Header Ads

মায়েদের কোন লকডাউন হয় না, ‘শুভ মাতৃ দিবস’

সামিমা আহাসানাঃ তালা বন্দী হয়ে কাঁদছে সবাই। হাসছে শুধু একজনই। পুরোনো ঘোরা-খাওয়ার ছবি শেয়ার করে ফেসবুকে ভার্চুয়াল কান্নাকাটি করছে সবাই। করোনা এমন তালা বন্দী শুরু করলো, যার শেষ কোথায়, কেও জানেনা। মিম জোকসের চেহারা নিল, ঘরে পচার যন্ত্রনা। কলু কাকার চা, হাজির বিরিয়ানি, প্রেমিকার আদরের স্মৃতি, সবই যন্ত্রনা দিয়ে পিষে মারছে প্রতিদিন। সিনেমা, গান, ফেসবুক, ইউটিউব ঘেঁটে ঘেঁটে ক্লান্ত মানুষ। গোটা জাতিকে বাঁচিয়ে রেখেছে ফেসবুক, ব্যালকনি আর ছাদ। কাঁদছে সবাই। হাসছেন শুধু একজন। সারাজীবন রেঁধে বেড়ে খাওয়ানো মা৷ সবাই যখন গোটা বিশ্ব না দেখতে পেয়ে কষ্ট পাচ্ছে, মা তখন নিজের গোটা বিশ্বকে অনির্দিষ্ট কালের জন্য কাছে পেয়ে হাসছেন।
 সবার উপর প্রভাব ফেলেছে লকডাউন, শুধু প্রভাব ফেলেনি সারাজীবন রেঁধে খাওয়ানো মায়ের উপর। লক ডাউনের আগের তিরিশ বছরও তিনি শুধু রান্না আর ঘর গোছানোর কাজ করেছিলেন। আজও তাই৷ সাংবাদিক বুমটা এগিয়ে দিয়ে, এমনই কোনো মা কে যদি প্রশ্ন করতেন, "আপনার জীবনে লকডাউনের কি প্রভাব পড়েছে?" তিনি হয়তো বলতেন, "অন্ধের কি বা দিন, কি বা রাত৷" দুমাসের কম সময় ধরে আমরা ঘরবন্দী, তাতেই দূর্বিষহ জীবন। স্যুটকেসে ঢুকতে রাজি ছোটো বন্ধু৷ পুরোনো প্রেস্ক্রিপশন হাতে বেরোতে রাজি ছেলে-মেয়ে। আর ওরা প্রায় দুই, তিন, চার দশক ধরে বন্দী। ছেলে মানুষ করবেন বলে ছেলেমানুষির বয়সে স্বেচ্ছায়, কখনও বা বাধ্য হয়ে তালা বন্দী হয়েছেন। তারপর থেকেই লকডাউন চলছে৷ করোনা তাদের বন্দী করতে পারেনি৷

No comments

Theme images by lishenjun. Powered by Blogger.