Header Ads

কর্ণাটকের ভোট প্রচারে বিজেপি পেছনে ফেললো শাসক কংগ্রেসকে।

নজরবন্দি,ব্যাংগালুরু: লাল দুর্গ ভেঙ্গে ত্রিপুরা জয় করার পর বিজেপি যে এবার সর্ব শক্তি দিয়ে কর্ণাটক দখল করতে মরিয়া ভাবে ঝাঁপাবে তা বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ প্রেস কনফারেন্সেসে তা ঘটা করে না বললেই পারতেন।
এতো জানা কথা তা ব্যাংগালোরের আনাচে কানাচে কান পাতলেই তা শোনা যাচ্ছে। তেমনি রাজ্য রাজনীতির অলিন্দে কান পাতলেও সেই এক গুঞ্জন শুনতে পাওয়া যাচ্ছে। কি কংগ্রেস, কি জনতা দল ( এস), বি এস পি সহ অন্যান্য দলগুলির অন্দর মহলে। যদিও গতকাল সরকারি ভাবে ও আজ দলিয় স্তরে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধামাইয়া জানিয়ে দিয়েছেন বিজেপির এই জয়ে কোন প্রভাব এই রাজ্যের ভোটে পড়বে না। তবে অন্যান্য দলও কংগ্রেস নেতৃত্বর মত তাদের মনোবল চাংগা রাখতে এক পথেই হাটতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু তলে তলে তারাও বিজেপি র এই অগ্রাসি ভূমিকা রুখতে কি পন্থা অবলম্বন করবেন তার সুলুক সন্ধানে ব্যস্ত হলেও। তার কুল কিনারা খুঁজে পাচ্ছেন না বলেই জানা গেছে। কর্ণাটকে এখনও বিধানসভার ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা না হলেও ইতিমধ্যেই কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী ও বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ দু দুবার কর্ণাটকে আগাম ভোটের প্রচার সেরে ফেলেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেরে ফেলেছেন তার দু-দফায় আগাম ভোটের প্রচার। তাতে সাড়া ও পেয়েছেন ভালই।আবারও আসছেন ১৩ মার্চ।

বিজেপির নেতা তথা দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এসে তার প্রথম সভা থেকেই ক্ষমতাসীন সিদ্ধামাইয়ার কংগ্রেস সরকারকে চোরেদের সরকার আখ্যা দিয়ে যে সুর বেধে দিয়ে গেছেন। সেই চড়া সুরেই বিজেপির অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতা মন্ত্রীরা এসে সেই সুরেই আক্রমণ শানাচ্ছে কংগ্রেস সরকারকে। তার জবাব দিতে নাজেহাল হতে হচ্ছে। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনন্ত কুমার রাজ্যে ঘাটি গেড়ে বসে রয়েছে। তার নেতৃত্ব চলছে বিজেপির ব্যাপী পরিবর্তন যাত্রা।কংগ্রেস ও বসে নেই সেই দেখাদেখি তারাও শুরু করেছে নব কর্ণাটক গড়ে তোলার মত যাত্রা। যদিও মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধামাইয়ার সরকার বিধানসভা ভোটের আগে নিয়ম রক্ষার বাজেটে জনগণের জন্য নানান উপঢৌকন দেওয়ার মত জনমোহীনি ছাড় ঘোষণা করে পালটা প্রাধানমন্ত্রীকে আক্রমন করে তাকে চোরেদের রাজা বলে আখ্যা দিতে ছাড়েন নি। তবে এসব করেও তিনি শ্যাম রাখি না কুল রাখি তার কুল কিনারা কিছুই খুঁজে পাচ্ছেন না।তার উপর গোদের উপর বিষ ফোড়ার মত রয়েছে অতি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া দুটি ঘটনা যা জনমানসে ভালই প্রভাব পড়েছে বলে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের ধারনা। যা আগামী ভোটে কংগ্রেসকে ভালই বেগ দেবে।

এক নম্বর হলো সংখ্যালঘুদের মন পেতে অর্ডিন্যান্স করে ঢালাও জেল থেকে বিভিন্ন ঘটনায় জড়িত খুন, ডাকাতি, ও অন্যান্য অপরাধের সাথে যুক্ত অপরাধীদের উপর থেকে মামলা প্রত্যাহার করে তাদের মুক্ত করে দেওয়া। দ্বিতীয়টি হলো এক কংগ্রেস বিধায়কের ছেলে এক "বারে " ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর সহ নিরীহ ব্যক্তিদের মারধোর করে রাজ্য রাজনীতিতে সোর গোল ফেলে দেওয়ার ঘটনা। যা বিজেপির প্রচারকে আরো সহজ করে দিয়েছে। এত কিছুর পরও না আঁচালে বিশ্বাস নেই এর মত একটা বিষয় রাজ্য রাজনীতির অন্দর মহলে ঘুড়পাক খাচ্ছে কার মুখে চায়ের কাপ আর ঠোঁটের মধ্যে শেষ মেষ ফারাক থেকে যায়। তবে একথা বলাই যায় ভারত বর্ষের ম্যাপের মধ্যে সবুজে ঢাকা এই রাজ্য গেরুয়া রঙ এ রাঙিয়ে দিতে বিজেপি পেশি শক্তি থেকে অর্থ শক্তি কোন কিছুতেই পিছপা হবেনা।

No comments

Theme images by lishenjun. Powered by Blogger.