন, আর সেই দিকে তাকিয়ে রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ।
No comments