৫০% নাম্বারের গেরো!টুকলিতে ধরা! চাকরী হারাতে পারেন বহু শিক্ষক।
নজরবন্দি ব্যুরো: উচ্চমাধ্যমিকে ৫০% নাম্বার না থাকলে কর্মরত প্রাথমিক ও এসএসকে শিক্ষকদের আবার পরীক্ষায় বসে তা অর্জন করার কথা।
ইতিমধ্যে সেই পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হয়ে চাকরি খোয়ানোর খাঁড়া ঝুলছে প্রায় আট হাজার শিক্ষকের উপরে। পাশাপাশি আরও শ’খানেক শিক্ষকের পরীক্ষার খাতা বাতিল করে দেবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল রবীন্দ্র মুক্ত বিদ্যালয়। কারণ, কিছু শিক্ষকরা পাশ করার জন্য অসাধু পথে পরীক্ষা দিয়েছিলেন। ধারও পড়ে যান ওই সব শিক্ষকরা। শিক্ষকদের এই রকম আচরণে অস্বস্তিতে পড়েছেন এই রাজ্যের শিক্ষাবিদরা।
এই পরীক্ষাতে বসেছিলেন প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষক। বেশ কয়েকটি ধাপে সেই পরীক্ষা নেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, প্রায় প্রতিটি পরীক্ষাতে কিছু শিক্ষক টুকলির দায়ে ধরা পড়েন। তাঁদের এই রকম আচরণ নিয়ে বিশেষ পর্যালোচনা করা হয়।
সেইখানে তাঁদেরকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দোষী সাব্যস্ত করে পরীক্ষার খাতা বাতিল করা হয়। স্কুলের ছাত্ররা যেমন কায়দায় টুকলি করে, ঠিক সেই একই রকম কাজ করে এই সব শিক্ষকরা এবং ধরা পড়লেন তাঁরা। এও জানা গিয়েছে, কেউকেউ বই খুলে পরীক্ষাতে বসেছিলেন। আবার কেউ নোটের খাতা নিয়ে টুকতে শুরু করেন।
সংসদের সভাপতি ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, অসাধু উপায়ে অনেক শিক্ষকই পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। তাঁদেরকে ধরে ফেলা হয়। সবকিছু বিচারকরে ওই সব শিক্ষকদের খাতা বাতিল করা হয়েছে। আরও খবর, বাংলা ও ইংরাজিতে এমন ঘটনা অনেক বেশি ঘটেছে।
আর এই খবর প্রকাশ্যে আসার পর জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এই রাজ্যের শিক্ষা মহলে।
ইতিমধ্যে সেই পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হয়ে চাকরি খোয়ানোর খাঁড়া ঝুলছে প্রায় আট হাজার শিক্ষকের উপরে। পাশাপাশি আরও শ’খানেক শিক্ষকের পরীক্ষার খাতা বাতিল করে দেবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল রবীন্দ্র মুক্ত বিদ্যালয়। কারণ, কিছু শিক্ষকরা পাশ করার জন্য অসাধু পথে পরীক্ষা দিয়েছিলেন। ধারও পড়ে যান ওই সব শিক্ষকরা। শিক্ষকদের এই রকম আচরণে অস্বস্তিতে পড়েছেন এই রাজ্যের শিক্ষাবিদরা।
এই পরীক্ষাতে বসেছিলেন প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষক। বেশ কয়েকটি ধাপে সেই পরীক্ষা নেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, প্রায় প্রতিটি পরীক্ষাতে কিছু শিক্ষক টুকলির দায়ে ধরা পড়েন। তাঁদের এই রকম আচরণ নিয়ে বিশেষ পর্যালোচনা করা হয়।
সেইখানে তাঁদেরকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দোষী সাব্যস্ত করে পরীক্ষার খাতা বাতিল করা হয়। স্কুলের ছাত্ররা যেমন কায়দায় টুকলি করে, ঠিক সেই একই রকম কাজ করে এই সব শিক্ষকরা এবং ধরা পড়লেন তাঁরা। এও জানা গিয়েছে, কেউকেউ বই খুলে পরীক্ষাতে বসেছিলেন। আবার কেউ নোটের খাতা নিয়ে টুকতে শুরু করেন।
সংসদের সভাপতি ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, অসাধু উপায়ে অনেক শিক্ষকই পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। তাঁদেরকে ধরে ফেলা হয়। সবকিছু বিচারকরে ওই সব শিক্ষকদের খাতা বাতিল করা হয়েছে। আরও খবর, বাংলা ও ইংরাজিতে এমন ঘটনা অনেক বেশি ঘটেছে।
আর এই খবর প্রকাশ্যে আসার পর জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এই রাজ্যের শিক্ষা মহলে।
No comments