আইনজীবীদের প্রশ্ন, ডিএ কেন দেবেনা রাজ্য সরকার? আজ আবার শুনানি।
নজরবন্দি ব্যুরো: অন্য রাজ্যের সরকারী কর্মীরা মহার্ঘ্যভাতা পান কেন্দ্রীয় হারে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার তা অনেক দেরিতে পায়। আবার কেন্দ্রীয় হারে রাজ্য সরকারী কর্মীরা তা পান না। ২০০৯ সাল থেকে কেন্দ্রের তুলনায় অনেক দেরিতে ডিএ দেওয়া শুরু হয়েছে এই রাজ্যে। আর এই কারণে ৩৯ শতাংশ বকেয়া ডিএ পড়ে আছে এখনও।
সোমবার হাইকোর্টে বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত ও বিচারপতি শেখর ববি শরাফের এজলাসে এই বক্তব্য রাখেন কর্মী
সংগঠনের পক্ষের আইনজীবী সর্দার আমজাদ আলি ও প্রবীর চট্টোপাধ্যায়। আমজাদ সাহেব বলেন, রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদের কর্মীরা কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পেয়েছেন। এটা ঠিক, পর্ষদ চলে কোম্পানির আইন অনুসারে। চেন্নাইতে রাজ্য সরকারের যুব আবাসনে কর্মরতরা কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পেয়েছেন। তাহলে এই রাজ্যের কর্মীরা কেন বঞ্চিত হবেন? প্রশ্ন তোলেন কর্মী সংগঠনের আইনজীবীরা। আজ আবার শুনানি।
সোমবার হাইকোর্টে বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত ও বিচারপতি শেখর ববি শরাফের এজলাসে এই বক্তব্য রাখেন কর্মী
সংগঠনের পক্ষের আইনজীবী সর্দার আমজাদ আলি ও প্রবীর চট্টোপাধ্যায়। আমজাদ সাহেব বলেন, রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদের কর্মীরা কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পেয়েছেন। এটা ঠিক, পর্ষদ চলে কোম্পানির আইন অনুসারে। চেন্নাইতে রাজ্য সরকারের যুব আবাসনে কর্মরতরা কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পেয়েছেন। তাহলে এই রাজ্যের কর্মীরা কেন বঞ্চিত হবেন? প্রশ্ন তোলেন কর্মী সংগঠনের আইনজীবীরা। আজ আবার শুনানি।
No comments