ফের অশালীন। এবার ফেসবুকে "বাঁশ" দিলেন তৃণমূল সাংসদ! কৌশল ?
নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত কয়েকদিন ধরেই ফেসবুকে পর পর দলবিরোধী পোষ্ট করছেন বোলপুরের সাংসদ অনুপম হাজরা। সেই কারণে দলে মহা সচিবের কাছে তিরস্কৃত জয়েছেন তিনি। পার্থ বাবু বলেছিলেন বারবার বিতর্ক তৈরি করে দলকে বিব্রত করছেন অনুপম। এসব করলে দল ছেড়ে দিয়ে করতে হবে। এখানেই শেষ হয়নি তৃণমূলের সংসদীয় দল অনুপমের কাছে তাঁর বক্তব্যের ব্যাখ্যা চেয়েছে।
কারন কয়েকদিন আগে গান্ধীজি এবং নথুরাম গডসে কে নিয়ে একটি বিতর্কিত পোষ্ট করেছিলেন তিনি।
সেই পোষ্ট
দলের মহাসচিবের ধমক খাওয়ার পরে ২৪ ঘন্টাও কাটতে না কাটতেই দলকে আবার বিড়ম্বনায় ফেলেছিলেন অনুপম। লিখেছিলেন, "দলের জন্মদাত্রীর ন্যায়-নীতি আদর্শ অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলার কোনও মূল্যই কি নেই এই দলে? এখানেই প্রশ্ন উঠছে কোন নিয়ম নিতি মেনে চলার কথা বলছেন তিনি? কিছুদিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে তাঁর হার্দিক সখ্যতার কথা বলে আক্রমন করেছিলেন রাজ্যের কংগ্রেস কে সেখানে তাঁর দলেন একজন এমপি গান্ধীজি কে নিয়ে বিতর্কিত পোষ্ট করলে শৃঙ্খলাভঙ্গ হয়না কি?
সেই পোষ্ট
"অনুব্রত কাকু-র" উদ্দেশ্যেও কটাক্ষভরা পোষ্ট করেছিলেন কয়েকদিন আগে। তাঁর ধারাবাহিক কির্তির জন্যে এবং গাঁধীজিকে নিয়ে কূট মন্তব্য করায় দল তাঁকে শোকজ করে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি। আর এবার তৈরি করলেন নতুন অস্বস্তি। রবিবার গভীর রাতে একটি পোস্ট করেছেন অনুপম হাজরা। উল্লেখ্য, গত সাধারণ বাজেটে উত্তর-পূর্বের রাজ্যে বাঁশ চাষের জন্য ১২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। সেই কথা উল্লেখ করে অনুপম লিখেছেন, এবার ত্রিপুরার মানুষ শীঘ্রই ‘বাঁশ’ টের পাবেন।
বাঁশ শব্দটি মজা করে বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত যেভাবেই লেখা হোক না কেন, চলতি ভাষায় বাঁশ - অশালীন ও কুরুচিকর শব্দ।আর এই ভাবেই নিজের বহিষ্কারের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন এই তৃণমূল সাংসদ। বহিষ্কারের সম্ভাবনাই বেশি এবং যে কোনও মুহূর্তে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করার জন্য লোকসভায় তৃণমূল দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৈরি থাকতে বলা হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে ।
অন্যদিকে নির্ভর যোগ্য সূত্র আরও জানাচ্ছে রাজ্যের গেরুয়া শিবির তথা মুকুল রায়ের সঙ্গে বেশ ভালই যোগাযোগ রেখে চলেছেন সাংসদ অনুপম। কথা বলা শুরু করেছেন কৈলাশ বিজয়বর্গীর সঙ্গে একটি মাধ্যম কে ব্যাবহার করে। সব মোটামুটি ঠিক হয়ে গেলে তাঁর পর গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার মিটিং হবে। কৈলাশের সঙ্গে অনুপমের সেতু বন্ধন করছেন মুকুল রায় বলে খবর সূত্রে। কৈলাশ বিজয়বর্গী রাজীও হয়েছেন মিটিং এ বসতে বলে জানাচ্ছে নির্ভরযোগ্য সূত্র। ২টি প্রশ্ন উঠছে, ১) তাহলে কি বহিষ্কৃত হতে চান অনুপম? ২) অরুন জেটলি ও বাঁশ কি তাহলে চিত্রনাট্যের অংশ।
https://www.facebook.com/anupam.hazra.37/posts/10211802796010935
কারন কয়েকদিন আগে গান্ধীজি এবং নথুরাম গডসে কে নিয়ে একটি বিতর্কিত পোষ্ট করেছিলেন তিনি।
সেই পোষ্ট
দলের মহাসচিবের ধমক খাওয়ার পরে ২৪ ঘন্টাও কাটতে না কাটতেই দলকে আবার বিড়ম্বনায় ফেলেছিলেন অনুপম। লিখেছিলেন, "দলের জন্মদাত্রীর ন্যায়-নীতি আদর্শ অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলার কোনও মূল্যই কি নেই এই দলে? এখানেই প্রশ্ন উঠছে কোন নিয়ম নিতি মেনে চলার কথা বলছেন তিনি? কিছুদিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে তাঁর হার্দিক সখ্যতার কথা বলে আক্রমন করেছিলেন রাজ্যের কংগ্রেস কে সেখানে তাঁর দলেন একজন এমপি গান্ধীজি কে নিয়ে বিতর্কিত পোষ্ট করলে শৃঙ্খলাভঙ্গ হয়না কি?
সেই পোষ্ট
"অনুব্রত কাকু-র" উদ্দেশ্যেও কটাক্ষভরা পোষ্ট করেছিলেন কয়েকদিন আগে। তাঁর ধারাবাহিক কির্তির জন্যে এবং গাঁধীজিকে নিয়ে কূট মন্তব্য করায় দল তাঁকে শোকজ করে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি। আর এবার তৈরি করলেন নতুন অস্বস্তি। রবিবার গভীর রাতে একটি পোস্ট করেছেন অনুপম হাজরা। উল্লেখ্য, গত সাধারণ বাজেটে উত্তর-পূর্বের রাজ্যে বাঁশ চাষের জন্য ১২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। সেই কথা উল্লেখ করে অনুপম লিখেছেন, এবার ত্রিপুরার মানুষ শীঘ্রই ‘বাঁশ’ টের পাবেন।
বাঁশ শব্দটি মজা করে বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত যেভাবেই লেখা হোক না কেন, চলতি ভাষায় বাঁশ - অশালীন ও কুরুচিকর শব্দ।আর এই ভাবেই নিজের বহিষ্কারের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন এই তৃণমূল সাংসদ। বহিষ্কারের সম্ভাবনাই বেশি এবং যে কোনও মুহূর্তে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করার জন্য লোকসভায় তৃণমূল দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৈরি থাকতে বলা হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে ।
অন্যদিকে নির্ভর যোগ্য সূত্র আরও জানাচ্ছে রাজ্যের গেরুয়া শিবির তথা মুকুল রায়ের সঙ্গে বেশ ভালই যোগাযোগ রেখে চলেছেন সাংসদ অনুপম। কথা বলা শুরু করেছেন কৈলাশ বিজয়বর্গীর সঙ্গে একটি মাধ্যম কে ব্যাবহার করে। সব মোটামুটি ঠিক হয়ে গেলে তাঁর পর গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার মিটিং হবে। কৈলাশের সঙ্গে অনুপমের সেতু বন্ধন করছেন মুকুল রায় বলে খবর সূত্রে। কৈলাশ বিজয়বর্গী রাজীও হয়েছেন মিটিং এ বসতে বলে জানাচ্ছে নির্ভরযোগ্য সূত্র। ২টি প্রশ্ন উঠছে, ১) তাহলে কি বহিষ্কৃত হতে চান অনুপম? ২) অরুন জেটলি ও বাঁশ কি তাহলে চিত্রনাট্যের অংশ।
https://www.facebook.com/anupam.hazra.37/posts/10211802796010935
No comments