Header Ads

মুখ্যমন্ত্রীর সভাতে অনুপস্থিত শুভেন্দু!! পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে জল্পনা বাড়ছে।

নজরবন্দি ব্যুরো: মুকুল রায় তৃণমূল ছাড়ার পর থেকে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন ছিলো, দল ছাড়তে পারেন বেশকিছু তৃণমূল নেতারা। আর সেই তালিকাতে প্রথমের দিকে নাম ছিলো শুভেন্দু অধিকারি। তবে তৃণমূলের এই হেভি-ওয়েট নেতা এই খবরকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
নিন্দুকেরা বলে মুখে যাই বলুক মন্ত্রীর এই দল ছাড়ার খবরকে পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায়না। কারণ, শুভেন্দু বাবু তৃণমূলের অনেক সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট ছিলেন না। বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রী ভরতী ঘোষকে পশ্চিম মেদিনীপুরের দায়িত্ব দেবার সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি মটেই সন্তুষ্ট ছিলেন না। তাই মুকুল রায় দল ছাড়ার পর দলের শক্তি ধরে রাখতে ভারতী ঘোষকে সরিয়ে শুভেন্দু কে কাছে টানতে চেয়ে ছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
তার পরে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন তৃণমূল দল কোন দিন উঠে যাবেনা। কারণ হিসাবে তিনি বলে ছিলেন তাঁর পরবর্তী প্রজন্মের নেতা অভিষেক ও শুভেন্দু তৈরি।
এক কথায় বললে বিভিন্ন কায়দায় মুকুল রায় দল ছাড়ার পর যাতে না শুভেন্দুর মতন নেতা বিজেপিতে যায়, সেটা আটকাতে বারবার এভাবেই কৌশলী চেষ্টা চালিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।




কিন্তু বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রীর সফরে শুভেন্দু বাবুকে সেইভাবে দেখা যাচ্ছেনা। আর এই নিয়ে আবার ও তৈরি হয়েছে বিতর্ক।

জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে টানা জেলা সফরের কর্মসূচি নিয়ে গত ১২ ফেব্রুয়ারি নদীয়া থেকে মুখ্যমন্ত্রী সফর শুরু করেছিলেন।
১২ ও ১৩ ফেব্রুয়ারি নদীয়ায় সফরের পরেই ছিলো জঙ্গলমহল সফরের কর্মসূচি। ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি ঝাড়গ্রাম এলাকায় মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি অনুষ্ঠান ছিল। জঙ্গলমহল সফর শেষে মুখ্যমন্ত্রীর সফরের তালিকায় ছিল মুর্শিদাবাদ ও মালদহ। তালিকার ছিল উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরও।

মুখ্যমন্ত্রীর সর্বশেষ জেলা সফর কর্মসূচিতে থাকা অন্তত তিনটি জেলা ঝাড়গ্রাম, মুর্শিদাবাদ ও মালদহে দলের শক্তি ধরে রাখার পুরো দায়িত্বে পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারির। শুভেন্দু এই জেলাগুলিতে কাজও করছেন তার বহু উদাহরণ আছে। কংগ্রেসের গড়ে ফাটল ধরাতে পুরোপুরি সফল হয়েছেন শুভেন্দু- বাবু।



অথচ মুখ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিকতম ওই তিন জেলা( ঝাড়গ্রাম, মুর্শিদাবাদ এবং মালদহে)
সফরে সেনাপতি শুভেন্দু অধিকারির না থাকা, নিশ্চিতভাবেই তৃণমূলের অন্দরে শুধু নয় রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে জোর জল্পনা। তাহলে কি আশঙ্কা সত্যি হতে চলেছে? উত্তর দেবে সময়।

No comments

Theme images by lishenjun. Powered by Blogger.