বদলির চিঠি হাতে নিয়ে হতাশ বিবেক কুমার গানেই বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রীকে! #BreakingNews
নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনা ভয়াবহ দাপট যখন চলছে পশ্চিমবঙ্গে ঠিক সেই সময়েই বিবেক কুমার কে স্বাস্থ্য সচিব পদ থেকে অপসারিত করেছে রাজ্য সরকার। তাঁকে স্বাস্থ্য সচিবের পদ থেকে সরিয়ে পরিবেশ সচিব করা হয়েছে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেছেন নারায়ন স্বরুপ নিগম। কিন্তু কেন? সূত্রের খবর তথ্য গরমিলের জেরেই সরানো হয়েছে বিবেক কুমার কে। উল্লেখ্য রাজ্যের দেওয়া করোনা বুলেটিনে গণ্ডগোল রয়েছে বলে একাধিকবার অভিযোগ এনেছেন বিরোধীরা। গত ৩ তারিখের আগে রাজ্য সরকার বুলেটিনে মোট আক্রান্তের সংখ্যা কখনই প্রকাশ করেনি।
গত ৩০ এপ্রিল তারিখে রাজ্যের দুই শীর্ষ কর্তার তথ্যের গরমিলে বেজায় অস্বস্তিতে পরে রাজ্য সরকার।কেন্দ্রকে পাঠানো চিঠিতে যে তথ্য দিয়েছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ সচিব বিবেক কুমার, একই দিনে মুখ্যসচিব সাংবাদিকদের যে তথ্য দিয়েছেন বা স্বাস্থ দফতর যে বুলেটিন প্রকাশ করেছেন তাতে বিস্তর গরমিল ছিল। স্বাস্থ সচিব বিবেক কুমারের চিঠিতে বলা হয় ৩০শে এপ্রিল পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৯৩১! এদিকে একই দিনে রাজ্যের মুখ্য সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী রাজ্যের সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা দেখানো হয় ৮১৬! অর্থাৎ বিপুল গ্যাপ।
এর পরের ২ দিন বুলেটিন প্রকাশই করতে পারেনি রাজ্য সরকার; পরে ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে মুখ্য সচিব কে দিয়ে বুলেটিন প্রকাশ না করিয়ে প্রকাশ করানো হয় স্বরাষ্ট্র সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় কে দিয়ে।
উল্লেখ্য বিবেক কুমারের চিঠির পরিসংখ্যান আর মুখ্যসচিবের বুলেটিনে আকাশ পাতাল তফাত দেখে কেন্দ্র সঠিক তথ্য পরিবেশনের জন্যে কড়া ভাষায় চিঠি দেয় রাজ্য কে। তারপর থেকে রাজ্যের বুলেটিনে উঠে আসতে থাকে বহু আকাঙ্খিত তথ্য।
এদিন বিবেক কুমারের হাতে চিঠি ধরানো হয়, আর সেই বদলির চিঠি হাতে স্বাস্থ্য দফতরে শেষবারের মতো গান গাইলেন বিবেক কুমার। গাইলেন কিশোর কুমারের সেই বিখ্যাত গান, "মুসাফির হুঁ ইয়ারো, না ঘর হ্যায় না ঠিকানা"। এই গানটি যে কতটা অর্থবহ এবং ইঙ্গিত কোন দিকে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। প্রসঙ্গত, বিবেক কুমার ভাল গাইতে পারেন, মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধে আগেও একাধিকবার গান গেয়েছেন তিনি।
শুনুন সেই গান। নজরবন্দি কে ফলো করতে পারেন ট্যুইটারেও
এর পরের ২ দিন বুলেটিন প্রকাশই করতে পারেনি রাজ্য সরকার; পরে ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে মুখ্য সচিব কে দিয়ে বুলেটিন প্রকাশ না করিয়ে প্রকাশ করানো হয় স্বরাষ্ট্র সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় কে দিয়ে।
উল্লেখ্য বিবেক কুমারের চিঠির পরিসংখ্যান আর মুখ্যসচিবের বুলেটিনে আকাশ পাতাল তফাত দেখে কেন্দ্র সঠিক তথ্য পরিবেশনের জন্যে কড়া ভাষায় চিঠি দেয় রাজ্য কে। তারপর থেকে রাজ্যের বুলেটিনে উঠে আসতে থাকে বহু আকাঙ্খিত তথ্য।
এদিন বিবেক কুমারের হাতে চিঠি ধরানো হয়, আর সেই বদলির চিঠি হাতে স্বাস্থ্য দফতরে শেষবারের মতো গান গাইলেন বিবেক কুমার। গাইলেন কিশোর কুমারের সেই বিখ্যাত গান, "মুসাফির হুঁ ইয়ারো, না ঘর হ্যায় না ঠিকানা"। এই গানটি যে কতটা অর্থবহ এবং ইঙ্গিত কোন দিকে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। প্রসঙ্গত, বিবেক কুমার ভাল গাইতে পারেন, মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধে আগেও একাধিকবার গান গেয়েছেন তিনি।
শুনুন প্রাক্তন স্বাস্থ্য সচিবের গাওয়া "মুসাফির হুঁ ইয়ারো, না ঘর হ্যায় না ঠিকানা" @MamataOfficial @Sujan_Speak @adhirrcinc @DilipGhoshBJP pic.twitter.com/JRu9mvcq9N
— Najarbandi (@NajarbandiLive) May 13, 2020

No comments