করোনা আতঙ্কের মধ্যে শুরু হল প্রধান পরীক্ষকদের কাছ থেকে মাধ্যমিকের নম্বর সংগ্রহের কাজ!
নজরবন্দি ব্যুরো: রাজ্য জুড়ে হুহু করে বাড়ছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ; পাশাপাশি বেড়েই চলেছে মৃত্যুর সংখ্যা। গতকাল করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত বুলেটিন দিতে গিয়ে রাজ্য সরকার জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৫৩ জন। সংখ্যাটা সব মিলিয়ে দাঁড়িয়েছে এখন পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৯৩৯ জন। কোভিড ১৯ অর্থাৎ করোনা ভাইরাসে যারা আক্রান্ত হয়েছেন তাঁর মধ্যে ১ হাজার ৩৩৭ জন রোগী এখন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পাশাপাশি রাজ্য সরকার জানিয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ জনের মৃত্যু হয়ে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজ্যে মোট ১১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে(শুধু করোনায়)।
এই মারণ করোনা থাবা বসিয়েছে মাধ্যমিকের ফল প্রকাশে। মাঝপথেই থমকে গেছে উত্তরপত্র ও নম্বর সংগ্রহের কাজ। এবার লকডাউনের মধ্যেই দ্রুত ফল প্রকাশের লক্ষ্যে প্রধান পরীক্ষকদের কাছ থেকে নম্বর সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু করল পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। পর্ষদ সূত্রে জানা গেছে, রাজ্যে যে সব জেলা গ্রিন জোনের আওতায় রয়েছে সেখানে নম্বর সংগ্রহের কাজ গতকাল থেকে শুরু হয়েছে। আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, এই চার জেলা থেকে প্রায় ৮০ শতাংশ নম্বর ইতিমধ্যেই সংগ্রহ করা হয়ে গেছে বলে জানা গেছে ।
প্রসঙ্গত, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছিল ২০২০ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা। প্রতিবারের মতো এবারেও পরীক্ষায় শুরুর আগে কড়াকড়ি ব্যবস্থা নিয়েছিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। আগের বছর যে সমস্ত জায়গায় হোয়াটসঅ্যাপে মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছিল এবং ফাঁস হওয়ার প্রবণতা রয়েছে, পরীক্ষা চলাকালীন সেই সমস্ত জায়গায় বন্ধ রাখা হয় ইন্টারনেট পরিষেবা। সবমিলিয়ে রাজ্যের মোট ৪২টি ব্লকে পরীক্ষা চলাকালীন বন্ধ রাখা হয় ইন্টারনেট পরিষেবা। এবছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১০ লক্ষ ১৫ হাজার ৮৮৮। যা গতবারের তুলনায় কম। এবার মাধ্যমিক পরীক্ষায় ছাত্রের সংখ্যা ৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮৭৯। পর্ষদ তরফে জানানো হয়েছে এই বছর মেয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি।
এই মারণ করোনা থাবা বসিয়েছে মাধ্যমিকের ফল প্রকাশে। মাঝপথেই থমকে গেছে উত্তরপত্র ও নম্বর সংগ্রহের কাজ। এবার লকডাউনের মধ্যেই দ্রুত ফল প্রকাশের লক্ষ্যে প্রধান পরীক্ষকদের কাছ থেকে নম্বর সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু করল পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। পর্ষদ সূত্রে জানা গেছে, রাজ্যে যে সব জেলা গ্রিন জোনের আওতায় রয়েছে সেখানে নম্বর সংগ্রহের কাজ গতকাল থেকে শুরু হয়েছে। আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, এই চার জেলা থেকে প্রায় ৮০ শতাংশ নম্বর ইতিমধ্যেই সংগ্রহ করা হয়ে গেছে বলে জানা গেছে ।
প্রসঙ্গত, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছিল ২০২০ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা। প্রতিবারের মতো এবারেও পরীক্ষায় শুরুর আগে কড়াকড়ি ব্যবস্থা নিয়েছিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। আগের বছর যে সমস্ত জায়গায় হোয়াটসঅ্যাপে মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছিল এবং ফাঁস হওয়ার প্রবণতা রয়েছে, পরীক্ষা চলাকালীন সেই সমস্ত জায়গায় বন্ধ রাখা হয় ইন্টারনেট পরিষেবা। সবমিলিয়ে রাজ্যের মোট ৪২টি ব্লকে পরীক্ষা চলাকালীন বন্ধ রাখা হয় ইন্টারনেট পরিষেবা। এবছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১০ লক্ষ ১৫ হাজার ৮৮৮। যা গতবারের তুলনায় কম। এবার মাধ্যমিক পরীক্ষায় ছাত্রের সংখ্যা ৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮৭৯। পর্ষদ তরফে জানানো হয়েছে এই বছর মেয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি।

No comments