করোনা, আমফানের পর এবার পঙ্গপালের আশঙ্কায় বাংলা!
নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভারতে সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। প্রত্যেকদিন ৬ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন করোনায়। বুধবারও ফের সামনে এল সেই ভয়ঙ্কর ছবি।এর মধ্যেই গত কয়েক দিন ধরে উত্তর ও পশ্চিম ভারতের কিছু রাজ্যে পঙ্গপালের উত্পায়ত শুরু হয়েছে। মাঝেমধ্যেই দেখা যাচ্ছে ঝাঁকে ঝাঁকে পঙ্গপাল উড়ে বেড়াচ্ছে। ফলে রাস্তাঘাটে মানুষের বেরতে সমস্যা হচ্ছে। ক্ষতি হচ্ছে ফসলেরও। এই পঙ্গপাল পাকিস্তান থেকে ভারতে এসে ঢুকছে বলে জানালেন কৃষি দফতরের ডেপুটি ডিরেক্টর বি আর কারওয়া। বুধবার সংবাদসংস্থা এএনআই-কে একথা জানান কারওয়া।
তিনি বলেন, 'পাকিস্তান থেকে পঙ্গপালের ঝাঁক রাজস্থানে ঢুকছে। এক মাস ধরে প্রতি ২-৩ দিন অন্তর এই ঘটনা দেখা যাচ্ছে। এবার নাকি তারা বাতাসের গতিপথে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকতে চলেছে। আশঙ্কা গ্রাস করছে বাংলার পতঙ্গ বিদদের। চিন্তার আরও একটি বিশেষ কারণ হলো, পঙ্গপালের প্রজননের জন্যে যে অনুকূল পরিবেশের প্রয়োজন, তার সবটাই এখন রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে আমফানের জন্যে। ভিজে মাটি, গঙ্গাপাড়ের হাওয়া, মাঠে ফসল ইত্যাদি। প্রশাসন ইতিমধ্যে বিপজ্জনক এই বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর শুরু করে দিয়েছে। বাংলার পতঙ্গবিদরা জানাচ্ছেন, '৬১ সালে কলকাতায় একবার পঙ্গপাল হানা দিয়েছিল। এঁদের প্রতিরোধের জন্যে পর্যাপ্ত সচেতনতা এবং বলা যায় 'হোমওয়ার্ক' প্রয়োজন, সে ক্ষমতা এখন নেই রাজ্য প্রশাসনের। কারণ রাজ্য বিধ্বস্ত করোনা, আমফানে। এমন অবস্থায় কৃষকদের রাতের ঘুম ছুটে গেছে।
তিনি বলেন, 'পাকিস্তান থেকে পঙ্গপালের ঝাঁক রাজস্থানে ঢুকছে। এক মাস ধরে প্রতি ২-৩ দিন অন্তর এই ঘটনা দেখা যাচ্ছে। এবার নাকি তারা বাতাসের গতিপথে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকতে চলেছে। আশঙ্কা গ্রাস করছে বাংলার পতঙ্গ বিদদের। চিন্তার আরও একটি বিশেষ কারণ হলো, পঙ্গপালের প্রজননের জন্যে যে অনুকূল পরিবেশের প্রয়োজন, তার সবটাই এখন রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে আমফানের জন্যে। ভিজে মাটি, গঙ্গাপাড়ের হাওয়া, মাঠে ফসল ইত্যাদি। প্রশাসন ইতিমধ্যে বিপজ্জনক এই বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর শুরু করে দিয়েছে। বাংলার পতঙ্গবিদরা জানাচ্ছেন, '৬১ সালে কলকাতায় একবার পঙ্গপাল হানা দিয়েছিল। এঁদের প্রতিরোধের জন্যে পর্যাপ্ত সচেতনতা এবং বলা যায় 'হোমওয়ার্ক' প্রয়োজন, সে ক্ষমতা এখন নেই রাজ্য প্রশাসনের। কারণ রাজ্য বিধ্বস্ত করোনা, আমফানে। এমন অবস্থায় কৃষকদের রাতের ঘুম ছুটে গেছে।

No comments