Header Ads

উচ্চ মাধ্যমিকের বাকি পরীক্ষাগুলি সম্পন্ন হোক; দিন না পিছিয়ে! মত শিক্ষক সংগঠনের।

নজরবন্দি ব্যুরো: উচ্চমাধ্যমিকের বাকি পরীক্ষাগুলো হওয়া নিয়ে বিতর্ক আছে। বর্তমানে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কথা মাথায় রেখে রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতর কেন্দ্রীয় বোর্ডগুলোর পদক্ষেপের ওপর নজর রাখছে।  এই প্রসঙ্গে এদিন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন "উচ্চমাধ্যমিক নিয়ে আমারা প্রস্তুত আছি। কিন্তু পড়ুয়াদের স্বাস্থ্য দেখেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুপ্রিম কোর্ট,অন্যান্য বোর্ড বা অন্যান্য রাজ্যগুলি কি সিদ্ধান্ত নেয় সেই দিকেও আমরা নজর রাখছি।"
উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই আইসিএসই বোর্ড দশম-দ্বাদশ শ্রেণির বাকি থাকা পরীক্ষাগুলোর জন্য অভিভাবকদের কাছে দুটি অপশন ইতিমধ্যেই দিয়েছে। সিবিএসই বোর্ডের পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়ে ইতিমধ্যেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিভাবকদের অনেকেই। এই পরিস্থিতিতে উচ্চমাধ্যমিকের বাকি পরীক্ষাগুলি কিভাবে নেওয়া সম্ভব তার জন্যই কেন্দ্রের এই বোর্ড গুলির পদক্ষেপের ওপর এই আপাতত নজর রাখছে রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতর। এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, আইসিএসই বোর্ডের তরফে দুই দফা প্রস্তাব অভিভাবকদের দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সিবিএসই বোর্ড এখনো পর্যন্ত তাদের সিদ্ধান্ত জানায়নি আদালতকে। যদিও পরীক্ষা সম্পর্কে ইতিমধ্যেই সিবিএসই বোর্ডের থেকে মতামত জানতে চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার মতামত জানানোর কথা থাকলেও সিবিএসই বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে ২৫ জুনের মধ্যেই বোর্ডের মতামত জানানো হবে শীর্ষ আদালতে। আগামী ২,৬,ও ৮ ই জুলাই উচ্চমাধ্যমিকের বাকি পরীক্ষাগুলো হওয়ার কথা আগেই জানিয়েছিল সরকার। কোন কোন দিনে কী কী বিষয়ে পরীক্ষা হবে তাও বিজ্ঞপ্তি আকারে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যে।
অন্যদিকে উচ্চমাধ্যমিকের বাকি পরীক্ষাগুলি নেওয়া প্রসঙ্গে শিক্ষক শিক্ষাকর্মী শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের রাজ্য সম্পাদক কিংকর অধিকারী জানিয়েছেন, "উচ্চমাধ্যমিকের বাকি বিষয়ের পরীক্ষাগুলো নিয়ম মেনে সুপরিকল্পিত ভাবে শিক্ষা মন্ত্রী ঘোষিত দিন অনুযায়ী পরীক্ষা নিয়ে নেওয়াই ভালো। ইতিমধ্যে যেসব বিদ্যালয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের কোয়ারেন্টাইন সেন্টার হিসাবে রাখার ব্যবস্থা ছিল তাদের মেয়াদ প্রায় শেষ হতে চলেছে। বহু বিদ্যালয় খালি হয়ে গিয়েছে বা কয়েকদিনের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। বিদ্যালয় গুলি স্যানিটাইজ করে এবং পরীক্ষার সেন্টার দ্বিগুণ হারে যদি বৃদ্ধি করা যায় অথবা যদি বেশ কিছু কলেজকে পরীক্ষার কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহার করা যায় এবং যেসব শিক্ষক-শিক্ষিকা বিদ্যালয় থেকে খুব দূরে থাকেন তাঁদের কাছাকাছি এলাকায় ইনভিজিলেশন ডিউটি দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয় তাহলে এই পরীক্ষা গ্রহণে তেমন কোন বড় অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। পরীক্ষার দিন আর না পিছিয়ে সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণের মধ্য দিয়ে রাজ্য সরকার তথা শিক্ষা দপ্তর বাকি থাকা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষাগুলি গ্রহণ করার ব্যবস্থা করুক।" 

No comments

Theme images by lishenjun. Powered by Blogger.