দেশের সব থেকে ধনী রাজনৈতিক দল বি জে পি। এর পর কে? জানতে হলে পড়ুন।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ দেশের এক নম্বর দল হল বিজেপি। ঠিক শুনেছেন তবে পরিষ্কার করে বললে ব্যাঙ্ক ব্যালেন্সের ভিত্তিতে দেশের ১ নম্বর দল বিজেপি!! নোট বাতিলের পর দেশের মধ্যে সবথেকে ধনী দল বিজেপি।
ADR অর্থাৎ অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মসের রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৫-১৬ এবং ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে বিজেপির আয় বেড়েছে ৮১.১৮%! ২০১৫-১৬ আর্থিক বর্ষের আয়ের পরিমান ছিল ৫৭০ কোটি ৮৬ লক্ষ আর ২০১৬-১৭ তে সেই আয় বেড়ে দাঁড়ায় ১০৩৪ কোটি ২৭ লক্ষ টাকায়। ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে বিজেপি-র মোট ব্যায়ের পরিমাণ ছিল ৭১০ কোটি ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
তাঁর মধ্যে ৬০৬ কোটি নির্বাচনের পেছনে খরচ হয়েছে। অন্যদিকে প্রায় ১৪% আয় কমেছে কংগ্রেসের। ২০১৫-১৬ আর্থিক বর্ষে কংগ্রেসের আয়ের পরিমান ছিল ২৬১ কোটি ৫৬ লক্ষ, তা ২০১৬-১৭ তে কমে দাঁড়িয়েছে ২২৫ কোটি ৩৬ লক্ষ টাকায়। অর্থাৎ গত অর্থবর্ষের থেকে ৩৬ কোটি কম। কংগ্রেস নির্বাচনের জন্যে খরচ করেছে ১৫০ কোটি টাকা। বিজেপির টাকা এসেছে অনুদান থেকে আর কংগ্রেসের কুপন কেটে!
বিজেপি ও কংগ্রেস ছাড়াও সাতটি রাজনৈতিক দল নির্বাচন কমিশনে নিজেদের আয়-ব্যয়ের খতিয়ান জমা করেছে। বিএসপি, এনসিপি, সিপিআইএম, সি পি আই ও তৃণমূল কংগ্রেসের সামগ্রিক আয় ১৫৫৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা। ব্যয় ১২২৮ কোটি ২৬ লাখ টাকা। ADR-র রিপোর্ট থেকে জানা গেছে, সাতটি জাতীয় রাজনৈতিক দলের মধ্যে চারটি দল গত পাঁচ বছর ধরে দেরি করে অডিট রিপোর্ট জমা করেছে। সেই দলগুলি হল বিজেপি, কংগ্রেস, বিএসপি ও এনসিপি। এদের মধ্যে বিজেপি ও কংগ্রেস নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৬ মাস পরে রিপোর্ট জমা দেয়।
সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন মেনে দেশের রাজনৈতির দলগুলির ব্যাকগ্রাউন্ড ও নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে কাজ করে ADR। তাদের মতে, নির্বাচন কমিশনের একটি নির্দিষ্ট গাইডলাইন মেনে চলা উচিত। যেখানে কোনও রাজনৈতিক দল যদি ২৪ হাজার টাকার বেশি ডোনেশন পায়, তার সব নথিপত্র ব্যাঙ্কের কাছে জমা রাখতে হবে।
ADR অর্থাৎ অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মসের রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৫-১৬ এবং ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে বিজেপির আয় বেড়েছে ৮১.১৮%! ২০১৫-১৬ আর্থিক বর্ষের আয়ের পরিমান ছিল ৫৭০ কোটি ৮৬ লক্ষ আর ২০১৬-১৭ তে সেই আয় বেড়ে দাঁড়ায় ১০৩৪ কোটি ২৭ লক্ষ টাকায়। ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে বিজেপি-র মোট ব্যায়ের পরিমাণ ছিল ৭১০ কোটি ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
তাঁর মধ্যে ৬০৬ কোটি নির্বাচনের পেছনে খরচ হয়েছে। অন্যদিকে প্রায় ১৪% আয় কমেছে কংগ্রেসের। ২০১৫-১৬ আর্থিক বর্ষে কংগ্রেসের আয়ের পরিমান ছিল ২৬১ কোটি ৫৬ লক্ষ, তা ২০১৬-১৭ তে কমে দাঁড়িয়েছে ২২৫ কোটি ৩৬ লক্ষ টাকায়। অর্থাৎ গত অর্থবর্ষের থেকে ৩৬ কোটি কম। কংগ্রেস নির্বাচনের জন্যে খরচ করেছে ১৫০ কোটি টাকা। বিজেপির টাকা এসেছে অনুদান থেকে আর কংগ্রেসের কুপন কেটে!
বিজেপি ও কংগ্রেস ছাড়াও সাতটি রাজনৈতিক দল নির্বাচন কমিশনে নিজেদের আয়-ব্যয়ের খতিয়ান জমা করেছে। বিএসপি, এনসিপি, সিপিআইএম, সি পি আই ও তৃণমূল কংগ্রেসের সামগ্রিক আয় ১৫৫৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা। ব্যয় ১২২৮ কোটি ২৬ লাখ টাকা। ADR-র রিপোর্ট থেকে জানা গেছে, সাতটি জাতীয় রাজনৈতিক দলের মধ্যে চারটি দল গত পাঁচ বছর ধরে দেরি করে অডিট রিপোর্ট জমা করেছে। সেই দলগুলি হল বিজেপি, কংগ্রেস, বিএসপি ও এনসিপি। এদের মধ্যে বিজেপি ও কংগ্রেস নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৬ মাস পরে রিপোর্ট জমা দেয়।
সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন মেনে দেশের রাজনৈতির দলগুলির ব্যাকগ্রাউন্ড ও নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে কাজ করে ADR। তাদের মতে, নির্বাচন কমিশনের একটি নির্দিষ্ট গাইডলাইন মেনে চলা উচিত। যেখানে কোনও রাজনৈতিক দল যদি ২৪ হাজার টাকার বেশি ডোনেশন পায়, তার সব নথিপত্র ব্যাঙ্কের কাছে জমা রাখতে হবে।
No comments