একটা সরকার এত অমানবিক হতে পারে? অবসাদে ভুগছেন হাজারো গ্রুপ ডি চাকরিপ্রার্থী।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ চরম হতাশায় ভুগছেন রাজ্যের হাজার হাজার গ্রুপ-ডি ওয়েটিং প্রার্থী। ২০১৭ সালে পরীক্ষা হয়েছিল তারপর ওয়েটিং লিস্টে নাম! এখন ২০২০ মাঝে কেটে গেছে ৩টে বছর। বাড়ছে বয়েস, অন্ন সংস্থান বলতে দিন মুজুরের কাজ আর টিউশন পড়ানো! শিক্ষিত বেকারদের যা দূরবস্থা হয় আর কি! ২০১৭ সাল থেকে ২০২০ এই তিন বছর ধরে সহস্রাধিক যুবক যুবতী গ্রুপ ডি পদে কাজ পাওয়ার জন্যে যখন শিক্ষামন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর মুখের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন তখন জানা যাচ্ছে শূন্যপদ থাকা সত্ত্বেও তাঁদের নিয়োগ করা হয়নি!
এক চাকরি প্রার্থী জানালেন, "চাকরির জন্য শূন্য পদ থাকা সত্বেও তিন বছর ওয়েটিং থেকেও চাকরি টা হবে কিনা তার জন্য চাতকের দৃষ্টির মতো রাজ্য সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়। তারা কখন আমাদের দিকে দয়ার দৃষ্টি তে তাকাবে,আমাদের চাকরির পাকা খবরটা দেবে। আমরা এমন কি অন্যায় করেছি, যে এত বড়ো শাস্তি আমাদের কে দেওয়া হচ্ছে! আন্দোলন করতে গিয়ে পুলিশের চোখ রাঙ্গানি,লাঠি খাওয়া,হাজতবাস কোনটাই বাকি নেই। এমন কি group D অফিসে ডেপুটেশন জমা দিতে গেলে আমাদের কে দেখে তাদের হাসাহাসি আরো অবাক করেছে। তাহলে আমাদের শেষ পরিনতি কি?" অন্য এক চাকরিপ্রার্থী জানালেন মানষিক অবসাদে ভুগতে শুরু করেছি কমবেশি আমরা সকলেই। তাই একটা নতুন উদ্যোগ নিয়েছি যদি সরকারের দয়ার দৃষ্টি পড়ে আমাদের দিকে! কি সেই উদ্যোগ? জানা গিয়েছে গ্রুপ ডি-র ওয়েটিং প্রার্থীরা গন ইমেল এবং ট্যুইট কর্মসূচী নিয়েছেন। রাজ্য সরকারের শিক্ষা দফতর, মুখ্যমন্ত্রী সবাই কেই অনুরোধ জানিয়ে ইমেল এবং ট্যুইট করছেন তারা। কিন্তু কি অনুরোধ করছেন তাঁরা? দেখুন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো তাঁদের বার্তার হুবহু প্রতিলিপি। "সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন। আমরা WBGDRB -2017 গ্রুপ-ডি ওয়েটিং প্রার্থী।
বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে গ্রুপ ডি শূন্যপদ থাকা স্বত্বেও আমরা ওয়েটিং প্রার্থীরা আজও অবহেলিত। দীর্ঘদিন যাবৎ মেধার ভিত্তিতে ওয়েটিং থাকা স্বত্বেও দপ্তরে দপ্তরে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ আমাদের বঞ্চনার প্রতিচ্ছবি। একাধিক সরকারি আধিকারিক সহ বর্তমান সরকারের কাছে আমাদের অসহায়তার কথা তুলে ধরেছি, কিন্তু কোনো ভাবেই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আদায় করতে পারছি না। বর্তমানে হতাশা আর বিষণ্নতায় দিন কাটছে। চরম দারিদ্রতা ও বেকারত্ব ভবিষৎ জীবনকে অন্ধকারময় জগতে ঠেলে দিচ্ছে। এমতাবস্থায় আপনার প্রতি সকল WBGDRB ওয়েটিং প্রার্থীদের সনির্বন্ধ অনুরোধ, আমাদের এই গ্রুপ ডি চাকরিটা সুনিশ্চিতভাবে বাস্তবায়ন করা যায় তারজন্য আপনার কাছে অনুরোধ রাখছি। আপনার সহমর্মিতা না পেলে এই দারিদ্র পরিবারগুলি বেঁচে থাকার রসদটুকু ও পাবে না। বিমুখ করবেন না। অনেক প্রত্যাশা নিয়ে এই চিঠি লিখছি। ভালো থাকবেন। প্রণাম নেবেন।"
এক চাকরি প্রার্থী জানালেন, "চাকরির জন্য শূন্য পদ থাকা সত্বেও তিন বছর ওয়েটিং থেকেও চাকরি টা হবে কিনা তার জন্য চাতকের দৃষ্টির মতো রাজ্য সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়। তারা কখন আমাদের দিকে দয়ার দৃষ্টি তে তাকাবে,আমাদের চাকরির পাকা খবরটা দেবে। আমরা এমন কি অন্যায় করেছি, যে এত বড়ো শাস্তি আমাদের কে দেওয়া হচ্ছে! আন্দোলন করতে গিয়ে পুলিশের চোখ রাঙ্গানি,লাঠি খাওয়া,হাজতবাস কোনটাই বাকি নেই। এমন কি group D অফিসে ডেপুটেশন জমা দিতে গেলে আমাদের কে দেখে তাদের হাসাহাসি আরো অবাক করেছে। তাহলে আমাদের শেষ পরিনতি কি?" অন্য এক চাকরিপ্রার্থী জানালেন মানষিক অবসাদে ভুগতে শুরু করেছি কমবেশি আমরা সকলেই। তাই একটা নতুন উদ্যোগ নিয়েছি যদি সরকারের দয়ার দৃষ্টি পড়ে আমাদের দিকে! কি সেই উদ্যোগ? জানা গিয়েছে গ্রুপ ডি-র ওয়েটিং প্রার্থীরা গন ইমেল এবং ট্যুইট কর্মসূচী নিয়েছেন। রাজ্য সরকারের শিক্ষা দফতর, মুখ্যমন্ত্রী সবাই কেই অনুরোধ জানিয়ে ইমেল এবং ট্যুইট করছেন তারা। কিন্তু কি অনুরোধ করছেন তাঁরা? দেখুন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো তাঁদের বার্তার হুবহু প্রতিলিপি। "সশ্রদ্ধ প্রণাম নেবেন। আমরা WBGDRB -2017 গ্রুপ-ডি ওয়েটিং প্রার্থী।
বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে গ্রুপ ডি শূন্যপদ থাকা স্বত্বেও আমরা ওয়েটিং প্রার্থীরা আজও অবহেলিত। দীর্ঘদিন যাবৎ মেধার ভিত্তিতে ওয়েটিং থাকা স্বত্বেও দপ্তরে দপ্তরে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ আমাদের বঞ্চনার প্রতিচ্ছবি। একাধিক সরকারি আধিকারিক সহ বর্তমান সরকারের কাছে আমাদের অসহায়তার কথা তুলে ধরেছি, কিন্তু কোনো ভাবেই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আদায় করতে পারছি না। বর্তমানে হতাশা আর বিষণ্নতায় দিন কাটছে। চরম দারিদ্রতা ও বেকারত্ব ভবিষৎ জীবনকে অন্ধকারময় জগতে ঠেলে দিচ্ছে। এমতাবস্থায় আপনার প্রতি সকল WBGDRB ওয়েটিং প্রার্থীদের সনির্বন্ধ অনুরোধ, আমাদের এই গ্রুপ ডি চাকরিটা সুনিশ্চিতভাবে বাস্তবায়ন করা যায় তারজন্য আপনার কাছে অনুরোধ রাখছি। আপনার সহমর্মিতা না পেলে এই দারিদ্র পরিবারগুলি বেঁচে থাকার রসদটুকু ও পাবে না। বিমুখ করবেন না। অনেক প্রত্যাশা নিয়ে এই চিঠি লিখছি। ভালো থাকবেন। প্রণাম নেবেন।"

No comments