রূপবদলেই বাড়ছে মৃত্যু? কলকাতায় A2a-এর সাথে B ক্ল্যাডের করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব!
নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্য জুড়ে হুহু করে বাড়ছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমন; পাশাপাশি বেড়েই চলেছে মৃত্যুর সংখ্যা। রাজ্যে সংক্রমনের সংখ্যাটা সব মিলিয়ে দাঁড়িয়েছে এখন পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৯৩৯ জন।
কোভিড ১৯ অর্থাৎ করোনা ভাইরাসে যারা আক্রান্ত হয়েছেন তাঁর মধ্যে ১ হাজার ৩৩৭ জন রোগী এখন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পাশাপাশি রাজ্য সরকার জানিয়েছে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজ্যে মোট ১১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে(শুধু করোনায়)।অন্যদিকে অডিট কমিটি ৩০ এপ্রিল জানিয়েছিল যে আরও ৭২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী কো-মর্বিডিটির কারণে মারা গিয়েছেন। অর্থাৎ রাজ্যে এখন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের মৃত্যু সংখ্যা ১৮৫। অন্যদিকে রাজ্যজুড়ে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হওয়ার সংখ্যাটা এখন পর্যন্ত ৪১৭ জন।
রাজ্যে এখন পর্যন্ত করোনার স্যাম্পেল টেস্ট হয়েছে ৪৩ হাজার ৪১৪ টি, রাজ্যের প্রতি ১০ লক্ষ মানুষ পিছু ৪৮২ জনের টেস্ট করা হয়েছে।
রাজ্যের সমস্ত জেলার মধ্যে সব থেকে খারাপ অবস্থা মহানগর কলকাতার, শুধু কলকাতাতেই এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৯৪৮ জন। পাশাপাশি কলকাতায় মৃত্যু হয়েছে ১২৬ জনের যার মধ্যে কো-মর্বিডিটির জন্যে মারা গিয়েছেন ৫২ জন এবং শুধু করোনা ভাইরাসের কারনে মারা গিয়েছেন ৭৪ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২০৮ জন এবং বাকি ৬১৪ জন চিকিৎসাধীন, যা রীতিমত ভয়াবহ। পরিসংখ্যান বলছে, দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গের কেস ফেটালিটি রেট সব থেকে বেশি। এপিডিমিয়োলজিক মেথডে এ দিনের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে সারা দেশের তুলনায় বঙ্গের কেস ফেটালিটি রেট দাঁড়ায় ৯.৫৪%। সেখানে কলকাতা ৭.৮০, উত্তর ২৪ পরগনা ৬.৭৭, হাওড়া ৪.০৭ এবং হুগলির সিএফআর ০.৮৩%। কিন্তু কলকাতায় সংক্রমনের গতি তথা মৃত্যুহার এত বেশি কেন? নাইসেড কলকাতার প্রধান শান্তা দত্ত জানিয়েছেন, "লকডাউন শুরুর পর থেকে এখানে ভাইরাসের অনেক রূপবদল বা মিউটেশন হয়েছে।" পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, "অল্প সময়ের মধ্যে অনেক মিউটেশন হলে তার প্রভাব বদলাবে ঠিকই। তবে সেই বদলের প্রভাব কতখানি মারাত্মক, আদৌ সংক্রমণ বৃদ্ধির সহায়ক কি না, এই সব বিষয়ে মন্তব্য করার সময় এখনও আসেনি। আরও গবেষণা প্রয়োজন।" তাঁর কথায় চিনের উহানে নোভেল করোনাভাইরাসের টাইপ বদলে ভাইরাসের যে-টাইপের দেখা সব চেয়ে বেশি মিলছে, তা হল A2a। কলকাতায় A2a-এর পাশাপাশি B ক্ল্যাডের করোনা ভাইরাস পাওয়া গিয়েছে।"
গবেষক নিধন বিশ্বাস জানিয়েছেন, "প্রতিটি মিউটেশনেই ভাইরাসের শক্তিক্ষয় হয়। ফলে মিউটেশন মানেই ক্ষতিকর ব্যাপারটা তা নয়।"
কোভিড ১৯ অর্থাৎ করোনা ভাইরাসে যারা আক্রান্ত হয়েছেন তাঁর মধ্যে ১ হাজার ৩৩৭ জন রোগী এখন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পাশাপাশি রাজ্য সরকার জানিয়েছে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজ্যে মোট ১১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে(শুধু করোনায়)।অন্যদিকে অডিট কমিটি ৩০ এপ্রিল জানিয়েছিল যে আরও ৭২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী কো-মর্বিডিটির কারণে মারা গিয়েছেন। অর্থাৎ রাজ্যে এখন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের মৃত্যু সংখ্যা ১৮৫। অন্যদিকে রাজ্যজুড়ে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হওয়ার সংখ্যাটা এখন পর্যন্ত ৪১৭ জন।
রাজ্যে এখন পর্যন্ত করোনার স্যাম্পেল টেস্ট হয়েছে ৪৩ হাজার ৪১৪ টি, রাজ্যের প্রতি ১০ লক্ষ মানুষ পিছু ৪৮২ জনের টেস্ট করা হয়েছে।
রাজ্যের সমস্ত জেলার মধ্যে সব থেকে খারাপ অবস্থা মহানগর কলকাতার, শুধু কলকাতাতেই এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৯৪৮ জন। পাশাপাশি কলকাতায় মৃত্যু হয়েছে ১২৬ জনের যার মধ্যে কো-মর্বিডিটির জন্যে মারা গিয়েছেন ৫২ জন এবং শুধু করোনা ভাইরাসের কারনে মারা গিয়েছেন ৭৪ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২০৮ জন এবং বাকি ৬১৪ জন চিকিৎসাধীন, যা রীতিমত ভয়াবহ। পরিসংখ্যান বলছে, দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গের কেস ফেটালিটি রেট সব থেকে বেশি। এপিডিমিয়োলজিক মেথডে এ দিনের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে সারা দেশের তুলনায় বঙ্গের কেস ফেটালিটি রেট দাঁড়ায় ৯.৫৪%। সেখানে কলকাতা ৭.৮০, উত্তর ২৪ পরগনা ৬.৭৭, হাওড়া ৪.০৭ এবং হুগলির সিএফআর ০.৮৩%। কিন্তু কলকাতায় সংক্রমনের গতি তথা মৃত্যুহার এত বেশি কেন? নাইসেড কলকাতার প্রধান শান্তা দত্ত জানিয়েছেন, "লকডাউন শুরুর পর থেকে এখানে ভাইরাসের অনেক রূপবদল বা মিউটেশন হয়েছে।" পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, "অল্প সময়ের মধ্যে অনেক মিউটেশন হলে তার প্রভাব বদলাবে ঠিকই। তবে সেই বদলের প্রভাব কতখানি মারাত্মক, আদৌ সংক্রমণ বৃদ্ধির সহায়ক কি না, এই সব বিষয়ে মন্তব্য করার সময় এখনও আসেনি। আরও গবেষণা প্রয়োজন।" তাঁর কথায় চিনের উহানে নোভেল করোনাভাইরাসের টাইপ বদলে ভাইরাসের যে-টাইপের দেখা সব চেয়ে বেশি মিলছে, তা হল A2a। কলকাতায় A2a-এর পাশাপাশি B ক্ল্যাডের করোনা ভাইরাস পাওয়া গিয়েছে।"
গবেষক নিধন বিশ্বাস জানিয়েছেন, "প্রতিটি মিউটেশনেই ভাইরাসের শক্তিক্ষয় হয়। ফলে মিউটেশন মানেই ক্ষতিকর ব্যাপারটা তা নয়।"

No comments