মমতাহীন মমতার সরকার? টেট উত্তীর্ণ প্রশিক্ষিত প্রার্থীদের বিদ্রোহে উত্তাল নেট দুনিয়া।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগে অস্বচ্ছতা এবং দুর্ণীতির অভিযোগে বরাবরই তৃণমূল সরকারের নাম বারংবার খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে। তারমধ্যে সবচেয়ে বড়ো দুর্নীতি ও কেলেঙ্কারির অভিযোগ ২০১৫ এর প্রাথমিক টেট নিয়ে। পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের বিরুদ্ধে কখনো বেছে বেছে তৃণমূল ঘনিষ্ঠদের একাধারে চাকরি দেওয়া, আবার কখনো মোটা টাকার বিনিময়ে টেট ফেল করা প্রার্থীদেরও চাকরি দেওয়ার মতো মারাত্মক সব অভিযোগ রয়েছে। অনেকক্ষেত্রেই দেখা গেছে এইসমস্ত অভিযোগের সারবত্ত্বা বা প্রমাণ মিলেছে। আর এইখানেই বঞ্চিত টেট উত্তীর্ণ প্রশিক্ষিত প্রার্থীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন।
তাঁদের অভিযোগ ২০১৫ এর টেটের বিজ্ঞপ্তিতে শূন্যপদ ছিলো প্রায় ৪৩,০০০ এবং পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য্য জানিয়েছিলেন ধাপে ধাপে ক্রমান্বয়ে ৪-৫ টি তালিকা প্রকাশ করে নিয়োগ সম্পূর্ণ করা হবে। কিন্তু বাস্তবক্ষেত্রে দেখা গেছে পর্ষদ কোনো প্যানেলই প্রকাশ করেই নি; মাত্র ২ টি ধাপে গোপনে SMS এর মাধ্যমে কারা চাকরি পেলো, কতজন চাকরি পেলো তার কোনো সঠিক হদিশই নেই। কেলেঙ্কারি ঢাকতে এইরকম নজিরবিহীন পদক্ষেপ এর আগে কেউ কখনো দেখে নি। তাঁরা এও বলেন যে ২ টি ধাপে খুব বড়জোর ২৫-২৭ হাজার প্রার্থীকে নিয়োগ করেই ৪৩০০০ শূন্যপদে নিয়োগ হয়ে গেছে এরকম অসত্য কথা বলে পর্ষদ বাকি চাকরিপ্রার্থীদের সাথে চরম প্রতারণা করেছে কারণ হাইকোর্টেও পর্ষদ ৪৩০০০ হাজার প্রার্থীই নিয়োগ হয়ে গেছে এমন কোনো প্রমাণ দাখিল করতে পারে নি।
পূর্ববর্তী টেট আন্দোলন ও এখনো পর্যন্ত চাকরী না পাওয়া প্রশিক্ষিত টেট উত্তীর্ণ প্রাথীদের সংগঠক শংকর প্রসাদ খাঁ আক্ষেপ প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, “বেকারদের নিয়ে বর্তমান সরকারের ভূমিকা খুবই হতাশাজনক। বর্তমান সরকার বেকারদের প্রতি সহানভূতিশীল নয়। তাঁরা কিভাবে নিজেদের গদি ধরে রাখবেন সেই স্ট্র্যাটিজি নিয়ে ব্যস্ত, ক্লাবগুলোতে লক্ষ লক্ষ টাকা অনুদান দিচ্ছেন, চাকুরীজীবিদের বোনাস বাড়াচ্ছেন অথচ যারা প্রাথমিকে টেট পাশ করে ও প্রশিক্ষণ নিয়েও বেকারত্বের জ্বালায় তাদের দরজায় দরজায় ঘুরে বেড়াচ্ছে তাদের প্রতি সরকারের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই”।
আর এক টেট উত্তীর্ণ ও প্রশিক্ষিত প্রার্থী স্বদেশ ঘোষ জানিয়েছেন সংবাদমাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন প্রশিক্ষিত প্রার্থীদের পরেই নিয়োগে প্রশিক্ষণরতদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, সেই অনুযায়ী সেই সময়ে একমাত্র ২০১৪-২০১৬ ও ২০১৫-২০১৭ এই দুটি ব্যাচই প্রশিক্ষণরত অবস্থায় ছিলো, কিন্তু সরকারী প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে পর্ষদ অর্ধপ্রশিক্ষিতদের নিয়োগে সুযোগ না দিয়ে প্রচুর অপ্রশিক্ষিত প্রার্থী নিয়োগ করেছে। পরবর্তীকালে একটা বিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে ২০১৪-২০১৬ ব্যাচ ও RCI স্বীকৃত ২০১৫-২০১৭ ডি এড ব্যাচকে নিয়োগ পর্বের আওতায় আনা হলেও পর্ষদ বেআইনিভাবে পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ অধীনস্থ ২০১৫-২০১৭ ব্যাচকে সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত করেছে। তাঁরা ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে বলেছেন, বাইরের বোর্ড থেকে যারা ১৫-১৭ সেশনে ট্রেনিং করেছে পর্ষদ তাদেরকে চাকরি দিয়ে দিয়েছে অথচ পর্ষদ তার নিজের বোর্ডে থেকে যারা ওই একই সেশনে ট্রেনিং সম্পন্ন করেছে তাদেরকে সেই সুযোগ দেয় নি। এখানেই পর্ষদের বিরুদ্ধে দ্বিচারিতা করার অভিযোগ উঠছে। ১৫-১৭ ব্যাচ ছাড়াও পরবর্তী ব্যাচগুলিও (১৬-১৮ ও ১৭-১৯) ইতিমধ্যে চাকরীর দাবি করতে শুরু করছে, তাঁদের বক্তব্য কিছুদিন আগেই শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন ২০১৫ টেট উত্তীর্ণ প্রার্থীরা পরবর্তীকালে প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করলেও তাদেরকে ধাপে ধাপে নিয়োগ করা হবে, কিন্তু সরকার তার প্রতিশ্রুতি পালন করছে না।
তাঁদের অভিযোগ ২০১৫ এর টেটের বিজ্ঞপ্তিতে শূন্যপদ ছিলো প্রায় ৪৩,০০০ এবং পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য্য জানিয়েছিলেন ধাপে ধাপে ক্রমান্বয়ে ৪-৫ টি তালিকা প্রকাশ করে নিয়োগ সম্পূর্ণ করা হবে। কিন্তু বাস্তবক্ষেত্রে দেখা গেছে পর্ষদ কোনো প্যানেলই প্রকাশ করেই নি; মাত্র ২ টি ধাপে গোপনে SMS এর মাধ্যমে কারা চাকরি পেলো, কতজন চাকরি পেলো তার কোনো সঠিক হদিশই নেই। কেলেঙ্কারি ঢাকতে এইরকম নজিরবিহীন পদক্ষেপ এর আগে কেউ কখনো দেখে নি। তাঁরা এও বলেন যে ২ টি ধাপে খুব বড়জোর ২৫-২৭ হাজার প্রার্থীকে নিয়োগ করেই ৪৩০০০ শূন্যপদে নিয়োগ হয়ে গেছে এরকম অসত্য কথা বলে পর্ষদ বাকি চাকরিপ্রার্থীদের সাথে চরম প্রতারণা করেছে কারণ হাইকোর্টেও পর্ষদ ৪৩০০০ হাজার প্রার্থীই নিয়োগ হয়ে গেছে এমন কোনো প্রমাণ দাখিল করতে পারে নি।
নজরবন্দির ফেসবুক পেজটি লাইক ও ফলো করুন
আর এক টেট উত্তীর্ণ ও প্রশিক্ষিত প্রার্থী স্বদেশ ঘোষ জানিয়েছেন সংবাদমাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন প্রশিক্ষিত প্রার্থীদের পরেই নিয়োগে প্রশিক্ষণরতদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, সেই অনুযায়ী সেই সময়ে একমাত্র ২০১৪-২০১৬ ও ২০১৫-২০১৭ এই দুটি ব্যাচই প্রশিক্ষণরত অবস্থায় ছিলো, কিন্তু সরকারী প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে পর্ষদ অর্ধপ্রশিক্ষিতদের নিয়োগে সুযোগ না দিয়ে প্রচুর অপ্রশিক্ষিত প্রার্থী নিয়োগ করেছে। পরবর্তীকালে একটা বিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে ২০১৪-২০১৬ ব্যাচ ও RCI স্বীকৃত ২০১৫-২০১৭ ডি এড ব্যাচকে নিয়োগ পর্বের আওতায় আনা হলেও পর্ষদ বেআইনিভাবে পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ অধীনস্থ ২০১৫-২০১৭ ব্যাচকে সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত করেছে। তাঁরা ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে বলেছেন, বাইরের বোর্ড থেকে যারা ১৫-১৭ সেশনে ট্রেনিং করেছে পর্ষদ তাদেরকে চাকরি দিয়ে দিয়েছে অথচ পর্ষদ তার নিজের বোর্ডে থেকে যারা ওই একই সেশনে ট্রেনিং সম্পন্ন করেছে তাদেরকে সেই সুযোগ দেয় নি। এখানেই পর্ষদের বিরুদ্ধে দ্বিচারিতা করার অভিযোগ উঠছে। ১৫-১৭ ব্যাচ ছাড়াও পরবর্তী ব্যাচগুলিও (১৬-১৮ ও ১৭-১৯) ইতিমধ্যে চাকরীর দাবি করতে শুরু করছে, তাঁদের বক্তব্য কিছুদিন আগেই শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন ২০১৫ টেট উত্তীর্ণ প্রার্থীরা পরবর্তীকালে প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করলেও তাদেরকে ধাপে ধাপে নিয়োগ করা হবে, কিন্তু সরকার তার প্রতিশ্রুতি পালন করছে না।

No comments