ছত্রধর মুখ খুললে বিপদ শুধু মুখ্যমন্ত্রীর? দায় নেই মুকুলের?এক যাত্রায় পৃথক ফল বিজেপির সৌজন্যে?
নজরবন্দি ব্যুরো: রবিবার ঝাড়গ্রামের বিজেপির জনসভায় মুকুল রায় বলেন, ছত্রধর চিরকাল জেল খাটবেন। কারণ তিনি জেল থেকে মুখ খললে মমতার মুখোশ খুলে যাবে।
মুকুল আরও বলেন, এক সময়ে ছত্রধর মাহাত মমতাকে সাহায্য করেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হতে। রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী তৎকালীন বিরোধী নেত্রীকে বাইকের পিছনে চাপিয়ে লালগড় ঘুরিয়ে ছিলেন ছত্রধর মাহাত। গোটা ঝাড়গ্রামে বামেদের শেষ করার পিছনে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে সাহায্য করে আজ ছত্রধর মাহাত জেলে। মমতাকে যারাই সাহায্য করে ছিলেন তারাই সবাই এখন জেলে ।এর পর তিনি বলেন , সাহস থাকলে ছত্রধরকে কথা বলতে দিন। একদিনে মমতার মুখোশ খুলে যাবে।তাই এই সরকার কখনই ছত্রধরকে মুক্তি দেবে না।
রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ মুকুল রায়ের এই বক্তব্যের পরে বেশকিছু প্রশ্ন তুলছেন।
যখন নন্দীগ্রামে সিপিআই(এম) নিধন চলছে তিনি সেই সময় তৃণমূলেরই সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিলেন। তিনি তখন কেন চুপ ছিলেন? তৃণমূল নেতা সুভাপ্রসন্নের বাড়িতে ছত্রধর মাহাত সহ বেশকিছু মাও নেতাদের বৈঠক করার অভিযোগ আছে, সেখানে-তো মুকুল রায় নিজেই উপস্থিত ছিলেন। এমনটাই শোনা যায়।
নন্দীগ্রামে আন্দোলনে ব্লু-প্রিন্ট কে বানিয়ে ছিলেন? সেই ব্যক্তির নাম মুকুল রায়। এমনটাই অভিযোগ। নন্দীগ্রামের আন্দোলনে স্থানীয়দের যে প্রতিরোধ, সেই প্রতিরোধের সামনের সারিতে থাকবে মহিলা ও শিশু । এই প্ল্যান কার তৈরি।এই নিয়ে মুকুল রায়ের কি বক্তব্য। নন্দীগ্রাম এলাকার অনেকেরই বক্তব্য, ছত্রধর মাহাতকে স্বাধীন ভাবে কথা বলতে দিলে শুধু মুখ্যমন্ত্রী বেকায়দায় পড়বে তা নয়, অনেক বেশি সমস্যাতে পড়বেন মুকুল রায় নিজে! কারণ তিনিই তখন ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর ছায়া সঙ্গী।
মুকুল আরও বলেন, এক সময়ে ছত্রধর মাহাত মমতাকে সাহায্য করেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হতে। রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী তৎকালীন বিরোধী নেত্রীকে বাইকের পিছনে চাপিয়ে লালগড় ঘুরিয়ে ছিলেন ছত্রধর মাহাত। গোটা ঝাড়গ্রামে বামেদের শেষ করার পিছনে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে সাহায্য করে আজ ছত্রধর মাহাত জেলে। মমতাকে যারাই সাহায্য করে ছিলেন তারাই সবাই এখন জেলে ।এর পর তিনি বলেন , সাহস থাকলে ছত্রধরকে কথা বলতে দিন। একদিনে মমতার মুখোশ খুলে যাবে।তাই এই সরকার কখনই ছত্রধরকে মুক্তি দেবে না।
রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ মুকুল রায়ের এই বক্তব্যের পরে বেশকিছু প্রশ্ন তুলছেন।
যখন নন্দীগ্রামে সিপিআই(এম) নিধন চলছে তিনি সেই সময় তৃণমূলেরই সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিলেন। তিনি তখন কেন চুপ ছিলেন? তৃণমূল নেতা সুভাপ্রসন্নের বাড়িতে ছত্রধর মাহাত সহ বেশকিছু মাও নেতাদের বৈঠক করার অভিযোগ আছে, সেখানে-তো মুকুল রায় নিজেই উপস্থিত ছিলেন। এমনটাই শোনা যায়।
নন্দীগ্রামে আন্দোলনে ব্লু-প্রিন্ট কে বানিয়ে ছিলেন? সেই ব্যক্তির নাম মুকুল রায়। এমনটাই অভিযোগ। নন্দীগ্রামের আন্দোলনে স্থানীয়দের যে প্রতিরোধ, সেই প্রতিরোধের সামনের সারিতে থাকবে মহিলা ও শিশু । এই প্ল্যান কার তৈরি।এই নিয়ে মুকুল রায়ের কি বক্তব্য। নন্দীগ্রাম এলাকার অনেকেরই বক্তব্য, ছত্রধর মাহাতকে স্বাধীন ভাবে কথা বলতে দিলে শুধু মুখ্যমন্ত্রী বেকায়দায় পড়বে তা নয়, অনেক বেশি সমস্যাতে পড়বেন মুকুল রায় নিজে! কারণ তিনিই তখন ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর ছায়া সঙ্গী।
No comments