করোনা আতঙ্কের মধ্যে কলকাতাতেও শুরু হল মাধ্যমিকের নম্বর সংগ্রহের প্রক্রিয়া!
নজরবন্দি ব্যুরো: গোটা রাজ্য জুড়ে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। আর এই ভাইরাসের সংক্রমণ আটকাতে লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এই লকডাউনের কারণে বন্ধ আছে রাজ্যের স্কুল, কলেজ এবং একাধিক অফিস।
ইতিমধ্যে লকডাউনের মধ্যেই প্রধান পরীক্ষকদের কাছ থেকে মাধ্যমিকের নম্বর সংগ্রহের কাজ চালু করেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। রবিবার আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার প্রধান পরীক্ষকদের কাছ থেকে নম্বর সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
তারপরই মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সূত্রে জানা গিয়েছিল, এরপর দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় নম্বর সংগ্রহের কাজ চালু হবে। তবে, রেড জোন ও কনটেনমেন্ট জোন থেকে নম্বর সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিয়েছে। সেই আশঙ্কার মধ্যেই রেড জোনে থাকা কলকাতায় নম্বর সংগ্রহের প্রক্রিয়া চালু করল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।
সোমবার কলকাতার প্রধান পরীক্ষকদের কাছে ফোন আসে পর্ষদ থেকে।
প্রধান পরীক্ষকদের নির্দেশ দেওয়া হয়, দ্রুত পরীক্ষকদের থেকে উত্তরপত্র ও নম্বর সংগ্রহ করতে। সেই নির্দেশ আসার পরে পরীক্ষকদের ফোন করে তাঁদের কাছে থাকা মাধ্যমিকের উত্তরপত্র ও নম্বর জমা দিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন কলকাতার প্রধান পরীক্ষকরা। সূত্রের খবর, বাদ পড়েনি কনটেনমেন্ট জোনও। কনটেনমেন্ট জোন থাকা প্রধান পরীক্ষকদেরও একই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পর্ষদের তরফে। কোথাও আবার পরীক্ষকদের শুধু মার্কস ফয়েল অর্থাৎ নম্বর জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
ইতিমধ্যে লকডাউনের মধ্যেই প্রধান পরীক্ষকদের কাছ থেকে মাধ্যমিকের নম্বর সংগ্রহের কাজ চালু করেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। রবিবার আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার প্রধান পরীক্ষকদের কাছ থেকে নম্বর সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
তারপরই মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সূত্রে জানা গিয়েছিল, এরপর দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় নম্বর সংগ্রহের কাজ চালু হবে। তবে, রেড জোন ও কনটেনমেন্ট জোন থেকে নম্বর সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিয়েছে। সেই আশঙ্কার মধ্যেই রেড জোনে থাকা কলকাতায় নম্বর সংগ্রহের প্রক্রিয়া চালু করল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।
সোমবার কলকাতার প্রধান পরীক্ষকদের কাছে ফোন আসে পর্ষদ থেকে।

No comments