করোনা রোগীদের ওপর ট্রায়াল সফল হয়েছে; নিয়ম ভাঙা হয়নি! দাবি পতঞ্জলির।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিশ্বের সাথে পাল্লা দিয়ে ভারতেও হুহু করে বাড়ছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ; বিশ্বের তাবড় গবেষক মহল দিন রাত এক করে লেগে রয়েছেন কিভাবে করোনা ভাইরাস প্রতিহত করার ওষুধ আবিষ্কার করা যায়। অনেক চেষ্টা চললেও কেউই এখনও পর্যন্ত ১০০% নিশ্চিত করে বলতে পারেননি "এই ওষুধ করোনা ভাইরাস প্রতিহত করতে সক্ষম!" কার্যত এই ভাইরাসের দাপটে গত ৫-৬ মাস ঘুম উড়ে গিয়েছে বিশ্বের তাবড় চিকিৎসক মহলের। কিন্তু এ কি করলেন বাবা রামদেব?
রামদেবের দাবি তাঁর সংস্থা পতঞ্জলি নাকি আবিষ্কার করে ফেলেছে করোনার ওষুধ! রামদেবের সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও CEO আচার্য বালকৃষ্ণ বলেন, "করোনাভাইরাস সংক্রমণ ছড়ানোর পরই আমরা একদল বিজ্ঞানীকে নিয়োগ করেছিলাম। ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করার উপাদান খুঁজে বের করা হয়। এরপর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয় করোনা পজিটিভ রোগীদের উপর। আমরা ১০০% সফল।" তিনি আরও বলেন, তাঁদের ওষুধে ৫-১৪ দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন করোনা রোগীরা! পাশাপাশি, রামদেব সেই ওষুধ সামনে এনে বলেন, "করোনিল ও শ্বাসারি নামের ওষুধটি দেশের ২৮০ জন করোনা রোগীর মধ্যে প্রয়োগ করে দেখা হয়েছে। ৫৪৫ টাকা দামের ওই ওষুধ এক সপ্তাহের মধ্যেই সারা দেশে পাওয়া যাবে।" কিন্তু রামদেবের ব্যাবসায় বাদ সেধেছে সমালোচকরা; কেন্দ্র প্রাথমিক ভাবে চুপচাপ থাকলেও সমালোচনার মুখে পড়ে ব্যাবস্থা গ্রহন করেছে। কেন্দ্রের আয়ুষ মন্ত্রকের তরফে পতঞ্জলির কাছে ওষুধ ও তার কম্পোজিশন নিয়ে সমস্ত তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়েছে।
জানানো হয়েছে, সরকারি পরীক্ষা ছাড়া এভাবে ওষুধের বিজ্ঞাপন ড্রাগস ও ম্যাজিক রেমেডিস অ্যাক্ট, ১৯৫৪-এর আওতায় পড়বে। সরকারি পরীক্ষার আগে এ বিষয়ে সমস্ত বিজ্ঞাপন বন্ধ রাখতে হবে পতঞ্জলিকে।অন্যদিকে, এই ওষুধ তৈরি ও তার বিক্রি সরকারের নিয়ম অনুযায়ীই করা হয়েছে। বলে দাবি করল রামদেবের সংস্থা, এদিন পতঞ্জলির পক্ষ থকে করে বলা হয়েছে,"এখানে বিতর্কের কোনও জায়গাই নেই। এই ওষুধের লাইসেন্স নেওয়া হয়েছিল অশ্বগন্ধা, গিলয় ও তুলসির ব্যাপারে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে। করোনা রোগীদের উপর এই ওষুধ ট্রায়াল করা হয়েছিল। তার রিপোর্ট আমরা পেশ করেছি।" উল্লেখ্য রামদেবের সংস্থায় একাধিক পন্য এর আগেও ছাড়পত্র পাওয়ার পরীক্ষায় সফল হয়নি সরকারের।

No comments