পদ্মাবতের পর এবার কঙ্গনার “মণিকর্ণিকা” আরও এক ঐতিহাসিক ছবি নিয়ে শুরু বিক্ষোভ!
নজরবন্দি ব্যুরো ঃ পদ্মাবত নিয়ে কার্ণি সেনার প্রতিবাদে তোলপাড় হয়েছিল প্রায় গোটা দেশ, আর এবার আরও এক হিন্দি ছবি পড়তে চলেছে বিক্ষোভের মুখে।
কঙ্গনা রানাওয়াত অভিনীত ঝাঁসির রানি লক্ষ্মীবাঈয়ের জীবনের ওপর তৈরি ছবি “মণিকর্ণিকা”।গতকাল সর্ব ব্রাহ্মণ মহাসভা জয়পুরে অভিযোগ করেছে, ছবিতে ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে, দেখানো হয়েছে, এক বিদেশির সঙ্গে রানি লক্ষ্মীবাঈয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।তাঁদের অভিযোগ, এক বিদেশির বই থেকে নেওয়া গল্প নিয়ে ছবির কাহিনী এগিয়েছে, এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রানির মর্যাদা। তাঁরা ছবির প্রযোজক কমল জৈনকে চিঠি লিখে জানতে চান, ছবির গল্প লিখেছেন কারা, কোন ঐতিহাসিকের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলা হয়েছিল ও ছবিতে কোনও গান থাকলে সে সম্পর্কে।
যদিও প্রযোজক সংস্থা এখনো কোন উত্তর দেয়নি। রানি লক্ষ্মীবাঈয় ছিলেন ব্রাহ্মণ, তাই ছবিটিতে এমন কিছু সংলাপ থাকবে না যাতে ব্রাহ্মণদের আবেগ ও অনুভূতিতে আঘাত করে। যদিও প্রযোজক সংস্থার পক্ষ থেকে কমল জৈন জানিয়েছেন, “মণিকর্ণিকায় রানি লক্ষ্মীবাঈকে যথেষ্ট শ্রদ্ধার সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে। ঝাঁসির পণ্ডিত সমাজ ও ঐতিহাসিকদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে এ ব্যাপারে। তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন, দেশের অন্যতম শ্রদ্ধেয় নেত্রী, শৌর্যের প্রতীক”। কিন্তু কথা হচ্ছে এভাবে যদি একেরপর এক ঐতিহাসিক ছবি নিয়ে কিছু দল বা সংগঠন নিজেদের ইচ্ছে চাপিয়ে দেন পরিচালকের উপর তাহলে একটা সময় আসবে যখন আর এই জাতিও কোন ছবি দেশে আর তৈরিই হবেনা, যেটা ভারতীও সিনেমার ক্ষেত্রে একটা খারাপ দিন হবে।
কঙ্গনা রানাওয়াত অভিনীত ঝাঁসির রানি লক্ষ্মীবাঈয়ের জীবনের ওপর তৈরি ছবি “মণিকর্ণিকা”।গতকাল সর্ব ব্রাহ্মণ মহাসভা জয়পুরে অভিযোগ করেছে, ছবিতে ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে, দেখানো হয়েছে, এক বিদেশির সঙ্গে রানি লক্ষ্মীবাঈয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।তাঁদের অভিযোগ, এক বিদেশির বই থেকে নেওয়া গল্প নিয়ে ছবির কাহিনী এগিয়েছে, এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রানির মর্যাদা। তাঁরা ছবির প্রযোজক কমল জৈনকে চিঠি লিখে জানতে চান, ছবির গল্প লিখেছেন কারা, কোন ঐতিহাসিকের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলা হয়েছিল ও ছবিতে কোনও গান থাকলে সে সম্পর্কে।
যদিও প্রযোজক সংস্থা এখনো কোন উত্তর দেয়নি। রানি লক্ষ্মীবাঈয় ছিলেন ব্রাহ্মণ, তাই ছবিটিতে এমন কিছু সংলাপ থাকবে না যাতে ব্রাহ্মণদের আবেগ ও অনুভূতিতে আঘাত করে। যদিও প্রযোজক সংস্থার পক্ষ থেকে কমল জৈন জানিয়েছেন, “মণিকর্ণিকায় রানি লক্ষ্মীবাঈকে যথেষ্ট শ্রদ্ধার সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে। ঝাঁসির পণ্ডিত সমাজ ও ঐতিহাসিকদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে এ ব্যাপারে। তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন, দেশের অন্যতম শ্রদ্ধেয় নেত্রী, শৌর্যের প্রতীক”। কিন্তু কথা হচ্ছে এভাবে যদি একেরপর এক ঐতিহাসিক ছবি নিয়ে কিছু দল বা সংগঠন নিজেদের ইচ্ছে চাপিয়ে দেন পরিচালকের উপর তাহলে একটা সময় আসবে যখন আর এই জাতিও কোন ছবি দেশে আর তৈরিই হবেনা, যেটা ভারতীও সিনেমার ক্ষেত্রে একটা খারাপ দিন হবে।
No comments