হবু শিক্ষকদের শত্রু! তারাই এখন তৃণমূলের প্রার্থী! ক্ষোভ চাকরি প্রার্থীদের মধ্যে।
নজরবন্দি ব্যুরো: গত পাঁচ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত মাদ্রাসাগুলি শিক্ষকের অভাবে বেহাল অবস্থা।
বহু শিক্ষক-শিক্ষিকারা অপেক্ষাতে আছেন বদলির আশায়। অভিযোগ, পাশ করেও পাচ্ছেনা চাকরী। কারণ মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনে দীর্ঘ দিন চলছে অচলাবস্থা। আদালত থেকে শুরু করে একাধিক নেতা ও মন্ত্রীদের বাড়িতে ছুটে বেড়াচ্ছেন হবু শিক্ষকরা । কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। আর এই থেকে হতাশা পুঞ্জীভূত হয়ে তৈরি হয়েছে ক্ষোভ। আর এই চক্রান্তের পিছনে রয়েছে পূর্ব-মেদিনীপুর জেলার শাসক দলের একটা বড় অংশ।
গুঞ্জন ছিলই, আর এবার পঞ্চায়েত নির্বচনের মনোনয়ন জমা দিতে পরিষ্কার হয়ে গেল শাসক দলের সাথে এই অপরাধীদের গোপন আঁতাতের খবর। এমনটাই অভিযোগ।
আব্দুর রহমান, সম্পাদক, কনটাই রহমানিয়া হাই-মাদ্রাসা, আহমেদ হোসেন শাহ, শিক্ষক, গিমাগেড়্যা ওয়েল ফেয়ার হাই মাদ্রাসা – মূলত এই দুজনকেই মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের অচলাবস্থার মূল চক্রী বলে মনে করেন ওই এলাকার অনেকেই।
আহমেদ হোসেন শাহর বিরুদ্ধে বে-আইনি ভাবে মাদ্রাসার মূল্যবান জমি সিন্ডিকেট করে বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে। জাল প্রতিষ্ঠাতাদের তালিকা বানানো ছাড়াও রয়েছে একাধিক অভিযোগ। এই দুইজনকেই রাজ্যের শাসক দল শাসক দল পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী করেছে।
প্রথম-জন টিকিট পেয়েছেন খাগড়াবনী ও দ্বিতীয়জন কৃষ্ণচক গ্রামের। আহমেদ হোসেন শাহ ও বর্তমানে কাঁথি-১ ব্লকের কৃষ্ণচক গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্য। এমন অপরাধী এবং আদালতে রাজ্য সরকারের কোটি কোটি টাকা খরচ কারি এই দুজন তৃণমূলের টিকিট পেতেই ক্ষোভে ফুঁসছেন চাকরি প্রার্থীদের একটা বড় অংশ।
বহু শিক্ষক-শিক্ষিকারা অপেক্ষাতে আছেন বদলির আশায়। অভিযোগ, পাশ করেও পাচ্ছেনা চাকরী। কারণ মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনে দীর্ঘ দিন চলছে অচলাবস্থা। আদালত থেকে শুরু করে একাধিক নেতা ও মন্ত্রীদের বাড়িতে ছুটে বেড়াচ্ছেন হবু শিক্ষকরা । কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। আর এই থেকে হতাশা পুঞ্জীভূত হয়ে তৈরি হয়েছে ক্ষোভ। আর এই চক্রান্তের পিছনে রয়েছে পূর্ব-মেদিনীপুর জেলার শাসক দলের একটা বড় অংশ।
গুঞ্জন ছিলই, আর এবার পঞ্চায়েত নির্বচনের মনোনয়ন জমা দিতে পরিষ্কার হয়ে গেল শাসক দলের সাথে এই অপরাধীদের গোপন আঁতাতের খবর। এমনটাই অভিযোগ।
আব্দুর রহমান, সম্পাদক, কনটাই রহমানিয়া হাই-মাদ্রাসা, আহমেদ হোসেন শাহ, শিক্ষক, গিমাগেড়্যা ওয়েল ফেয়ার হাই মাদ্রাসা – মূলত এই দুজনকেই মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের অচলাবস্থার মূল চক্রী বলে মনে করেন ওই এলাকার অনেকেই।
আহমেদ হোসেন শাহর বিরুদ্ধে বে-আইনি ভাবে মাদ্রাসার মূল্যবান জমি সিন্ডিকেট করে বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে। জাল প্রতিষ্ঠাতাদের তালিকা বানানো ছাড়াও রয়েছে একাধিক অভিযোগ। এই দুইজনকেই রাজ্যের শাসক দল শাসক দল পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী করেছে।
প্রথম-জন টিকিট পেয়েছেন খাগড়াবনী ও দ্বিতীয়জন কৃষ্ণচক গ্রামের। আহমেদ হোসেন শাহ ও বর্তমানে কাঁথি-১ ব্লকের কৃষ্ণচক গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্য। এমন অপরাধী এবং আদালতে রাজ্য সরকারের কোটি কোটি টাকা খরচ কারি এই দুজন তৃণমূলের টিকিট পেতেই ক্ষোভে ফুঁসছেন চাকরি প্রার্থীদের একটা বড় অংশ।
No comments