রিগিং,সন্ত্রাসকে হারিয়ে বিজেপির উত্থান! পঞ্চায়েতে ঘাসফুলকে ছাঁটার নতুন সূত্র? পোস্ট এডিট।
অরুণাভ সেনঃ সবং, নোয়াপাড়া, উলুবেড়িযা তিনটি উপনির্বাচনের একটি আসনেও বিজেপি জয়ের হাসি হাসতে পারেনি৷ অথচ সাম্প্রতিক সময়গুলিতে মিডিয়া বা সোশ্যাল মিডিয়ায়, বা পাড়ার রাজনীতির আলোচনার সিংহভাগ জুড়ে ছিলো রাজ্য রাজনীতিতে বিজেপির উত্থান৷ অতি উৎসাহী বিজেপি সমর্থকরা হয়তো আশাবাদী ছিলেন, কোথাও বিজেপি হয়ত তৃণমূলকে পরাজিত করে মিরাকেল ঘটাবে! অনেকেই বলছেন বিপুল ব্যবধানে প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে তৃণমূল আসলে নির্বাচনগুলিকে প্রহসনে পরিণত করেছে, বিশেষত সেই সবং উপনির্বাচন থেকে বুথওয়ারি ফলে অস্বস্তি ঢাকতে পারছেনা তৃণমূল৷ কিন্তু তার অর্থ এই নয়, তৃণমূলের জনসমর্থন কমছে বা বিরোধীদের জোর করে হারানো হয়েছে৷
আসলে বিরোধীরা ভোটের দিন কিভাবে শাসকের চোখে চোখ রেখে ভোট করতে হয় সেটাই ভুলতে বসেছেন৷ শাসকের সন্ত্রাসে বিরোধীদের হার, এই আপ্তবাক্য বোধহয় রাজ্যের বেশীরভাগ মানুষ আর শুনতে রাজি নন, তেমনই সম্ভবত একথা স্বীকার করবেন রাজ্যের বিরোধী দলগুলির নেতা, নেত্রীরা৷ তবে উলুবেড়িয়া ও নোয়াপাড়ায় বিজেপির দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা রাজ্য রাজনীতিতে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ন৷
কংগ্রেসের মত বামেরাও এই উপনির্বাচনের পর রাজ্য রাজনীতিতে প্রান্তিক শক্তিতে পরিণত হবে কিনা ভবিষ্যত বলবে, কিন্তু পঞ্চায়েত ভোটের আগে বিজেপির শক্তিকে আর খাটো করে দেখতে পারবে না তৃণমূল নেতৃত্ব, বুঝিয়ে দিলো নোয়াপাড়া এবং উলুবেড়িয়া৷ যদিও বিজেপির নেতা, কর্মীদের দ্বিতীয় হয়ে আত্মসন্তুষ্টিতে ভুগলে চলবে না, বরং এখন থেকেই তাদের পঞ্চায়েত ভোটের প্রস্তুতি শুরু করতে হবে৷ অনেকেরই আশঙ্কা পঞ্চায়েত ভোটে শাসকের সন্ত্রাস আরও বাড়বে, কিন্তু সেই সন্ত্রাসকে অতিক্রম করে কিভাবে জয়ের স্বাদ পাওয়া যায় সেই পথ বিজেপিকেই খুঁজে বের করতে হবে৷
উলুবেড়িয়া বা নোয়াপাড়ায় অনেক বুথে বিজেপি জিতেছে, এর থেকে প্রমাণিত হয়, পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলকে হারানো সম্ভব৷ এমন নয় সেখানে শাসকের সন্ত্রাস ছিলো না, কিন্তু নোয়াপাড়া বা উলুবেড়িয়াতে বিজেপির জেতা বুথগুলিতে বিজেপির কর্মীরা শাসকের সন্ত্রাসের মোকাবিলা করতে পেরেছেন৷ আসলে রিগিং,সন্ত্রাসের মধ্যেও জয়ের রাস্তা খুঁজে পাওয়া যায়, নোয়াপাড়া, উলুবেড়িয়ার কিছু বুথে বিজেপি কর্মীরা সেটাই প্রমাণ করেছেন৷ এই বুথগুলি আগামীদিনে বিজেপির জন্য মডেল হোক, এবং সাংগঠনিক স্তরে প্রচার করা হোক, তাহলে হয়ত আর দ্বিতীয় নয়, পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যের বহু আসনে জয়ের হাসি হাসবেন বিজেপি প্রার্থীরা৷
আসলে বিরোধীরা ভোটের দিন কিভাবে শাসকের চোখে চোখ রেখে ভোট করতে হয় সেটাই ভুলতে বসেছেন৷ শাসকের সন্ত্রাসে বিরোধীদের হার, এই আপ্তবাক্য বোধহয় রাজ্যের বেশীরভাগ মানুষ আর শুনতে রাজি নন, তেমনই সম্ভবত একথা স্বীকার করবেন রাজ্যের বিরোধী দলগুলির নেতা, নেত্রীরা৷ তবে উলুবেড়িয়া ও নোয়াপাড়ায় বিজেপির দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা রাজ্য রাজনীতিতে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ন৷
কংগ্রেসের মত বামেরাও এই উপনির্বাচনের পর রাজ্য রাজনীতিতে প্রান্তিক শক্তিতে পরিণত হবে কিনা ভবিষ্যত বলবে, কিন্তু পঞ্চায়েত ভোটের আগে বিজেপির শক্তিকে আর খাটো করে দেখতে পারবে না তৃণমূল নেতৃত্ব, বুঝিয়ে দিলো নোয়াপাড়া এবং উলুবেড়িয়া৷ যদিও বিজেপির নেতা, কর্মীদের দ্বিতীয় হয়ে আত্মসন্তুষ্টিতে ভুগলে চলবে না, বরং এখন থেকেই তাদের পঞ্চায়েত ভোটের প্রস্তুতি শুরু করতে হবে৷ অনেকেরই আশঙ্কা পঞ্চায়েত ভোটে শাসকের সন্ত্রাস আরও বাড়বে, কিন্তু সেই সন্ত্রাসকে অতিক্রম করে কিভাবে জয়ের স্বাদ পাওয়া যায় সেই পথ বিজেপিকেই খুঁজে বের করতে হবে৷
উলুবেড়িয়া বা নোয়াপাড়ায় অনেক বুথে বিজেপি জিতেছে, এর থেকে প্রমাণিত হয়, পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলকে হারানো সম্ভব৷ এমন নয় সেখানে শাসকের সন্ত্রাস ছিলো না, কিন্তু নোয়াপাড়া বা উলুবেড়িয়াতে বিজেপির জেতা বুথগুলিতে বিজেপির কর্মীরা শাসকের সন্ত্রাসের মোকাবিলা করতে পেরেছেন৷ আসলে রিগিং,সন্ত্রাসের মধ্যেও জয়ের রাস্তা খুঁজে পাওয়া যায়, নোয়াপাড়া, উলুবেড়িয়ার কিছু বুথে বিজেপি কর্মীরা সেটাই প্রমাণ করেছেন৷ এই বুথগুলি আগামীদিনে বিজেপির জন্য মডেল হোক, এবং সাংগঠনিক স্তরে প্রচার করা হোক, তাহলে হয়ত আর দ্বিতীয় নয়, পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যের বহু আসনে জয়ের হাসি হাসবেন বিজেপি প্রার্থীরা৷
No comments