করোনা ছড়াতে পারেন, তাই পথ আটকাল পুলিশ! পাসপোর্ট লাগবে? প্রশ্ন সায়ন্তনের।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিজেপি কর্মীদের ওপর অত্যাচার চলছে, আমফানের ত্রান দূর্নীতি চলছে, চলছে শাসকের স্বজন পোষন এই রকম একাধিক অভিযোগে পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার কথা ছিল বিজেপির। বিজেপির এই দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন সায়ন্তন বসু। কিন্তু কাঁথি পৌঁছানোর অনেক আগে কোলাঘাটের কেটিপিপি রোডের সামনেই তাঁর গাড়ি আটকে দেয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। নেতৃত্বে ছিলেন তমলুকের মহকুমা পুলিশ আধিকারিক।
শুরুহয় বিতণ্ডা, কথা কাটাকাটি হতে থাকে পুলিশ এবং বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে। পুলিশ সায়ন্তন কে কাঁথিতে ঢুকতে না দেওয়ার কারন হিসেবে দাবি করে, করোনা পরিস্থিতিতে কোনরকম জমায়েত চলবে না, এতে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। অন্যদিকে বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসুর মন্তব্য, "মাত্র ৪ জন ছিলাম আমরা, অন্যদিকে পুলিশ ছিলেন অনেক বেশি। তাঁরা করোনা ছড়াবেন না। করোনা কী শুধু আমরা ছড়াচ্ছি। কেন পূর্ব মেদিনীপুরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না আমাদের? এখানে ঢোকার জন্য কী ভিসা লাগবে না পাসপোর্ট?"
অগত্যা ওখানেই টানা দু'ঘণ্টা বিক্ষোভ অবস্থানের পর পুলিশ আশ্বাস দেয় তৃণমূল দুষ্কৃতীদের সামনের সপ্তাহের মধ্যে গ্রেপ্তার করবে। যদিও বচসার পরেও সায়ন্তন কে কাঁথি পৌঁছাতে দেয়নি পুলিশ, কোলাঘাট থেকেই তাঁর গাড়ি ফিরে আসে কলকাতায়। প্রসঙ্গত, এই ঘটনা নতুন নয়, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়া সায়ন্তন একাধিকবার পুলিশি বাঁধার সামনে পড়েছেন।
শুরুহয় বিতণ্ডা, কথা কাটাকাটি হতে থাকে পুলিশ এবং বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে। পুলিশ সায়ন্তন কে কাঁথিতে ঢুকতে না দেওয়ার কারন হিসেবে দাবি করে, করোনা পরিস্থিতিতে কোনরকম জমায়েত চলবে না, এতে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। অন্যদিকে বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসুর মন্তব্য, "মাত্র ৪ জন ছিলাম আমরা, অন্যদিকে পুলিশ ছিলেন অনেক বেশি। তাঁরা করোনা ছড়াবেন না। করোনা কী শুধু আমরা ছড়াচ্ছি। কেন পূর্ব মেদিনীপুরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না আমাদের? এখানে ঢোকার জন্য কী ভিসা লাগবে না পাসপোর্ট?"
অগত্যা ওখানেই টানা দু'ঘণ্টা বিক্ষোভ অবস্থানের পর পুলিশ আশ্বাস দেয় তৃণমূল দুষ্কৃতীদের সামনের সপ্তাহের মধ্যে গ্রেপ্তার করবে। যদিও বচসার পরেও সায়ন্তন কে কাঁথি পৌঁছাতে দেয়নি পুলিশ, কোলাঘাট থেকেই তাঁর গাড়ি ফিরে আসে কলকাতায়। প্রসঙ্গত, এই ঘটনা নতুন নয়, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়া সায়ন্তন একাধিকবার পুলিশি বাঁধার সামনে পড়েছেন।

No comments