সংকটে বিজেপি; মার্কিন ও চিনা পন্যে ২০০ শতাংশ কর চাপানোর দাবি তুলল সিপিআইএম! #BreakingNews
নজরবন্দি ব্যুরোঃ সমর্থক এবং বাম বিরোধী বলা ভাল সবারই দীর্ঘদিনের কৌতুহলের উপশম ঘটিয়েছে আলিমুদ্দিন। চিনের দালাল! বাম বিরোধীদের প্রায়সই দেখা যায় এই বাক্যবানে সিপিআইএম কে বিদ্ধ করতে; বিশেষত এই বাক্যবান প্রয়োগ করেন বিজেপি সমর্থকরা! যদিও বাস্তব অন্য কথা বলে। যাই হোক সে বিতর্কে ইতি টেনেছে সিপিআইএম। লাদাখ প্রসঙ্গে কদিন আগেই চিনকে তুলোধোনা করেছিলেন পলিটব্যুরো মেম্বার সূর্যকান্ত মিশ্র। আর এদিন একযোগে চিন এবং আমেরিকাকে কোনঠাসা করতে কেন্দ্রের কাছে দাবি জানালেন সুজন চক্রবর্তী। চিনা ও মার্কিন পণ্যের উপর ২০০ শতাংশ কাস্টমস ডিউটি চাপানোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।
বিজেপি কে নিশানা করে তাঁর বক্তব্য, "বল্লভভাই পটেলের মূর্তি তৈরি করেছে চিনা সংস্থা। বিজেপির হিম্মত আছে বয়কট করার?" বিজেপি সমর্থকদের উদ্দেশ্যে সুজনের বক্তব্য, রাস্তায় চিনা পন্য বয়কট বয়কট করে না চিৎকার করে প্রধানমন্ত্রীকে বলুন মার্কিন এবং চিনা পন্য আটক করে ২০০ শতাংশ কাস্টমস ডিউটি চাপাতে! তিনি আরও বলেন, "বাংলার বা ভারতের কেউ চিনে গিয়ে চিনের জিনিস কিনে আনছে না। জিনিসটা ভারতে আসছে বলে কিনছে। আসবে কি আসবে না সেটা নির্ভর করে দিল্লির সরকারের উপর। তারা চাইলেই বন্ধ করে দিতে পারে।" সুজনের এই দাবিতে কার্যত উভয় সংকটে পড়েছে বিজেপি!
বিজেপি কে নিশানা করে তাঁর বক্তব্য, "বল্লভভাই পটেলের মূর্তি তৈরি করেছে চিনা সংস্থা। বিজেপির হিম্মত আছে বয়কট করার?" বিজেপি সমর্থকদের উদ্দেশ্যে সুজনের বক্তব্য, রাস্তায় চিনা পন্য বয়কট বয়কট করে না চিৎকার করে প্রধানমন্ত্রীকে বলুন মার্কিন এবং চিনা পন্য আটক করে ২০০ শতাংশ কাস্টমস ডিউটি চাপাতে! তিনি আরও বলেন, "বাংলার বা ভারতের কেউ চিনে গিয়ে চিনের জিনিস কিনে আনছে না। জিনিসটা ভারতে আসছে বলে কিনছে। আসবে কি আসবে না সেটা নির্ভর করে দিল্লির সরকারের উপর। তারা চাইলেই বন্ধ করে দিতে পারে।" সুজনের এই দাবিতে কার্যত উভয় সংকটে পড়েছে বিজেপি!
সাবস্ক্রাইব করুন নজরবন্দির ইউটিউব চ্যানেল।
উল্লেখ্য কদিন আগে সূর্যকান্ত মিশ্র সাফ জানিয়েছিলেন "৬২ সালের যুদ্ধের সময় কমিউনিস্ট পার্টি চিনের বিরোধিতা করেছিল। জোট নিরপেক্ষতাকেই তখন সমর্থন করা হয়। এবারেও চিন যা করছে তা একেবারেই সঠিক নয়। তবে যুদ্ধ কোনও সমস্যার সমাধান করতে পারে না। দু’দেশের মধ্যে কুটনৈতিক আলোচনার মধ্য দিয়ে এই সমস্যার সমাধান করতে হবে।"
সুর্যকান্ত মিশ্র মনে করিয়ে দেন, অরুণাচল নিয়ে চিনের যে দাবি ছিল সিপিআইএম তার চরম বিরোধিতা করেছিল। চিনের দাবি অন্যায্য ছিল। এই দাবি কখনই সমর্থনযোগ্য নয়।"
শুধু এখানেই থামেননি সূর্য বাবু, তিনি বাম বিরোধীদের উদ্দেশ্যে পরিষ্কার করে জানিয়ে দেন আন্তর্জাতিক স্তরে সিপিআইএমের অবস্থানের কথা। তিনি বলেন, "সিপিআইএম কখনওই চিন বা রুশপন্থী ছিল না। আজও নেই। চিনের চেয়ারম্যান কোনওদিন সিপিআইএমের চেয়ারম্যান ছিল না। এটা ভুল পথ। আমরা চিরকালই জোট নিরপেক্ষ নীতি নিয়ে চলেছি।" রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, সিপিআইএমের এই অবস্থান আগামীদিনে রাজ্য তথা দেশের বাম সমর্থকদের ওপর ভাল প্রভাব ফেলবে। রাজ্য রাজনীতিতেও প্রাসঙ্গিকতা ফিরে পাবে সিপিআইএম।

No comments