Header Ads

এবার থেকে বাস, ট্রেন, প্লেনে যাত্রা করতে হলে মানতে হবে এই গাইডলাইন, দেখে নিন কি কি

নজরবন্দি ব্যুরো: দীর্ঘ ২ মাস ধরে দেশ লকডাউনে।করোনাকে পাশে রেখেই স্বাভাবিক জনজীবনে ফেরানোর চেষ্টা চলছে দেশকে।পুরোপুরি লকডাউন না উঠলেও ধীরে ধীরে শিথিল করা হচ্ছে লকডাউন। আগামীকাল ২৫ শে মে থেকে চালু হচ্ছে ডোমেস্টিক উড়ান পরিষেবা। এখনও পর্যন্ত সারা দেশজুড়ে করোনা আতঙ্ক নির্মুল হয়নি।উড়ান চালু হলেও নিয়মিত উড়ানের এক তৃতীয়াংশ হচ্ছে। করোনা সংক্রমণের কথা মাথায় রেখেই স্বাস্থ্যমন্ত্রক কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করেছে বিমানবন্দর থেকে শুরু করে ট্রেন ও বাসযাত্রার ক্ষেত্রেও।কিভাবে সংস্পর্শে না এসে যথাসম্ভব নিরাপত্তাজনিত এবং অন্যান্য তল্লাশি যাতে হয় তার ব্যাবস্থাও করা হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব যাতে বজায় থাকে এবং স্বাস্থ্যবিধিও যাতে লঙ্ঘন না হয় তা মাথায় রেখেই এই ব্যাবস্থা নেওয়া হয়েছে। যাত্রী ও বিভিন্ন সংস্থাগুলিকে মানতে হবে কতগুলো গাইডলাইন্স।
 ১.কি করতে হবে আর কি না তা টিকিটের মধ্যেই লেখা থাকবে এবং তা বাধ্যতামুলক।
 ২.সব যাত্রীদের আরোগ্য সেতু অ্যাপ মোবাইলে ডাউনলোড করতেই হবে।
 ৩.কোভিড-১৯ নিয়ে সমস্ত সুরক্ষামুলক ব্যাবস্থা এবং ঘোষণা করতে হবে এয়ারপোর্ট, রেলস্টেশন ও বাস টার্মিনালে। ৪.বিমান,বাস ও ট্রেন ছাড়ার আগে সমস্ত যাত্রীদের থার্মাল স্ক্রিনিং করাটা বাধ্যতামুলক।তারপরেই তাদের ট্রেন, বাস ও বিমানে চড়ার অনুমতি দেওয়া হবে।
 ৫.যাত্রীদের সফরের সময় মাস্ক, বা কভার পরা এবং হাত ধোয়ার বা স্যানিটাইজারের জিনিস সঙ্গে রাখতেই হবে। ৬.বিমানবন্দর, রেলস্টেশন এবং বাস টার্মিনালে যাত্রীদের সোশ্যাল ডিস্টেন্স বজায় রাখাটা বাধ্যতামুলক। ৭.বেরোনোর সময় সেখানে স্ক্রিনিং ব্যাবস্থা রাখতে হবে।
 ৮.যে সব যাত্রীদের রোগের লক্ষন না দেখা গেলেও তাদেরকেও অন্তত ১৪ দিন নিজেদের স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখতে হবে। কোনও সমস্যা হলেই তা জানাতে হবে জাতীয় কল সেন্টার ১০৭৫ নাম্বারে।
 ৯.বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও বিমানবন্দরে প্রতিনিয়ত জীবাণুমুক্ত করার ব্যাবস্থা রাখতে হবে।
 ১০.কারোর শরীরে সন্দেহজনক কিছু ধরা পড়লে তাকে আইসোলেশনে থাকতে হবে সবচেয়ে কাছের হাসপাতাল বা হেলথ্ সেন্টারে।
 ১১.করোনার ভালোমতো লক্ষন দেখা গেলে তাকে করোনা স্পেশালিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হবে।

No comments

Theme images by lishenjun. Powered by Blogger.