লকডাউনের সময় বেতন না পাওয়ার অভিযোগ পার্শ্বশিক্ষকদের!
নজরবন্দি ব্যুরো: একদিকে দেশজুড়ে দ্বিতীয় পর্যায়ে চলছে লকডাউন অন্য দিকে দ্রুতগতিতে সংক্রমণ বাড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস। দেশের মধ্যে সবথেকে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি মহারাষ্ট্রে আর সব থেকে করোনা মোকাবিলায় সফল রাজ্য কেরল।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ভারতের বিভিন্ন রাজ্য জুড়ে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা, ১৬ হাজার ৬৭ জন। যার মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৫০২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৫২৭ জনের এবং এই মুহূর্তে চিকিৎসাধীন ১৩ হাজার ৩৮ জন। অন্যদিকে রাজ্যেও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে হুহু করে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী আজ এখন পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩১০ জন। যার মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৬২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের।
এই রকম সময়ে লকডাউনের জেরে বেতন অধরা বেশ কিছু শিক্ষকের। প্রায় চার মাস ধরে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ৩২ জন পার্শ্বশিক্ষক বেতন পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। ফলে প্রচণ্ড সমস্যার মুখে পড়েছেন ওই সমস্ত শিক্ষকরা।
পে স্কেলের দাবিতে এই শিক্ষকরা বিধননগরে দীর্ঘদিন অবস্থান বিক্ষোভে শামিল হয়েছিলেন। যদিও পরে শিক্ষামন্ত্রীর প্রতিশ্রুতিতে সেই আন্দোলন প্রত্যাহার করেন আন্দোলনকারী শিক্ষকরা। সেখান থেকেই সমস্যা শুরু। টানা ছুটি নেওয়ার কারণে অনেকেরই বেতন কাটা হয়। অন্যান্য জেলার পার্শ্বশিক্ষকদের বেতনের সমস্যা মিটলেও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ৩২ জনের ক্ষেত্রে সেটা হয়নি।
এই ব্যাপারে পার্শ্বশিক্ষক ঐক্যমঞ্চের অন্যতম আহ্বায়ক ভগীরথ ঘোষ বলেন, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং হুগলিতে একটি বিশেষ নিয়ম আছে, তার জন্যই এ ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে। নিয়মটি হল, কোনও শিক্ষক যদি উইদাউট পে-তে থাকেন, তবে তাঁর বেতন চালু করার আগে শুনানি করতে হয়। সেই শুনানি যথা সময়ে হয়নি। আর এই কারণে দক্ষিণ ২৪ পরগনার শিক্ষকরা বেতন পাচ্ছেন না। এই ব্যাপারে জেলা শিক্ষা আধিকারিক মেঘনা পালের কাছে জানতে চাইলে তিনি অতিরিক্ত জেলাশাসকের সঙ্গে কথা বলতে বলেন।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ভারতের বিভিন্ন রাজ্য জুড়ে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা, ১৬ হাজার ৬৭ জন। যার মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৫০২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৫২৭ জনের এবং এই মুহূর্তে চিকিৎসাধীন ১৩ হাজার ৩৮ জন। অন্যদিকে রাজ্যেও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে হুহু করে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী আজ এখন পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩১০ জন। যার মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৬২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের।
এই রকম সময়ে লকডাউনের জেরে বেতন অধরা বেশ কিছু শিক্ষকের। প্রায় চার মাস ধরে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ৩২ জন পার্শ্বশিক্ষক বেতন পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। ফলে প্রচণ্ড সমস্যার মুখে পড়েছেন ওই সমস্ত শিক্ষকরা।
পে স্কেলের দাবিতে এই শিক্ষকরা বিধননগরে দীর্ঘদিন অবস্থান বিক্ষোভে শামিল হয়েছিলেন। যদিও পরে শিক্ষামন্ত্রীর প্রতিশ্রুতিতে সেই আন্দোলন প্রত্যাহার করেন আন্দোলনকারী শিক্ষকরা। সেখান থেকেই সমস্যা শুরু। টানা ছুটি নেওয়ার কারণে অনেকেরই বেতন কাটা হয়। অন্যান্য জেলার পার্শ্বশিক্ষকদের বেতনের সমস্যা মিটলেও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ৩২ জনের ক্ষেত্রে সেটা হয়নি।

No comments