আসছে প্রলয়; সবার নিরাপত্তার জন্যে প্রার্থনা করলেন চরম উদবিঘ্ন প্রধানমন্ত্রী।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ ব্যাপক ভাবে শক্তি বাড়িয়ে ধেয়ে আসছে প্রবল ঘুর্নিঝড় আমফান। ঊড়িষ্য এবং পশ্চিমবঙ্গে তাণ্ডবলীলা চালিয়ে এই ঝড় গিয়ে হানা দেবে বাংলাদেশে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। এই ঘুর্নিঝড় আয়লার থেকেও ভয়াবহ রূপ নিতে চলেছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ এবং ঊড়িষ্যায় জারি করা হয়েছে চরম সতর্কতা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সতর্ক করেছে আমফান সুপার সাইক্লোনে পরিণত হয়ে পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের উপকূলগুলিতে বুধবার আছড়ে পড়বে।
ইতিমধ্যেই জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। পশ্চিমবঙ্গ এবং ঊড়িষ্যা দুই রাজ্যে ইতিমধ্যেই সতর্কতা মূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দুই রাজ্যে ইতিমধ্যেই ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। এনডিআরএফ ডিরেক্টর জেনারেল এসএন প্রধান জানিয়েছেন, দুই রাজ্যে মোট ১৭টি টিম মোতায়েন করা হয়েছে। এক একটি টিমে থাকছেন বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রশিক্ষিত ৪৫ জন সদস্য। আমাদের রাজ্যে মূলত এই ঝড় বইবে উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিন ২৪ পরগণা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া ও হুগলীর ওপর দিয়ে তাই রাজ্যের এই ৬ টি জেলায় ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্সের ৭টি টিম মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি ঊড়িষ্যার ক্ষেত্রে পুরী, বালাসোর, ময়ূরভঞ্জ, ভদ্রক এবং জগতসিং পুরে মোতায়েন করা হয়েছে আরও ১০টি টিম। ১৮-২০ মের মধ্যে এই ঝড় আছড়ে পড়তে পারে বাংলায় বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই ঝড়ের গতিবেগ হতে পারে ১৮০-২০০ কিলোমিটার।
এদিকে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই আমফানের মত বিপদে উদবিঘ্ন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ বিকেল ৪টে নাগাল আমফান নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সাথে বৈঠকে বসেন তিনি। পাশাপাশি তাঁর আলোচনা হয় ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্সের সাথেও। ইতিমধ্যেই ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স জানিয়েছে এই ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন ১১ লক্ষের বেশি মানুষ।
প্রধানমন্ত্রী ট্যুইট করে জানিয়েছেন "সাইক্লোন আমফানের হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করার জন্য কী প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে খতিয়ে দেখলাম। উপকূলবর্তী অঞ্চল থেকে মানুষকে সরিয়ে আনার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। আমি সকলের নিরাপত্তার জন্য প্রার্থনা করি। কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সবরকম সাহায্য দেওয়ার জন্য তৈরি আছে।"
ইতিমধ্যেই জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। পশ্চিমবঙ্গ এবং ঊড়িষ্যা দুই রাজ্যে ইতিমধ্যেই সতর্কতা মূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দুই রাজ্যে ইতিমধ্যেই ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। এনডিআরএফ ডিরেক্টর জেনারেল এসএন প্রধান জানিয়েছেন, দুই রাজ্যে মোট ১৭টি টিম মোতায়েন করা হয়েছে। এক একটি টিমে থাকছেন বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রশিক্ষিত ৪৫ জন সদস্য। আমাদের রাজ্যে মূলত এই ঝড় বইবে উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিন ২৪ পরগণা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া ও হুগলীর ওপর দিয়ে তাই রাজ্যের এই ৬ টি জেলায় ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্সের ৭টি টিম মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি ঊড়িষ্যার ক্ষেত্রে পুরী, বালাসোর, ময়ূরভঞ্জ, ভদ্রক এবং জগতসিং পুরে মোতায়েন করা হয়েছে আরও ১০টি টিম। ১৮-২০ মের মধ্যে এই ঝড় আছড়ে পড়তে পারে বাংলায় বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই ঝড়ের গতিবেগ হতে পারে ১৮০-২০০ কিলোমিটার।
এদিকে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই আমফানের মত বিপদে উদবিঘ্ন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ বিকেল ৪টে নাগাল আমফান নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সাথে বৈঠকে বসেন তিনি। পাশাপাশি তাঁর আলোচনা হয় ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্সের সাথেও। ইতিমধ্যেই ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স জানিয়েছে এই ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন ১১ লক্ষের বেশি মানুষ।
প্রধানমন্ত্রী ট্যুইট করে জানিয়েছেন "সাইক্লোন আমফানের হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করার জন্য কী প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে খতিয়ে দেখলাম। উপকূলবর্তী অঞ্চল থেকে মানুষকে সরিয়ে আনার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। আমি সকলের নিরাপত্তার জন্য প্রার্থনা করি। কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সবরকম সাহায্য দেওয়ার জন্য তৈরি আছে।"

No comments