এই অবস্থার মধ্যেই ২০০ জুনিয়র ডাক্তার কাজ বন্ধ করলেন আর জি করে!
নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্য জুড়ে করোনা ভাইরাসের সংক্রমন কমার তো কোন লক্ষনই নেই বরং বেড়েই চলেছে মৃত্যুর সংখ্যা। রাজ্যের মধ্যে থাকা গ্রিন জোন গুলিতেও পাওয়া যাচ্ছে আক্রান্ত! কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনার পাশাপাশি হুগলী জেলা জুড়ে ভয়ানক গতিতে বাড়ছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। দক্ষিন ২৪ পরগনা জেলায় মোবাইল টেস্টিং ভ্যান এবং হাওড়া জেলাতে করোনা টেস্টিং কিয়স্ক বসিয়েছে প্রশাসন। এদিন করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত বুলেটিন দিতে গিয়ে রাজ্য সরকার জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১২৪ জন। সংখ্যাটা সব মিলিয়ে দাঁড়িয়েছে এখন পর্যন্ত মোট ২ হাজার ৬৩ জন।২ হাজার ৬৩ জন আক্রান্তের মধ্যে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৩৭৪ জন। পাশাপাশি রাজ্য সরকার জানিয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ জনের মৃত্যু হয়ে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজ্যে মোট ১১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে(শুধু করোনায়)।অন্যদিকে অডিট কমিটি ৩০ এপ্রিল জানিয়েছিল যে আরও ৭২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী কো-মর্বিডিটির কারণে মারা গিয়েছেন।
অর্থাৎ রাজ্যে এখন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের মৃত্যু সংখ্যা ১৯০। অন্যদিকে রাজ্যজুড়ে করোনা ভাইরাস থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮২ জন। সর্বমোট সুস্থ হওয়ার সংখ্যাটা এখন পর্যন্ত ৪৯৯ জন। আর এরই মধ্যে সোমবার আর জি কর হাসপাতালে কাজ বন্ধ করে দিল প্রায় ২০০ জন জুনিয়ার ডাক্তার। কারণ হল পর্যাপ্ত পিপিই ও এন ৯৫ মাস্ক নেই সেখানে। শহরে একের পর এক করোনা আক্রান্ত হচ্ছে ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীরা। তাই পর্যাপ্ত পার্সোনাল প্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট বা পিপিই-এন ৯৫ মাস্কের দাবিতে জুনিয়র ডাক্তারদের একাংশ কাজ বন্ধ করে দেয়।
তাঁদের দাবি, দিনের পর দিন ন্যূনতম কোনও ধরনের সুরক্ষা ছাড়াই তাঁদেরকে করোনা সন্দেহে ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কাজ করতে হচ্ছে। সেক্ষেত্রে সাধারণ সার্জিকাল মাস্কই তাঁদের একমাত্র ভরসা। আর তার জেরেই বহু চিকিত্সছক এবং স্বাস্থ্যকর্মী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন। উল্লেখ্য আরজি কর হাসপাতালে ৭ জন চিকিত্স ক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী করোনা আক্রান্ত হয়েছে। তারপরেও তাদেরকে তেমন সুরক্ষা দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। কিন্তু রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর বলছে অন্য কথা। তাঁদের দাবী স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রয়োজনীয় পার্সোনাল প্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট বা পিপিই, মাস্ক পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রয়েছে।
তাঁদের দাবি, দিনের পর দিন ন্যূনতম কোনও ধরনের সুরক্ষা ছাড়াই তাঁদেরকে করোনা সন্দেহে ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কাজ করতে হচ্ছে। সেক্ষেত্রে সাধারণ সার্জিকাল মাস্কই তাঁদের একমাত্র ভরসা। আর তার জেরেই বহু চিকিত্সছক এবং স্বাস্থ্যকর্মী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন। উল্লেখ্য আরজি কর হাসপাতালে ৭ জন চিকিত্স ক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী করোনা আক্রান্ত হয়েছে। তারপরেও তাদেরকে তেমন সুরক্ষা দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। কিন্তু রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর বলছে অন্য কথা। তাঁদের দাবী স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রয়োজনীয় পার্সোনাল প্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট বা পিপিই, মাস্ক পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রয়েছে।

No comments