রাজ্যে মৃত্যুর ডাবল সেঞ্চুরি, লাগামহীন সংক্রমণ; এদিকে শিথিল হচ্ছে লকডাউন! #Exclusive
নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্য জুড়ে করোনা ভাইরাসের সংক্রমন কমার তো কোন লক্ষনই নেই বরং বেড়েই চলেছে মৃত্যুর সংখ্যা। রাজ্যের মধ্যে থাকা গ্রিন জোন গুলিতেও পাওয়া যাচ্ছে আক্রান্ত! কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনার পাশাপাশি হুগলী জেলা জুড়ে ভয়ানক গতিতে বাড়ছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। এদিন করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত বুলেটিন দিতে গিয়ে রাজ্য সরকার জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৭ জন। সংখ্যাটা সব মিলিয়ে দাঁড়িয়েছে এখন পর্যন্ত মোট ২ হাজার ২৯০ জন।
২ হাজার ২৯০ জন আক্রান্তের মধ্যে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৩৮১ জন। পাশাপাশি রাজ্য সরকার জানিয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু হয়ে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজ্যে মোট ১৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে(শুধু করোনায়)।
দাপিয়ে বেড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস; দেখুন রাজ্যের জেলা ভিত্তিক পরিসংখ্যান। #Exclusive
অন্যদিকে অডিট কমিটি ৩০ এপ্রিল জানিয়েছিল যে আরও ৭২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী কো-মর্বিডিটির কারণে মারা গিয়েছেন। অর্থাৎ রাজ্যে এখন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের মৃত্যু সংখ্যা ২০৭। অন্যদিকে রাজ্যজুড়ে করোনা ভাইরাস থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৯০ জন। সর্বমোট সুস্থ হওয়ার সংখ্যাটা এখন পর্যন্ত ৭০২ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৫ হাজার ১০ টি স্যাম্পেল টেস্ট করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত মোট স্যাম্পেল টেস্টের সংখ্যা ৫৭ হাজার ৬৩২। রাজ্যে প্রতি ১০ লক্ষ মানুষ পিছু স্যাম্পেল টেস্ট করা হয়েছে ৬৪০ জনের। উল্লেখ্য, রাজ্যের মোট ৬৮টি করোনা চিকিৎসার হাসপাতালে মোট ৮৫৭০টি বেড রয়েছে, এর মধ্যে আইসিইউ বেড আছে মোট ৯০৭টি।
এদিকে আজ নবান্নে পঞ্চায়েত বৈঠক শেষ করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ভয় পাওয়ার কিছু নেই, সতর্ক থাকলেই চলবে। সংক্রমণ এড়াতে গ্লাভস ব্যবহার করুন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বাভাবিক কাজকর্মে ফিরতে হবে আমাদের। তিনি বলেন "করোনা থাকবে, তার মধ্যেই চাই গ্রাম বাংলার জাগরণ।"
তাঁর কথায়, সতর্ক থেকেই গ্রামাঞ্চলে দোকান-পাট খুলতে হবে।এটা মানববাহিত রোগ। মানুষে-মানুষে ভেদাভেদ না করে সতর্ক হয়ে চলতে হবে।" পাশাপাশি তাঁর বক্তব্য, "মাস্ক পরে দোকানে যান। বিক্রেতারাও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মাস্ক পরে কেনাবেচা করুন। সংক্রমণ এড়াতে গ্লাভস ব্যবহার করুন। করোনা মোকাবিলায় ভয় পাওয়ার কিছু নেই। সামাজি দূরত্ব বজায় রেখে গ্রামাঞ্চলে স্বাভাবিক কাজকর্মে ফিরতে হবে।"
২ হাজার ২৯০ জন আক্রান্তের মধ্যে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৩৮১ জন। পাশাপাশি রাজ্য সরকার জানিয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু হয়ে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজ্যে মোট ১৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে(শুধু করোনায়)।
দাপিয়ে বেড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস; দেখুন রাজ্যের জেলা ভিত্তিক পরিসংখ্যান। #Exclusive
অন্যদিকে অডিট কমিটি ৩০ এপ্রিল জানিয়েছিল যে আরও ৭২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী কো-মর্বিডিটির কারণে মারা গিয়েছেন। অর্থাৎ রাজ্যে এখন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের মৃত্যু সংখ্যা ২০৭। অন্যদিকে রাজ্যজুড়ে করোনা ভাইরাস থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৯০ জন। সর্বমোট সুস্থ হওয়ার সংখ্যাটা এখন পর্যন্ত ৭০২ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৫ হাজার ১০ টি স্যাম্পেল টেস্ট করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত মোট স্যাম্পেল টেস্টের সংখ্যা ৫৭ হাজার ৬৩২। রাজ্যে প্রতি ১০ লক্ষ মানুষ পিছু স্যাম্পেল টেস্ট করা হয়েছে ৬৪০ জনের। উল্লেখ্য, রাজ্যের মোট ৬৮টি করোনা চিকিৎসার হাসপাতালে মোট ৮৫৭০টি বেড রয়েছে, এর মধ্যে আইসিইউ বেড আছে মোট ৯০৭টি।
এদিকে আজ নবান্নে পঞ্চায়েত বৈঠক শেষ করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ভয় পাওয়ার কিছু নেই, সতর্ক থাকলেই চলবে। সংক্রমণ এড়াতে গ্লাভস ব্যবহার করুন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বাভাবিক কাজকর্মে ফিরতে হবে আমাদের। তিনি বলেন "করোনা থাকবে, তার মধ্যেই চাই গ্রাম বাংলার জাগরণ।"
তাঁর কথায়, সতর্ক থেকেই গ্রামাঞ্চলে দোকান-পাট খুলতে হবে।এটা মানববাহিত রোগ। মানুষে-মানুষে ভেদাভেদ না করে সতর্ক হয়ে চলতে হবে।" পাশাপাশি তাঁর বক্তব্য, "মাস্ক পরে দোকানে যান। বিক্রেতারাও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মাস্ক পরে কেনাবেচা করুন। সংক্রমণ এড়াতে গ্লাভস ব্যবহার করুন। করোনা মোকাবিলায় ভয় পাওয়ার কিছু নেই। সামাজি দূরত্ব বজায় রেখে গ্রামাঞ্চলে স্বাভাবিক কাজকর্মে ফিরতে হবে।"

No comments