নজরবন্দি ব্যুরোঃ রেড জোন, অরেঞ্জ জোন ও গ্রিন জোন হিসাবে অনুসারে রাজ্যের এলাকা গুলিকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে আগেই। এবার রেড জোনকে তিন ভাগে ভাগ করার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। A, B ও C- এই ৩ ভাগে ভাগ করা হবে রেড জোনকে। জেনে নেওয়া যাক কোন কি ভাবে এই ভাগ করা হচ্ছে- A অর্থাৎ কনটেইনমেন্ট জোন, এই সমস্ত জায়গায় থাকবে না কোন রকমের ছাড়। B অর্থাৎ যে সমস্ত জায়গায় সংক্রমণের হার কম, সেই এলাকা গুলিতে কিছু দোকান খোলা হবে। C অর্থাৎ রেড জনের মধ্যেও যে এলাকায় সংকমণের হার সব থেকে কম, সেখানে সমস্ত না হলেও বেশি সংখ্যক দোকান খোলা যাবে।
কিন্তু কোন কোন দোকানপাট খোলা থাকবে তা বলেননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, এই কোন কোন দোকান খোলা থাকবে সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে স্থানীয় প্রশাসন। জেলার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেবেন জেলাশাসক। এবং কলকাতার ক্ষেত্রে ক্ষেত্রে পুলিস কমিশনার। সম্প্রতি, প্রাধানমন্ত্রী বৈঠক করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সাথে। আর সেই বৈঠকেই প্রাধানমন্ত্রী বলেন এতো তারাতারি করোনা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না। যার ফলে লকডাউনের মেয়াদ বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিন নবান্নের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, পরিস্থিতির দিক থেকে শর্ট টার্ম, মিড টার্ম ও লং টার্ম পরিকল্পনা করতে হবে।
বড় রেস্তোরা নয় তবে ছোট খাবারের দোকান খোলা যাবে বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেই সমস্ত দোকানেও বসে খাওয়া যাবে না। শুধু থাকবে টেক অ্যাওয়ে ব্যবস্থা। তাছারাও খোলা যাবে জুয়েলারি, ইলেকট্রিক্যাল গুডস, ইলেকট্রনিক্স, মোবাইল রিপেরিয়ারিং, চার্জিং প্রভৃতি দোকান। কিন্তু তারও সময়সীমা ঠিক অরে দেওয়া হয়েছে। বেলা ১২ টা সন্ধ্যে ৬ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে দোকানপাট। STAND ALONE দোকান যেগুলি কনটেইনমেন্ট জোনের পাড়ার মধ্যে অবস্থিত, সেই সব দোকান খোলার যাবে কিনা সেই বিষয়ে আগামী ৩ দিনের মধ্যে স্থানীয় পুলিস সিদ্ধান্ত নেবে। অন্যদিকে সিনেমা-সিরিয়ালের ক্ষেত্রে এডিটিং এবং ডাবিং চালু হবে কিন্তু নতুন শুটিং নয়।
No comments