মুখে 'জয় হিন্দ' ধ্বনি! আইনি পথে তৃণমূলকে বেকায়দায় ফেলার পন ভারতীর।
নজরবন্দি ব্যুরো: এক ব্যক্তির আদালতে দায়ের করা তোলাবাজির মতন গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে গত কাল সকালে ভারতী ঘোষের নাকতলার বাড়িতে তল্লাশি চালায় সি আইডি। এর পাশাপাশি তল্লাশি চালানো হয় ছয় পুলিশকর্মীর বাড়িতেও।
বেলদা থানার ভারতী ঘনিষ্ঠ ওসি প্রদীপ রথকে ক্লোজ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রথমে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি প্রাক্তন পুলিশ সুপার ভারতী ঘোষের তরফ থেকে। তবে, একটি মেসেজ করে ভারতী জানিয়েছেন, যার সত্যতা যাচাই করেনি নজরবন্দি ডট ইন। “আজ যা হল তা ভারত ও বাংলার মানুষের উপর ছেড়ে দিচ্ছি। কলকাতায় ফিরে এই ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেব।”
তিনি বলেন, এখন কলকাতার বাইরে আছি। আমি শুনেছি, নাকতলায় আমার স্বামীর বাড়িতে রেড করা হয়েছে। কোনও কাগজ হস্তান্তরিত করা হয়নি। কোনও তথ্যও দেওয়া হয়নি। কেন আমাদের বাড়িতে হানা দেওয়া হল ? আমার স্বামী রাজুকে একটা ঘরে ঢুকিয়ে তালাবন্ধ করে রাখা হয়েছিল। গোটা বাড়িটা উলটপালট করে দেওয়া হয়েছে। আমার স্বামীকে আইনজীবীর কাছে ফোন পর্যন্ত করতে দেওয়া হয় নি।
তিনি দাবি করেন, সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে রাষ্ট্রসংঘ, ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটি ও পশ্চিমবঙ্গের জন্য তিনি কাজ করেছেন। শৌর্য চক্রের জন্য আমার নামও সুপারিশ করা হয়ে ছিলো। আমার স্বেচ্ছা অবসরের আগে প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেলের জন্য নাম সুপারিশ করেছিলেন আমার সিনিয়র। পদত্যাগ পত্রে তিনি নাকি জানিয়ে ছিলেন, মেডেল গ্রহণ করতে তিনি ইচ্ছুক নয়। কারণ, তিনি আর পুলিশের চাকরিতে বহাল থাকতে রাজি নয়। কোনও আলোচনা না করেই তাঁকে পশ্চিমবঙ্গ সরকার বদলি করে দেয়। আজ যা ঘটছে তা ভারত ও বাংলার জনগণের উপর ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। কলকাতায় ফিরে আইনি পথে ব্যবস্থা নেবেন বলে তিনি জানান।এর পরেই তিনি 'জয় হিন্দ' উচ্চারণ করে নিজের অভিযোগ শেষ করেন।
বেলদা থানার ভারতী ঘনিষ্ঠ ওসি প্রদীপ রথকে ক্লোজ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রথমে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি প্রাক্তন পুলিশ সুপার ভারতী ঘোষের তরফ থেকে। তবে, একটি মেসেজ করে ভারতী জানিয়েছেন, যার সত্যতা যাচাই করেনি নজরবন্দি ডট ইন। “আজ যা হল তা ভারত ও বাংলার মানুষের উপর ছেড়ে দিচ্ছি। কলকাতায় ফিরে এই ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেব।”
তিনি বলেন, এখন কলকাতার বাইরে আছি। আমি শুনেছি, নাকতলায় আমার স্বামীর বাড়িতে রেড করা হয়েছে। কোনও কাগজ হস্তান্তরিত করা হয়নি। কোনও তথ্যও দেওয়া হয়নি। কেন আমাদের বাড়িতে হানা দেওয়া হল ? আমার স্বামী রাজুকে একটা ঘরে ঢুকিয়ে তালাবন্ধ করে রাখা হয়েছিল। গোটা বাড়িটা উলটপালট করে দেওয়া হয়েছে। আমার স্বামীকে আইনজীবীর কাছে ফোন পর্যন্ত করতে দেওয়া হয় নি।
তিনি দাবি করেন, সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে রাষ্ট্রসংঘ, ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটি ও পশ্চিমবঙ্গের জন্য তিনি কাজ করেছেন। শৌর্য চক্রের জন্য আমার নামও সুপারিশ করা হয়ে ছিলো। আমার স্বেচ্ছা অবসরের আগে প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেলের জন্য নাম সুপারিশ করেছিলেন আমার সিনিয়র। পদত্যাগ পত্রে তিনি নাকি জানিয়ে ছিলেন, মেডেল গ্রহণ করতে তিনি ইচ্ছুক নয়। কারণ, তিনি আর পুলিশের চাকরিতে বহাল থাকতে রাজি নয়। কোনও আলোচনা না করেই তাঁকে পশ্চিমবঙ্গ সরকার বদলি করে দেয়। আজ যা ঘটছে তা ভারত ও বাংলার জনগণের উপর ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। কলকাতায় ফিরে আইনি পথে ব্যবস্থা নেবেন বলে তিনি জানান।এর পরেই তিনি 'জয় হিন্দ' উচ্চারণ করে নিজের অভিযোগ শেষ করেন।
No comments